'বিষের বাঁশি' উপন্যাসটি লিখেছেন কে?
A. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B. কাজী নজরুল ইসলাম
C. শরৎচন্দ্র
D. শামসুর রহমান
E. ফররুখ আহমেদ
সঠিক উত্তরঃ
B.
কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুযায়ী আত্মাকে চিনলেই কী আসে?
- চিনিলাম আপনারে আঘাতে আঘাতে বেদনায় বেদনায় সত্য যে কঠিন কঠিনেরে ভালোবাসিলাম সে কখনো করে না বঞ্চনা।'সত্যের শক্তিতে, বলীয়ান হওয়াই উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের সারকথা'- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।'- ব্যাখ্যা করো।
- ভারতবাসীকে নিজের উপর অটুট বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিলেন কে?
- রেবেকা সুলতানা রাজধানীর স্বনামধন্য কলেজের একজন আদর্শ শিক্ষক। কলেজ ছুটির পরে তিনি অবসর সময়ে পিছিয়ে পড়া নারীদের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন। এ কারণে তিনি গড়ে তোলেন 'নারী অধিকার' নামের একটি সংগঠন। এ সংগঠনের মাধ্যমে নারীদের হয়রানি, নিরাপত্তাহীনতা এবং নানাবিধ অনৈতিকতার প্রতিবাদে নিজেকে সমর্পণ করেন। কিন্তু কতিপয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ তার বিরোধিতা করেন। তা সত্ত্বেও তিনি তার প্রতিবাদ ও সচেতনতা অব্যাহত রাখেন।"উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধের ভাব সবটুকু প্রতিফলিত হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে নিষ্ক্রিয়তার ফলহলো-
- কে কখন অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুযায়ী আত্মাকে চিনলেই কী আসে?
- রাজবন্দীর জবানবন্দি কী ধরনের রচনা?
- নিজের সত্যকেই নিজের কর্ণধার মনে জানলে নিজের শক্তির ওপর কী আসে?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।"উদ্দীপকের যে মূলভাব, তারই বিস্তৃত পরিণতি 'আমার পথ'-এ পরিলক্ষিত।"- মন্তব্যের সত্যাসত্য বিচার করো।
- 'মানসিক উন্নতি করিতে হইলে হিন্দুকে হিন্দুত্ব বা খ্রিস্টানকে খ্রিস্টানি ছাড়িতে হইবে, এমন কোন কথা নাই। আপন আপন সম্প্রদায়ের পার্থক্য রক্ষা করিয়া ও মনটাকে স্বাধীনতা দেওয়া যায়।’ উক্তিটি কার?
- সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মায় আর কটি লোক। শতকরা প্রায় নিরানব্বই জন মানুষকেই চেষ্টা করতে হয়, জয় করে নিতে হ?? জগৎকে। বাঁচে সে লড়াই করে প্রতিকূলতার সঙ্গে। পলাতকের স্থান এই জগতের নেই। চেষ্টা ছাড়া আত্মপ্রতিষ্ঠা অসম্ভব। সুখ চেষ্টারই ফল-দেবতার দান নয়। কথায় আছে, ঈশ্বর তাকেই সাহায্য করেন যে নিজেকে সাহায্য করে। নির্ভীক সত্য সাধক, দৃঢ় আত্মবিশ্বাসী এবং পরমতসহিষ্ণু ব্যক্তিমাত্রই চেষ্টার মাধ্যমে তৈরি করে নিতে পারে নিজের পথ।উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের সমগ্র 'ভাবটিকে ধারণ করতে পেরেছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- অগ্নিবীণা-র রচয়িতা কে?
- 'আমার পথ দেখাবে আমার সত্য'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান।সঙ্কটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো,নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।ধর্ম যবে শঙ্খরবে করিবে আহ্বাননীরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিয়ো প্রাণ।মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরে দিয়ো কঠিন পরিচয়। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য লেখো।
- 'কুর্নিশ' শব্দের অর্থ কী?
- ভারতবর্ষে দাসত্বের সবচেয়ে বড়ো কারণ কোনটি?
- “রাজবন্দীর জবানবন্দী" নজরুল ইসলামের কী ধরনের রচনা?