ককলিয়া হলো?
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রসমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণমানব সংবেদী অঙ্গ - কান (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
শ্রবনের সাথে সংশ্লিষ্ট অঙ্গ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ককলিয়া শ্রবণের সাথে সম্পর্কিত অঙ্গ। এটি শ্রবণ গমনশক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপশন বিশ্লেষণ: A. দৃষ্টির সাথে সংশ্লিষ্ট অঙ্গ: ভুল, এটি শ্রবণের সাথে সম্পর্কিত নয়। B. শ্রবণের সাথে সংশ্লিষ্ট অঙ্গ: সঠিক, এটি সঠিক উত্তর। ককলিয়া শ্রবণের অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। C. ঘ্রাণের সাথে সংশ্লিষ্ট অঙ্গ: ভুল, এটি শ্রবণের সাথে সম্পর্কিত নয়। D. খাদ্য সম্পর্কিত অঙ্গ: ভুল, এটি শ্রবণের সাথে সম্পর্কিত নয়। নোট: ককলিয়া শ্রবণ শক্তির সাথে সম্পর্কিত অঙ্গ এবং এটি শ্রবণ প্রক্রিয়ার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Another Explanation (5):
ককলিয়া: শ্রবণের মূল কেন্দ্র 👂
ককলিয়া হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীদের অন্তঃকর্ণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি শামুকের খোলকের মতো পেঁচানো একটি অঙ্গ, যা শ্রবণ প্রক্রিয়ায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ককলিয়া মূলত শব্দ তরঙ্গকে নিউরাল সংকেতে রূপান্তরিত করে, যা মস্তিষ্কে পৌঁছানোর পর আমরা শব্দ শুনতে পাই। 🐌
ককলিয়ার গঠন 🧬
- অস্থিময় ককলিয়া: এটি ককলিয়ার বাইরের শক্ত কাঠামো, যা একে সুরক্ষা দেয়।
- ঝিল্লিযুক্ত ককলিয়া: এটি অস্থির ককলিয়ার ভিতরে অবস্থিত এবং তরল পদার্থে পূর্ণ।
- অর্গান অফ কর্টি (Organ of Corti): এটি ককলিয়ার মূল সংবেদী অঙ্গ, যেখানে হেয়ার সেল (Hair cell) নামক বিশেষ কোষ থাকে। এই কোষগুলো শব্দ তরঙ্গকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত করে। 🦱
ককলিয়ার কার্যাবলী ⚙️
- শব্দ গ্রহণ: ককলিয়া কানের অন্যান্য অংশ থেকে আসা শব্দ তরঙ্গ গ্রহণ করে। 🔊
- তরঙ্গ বিশ্লেষণ: এটি শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক (frequency) এবং তীব্রতা (intensity) বিশ্লেষণ করে।
- সংকেত রূপান্তর: অর্গান অফ কর্টি শব্দ তরঙ্গকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত করে। ⚡
- মস্তিষ্কে প্রেরণ: এই সংকেত অডিটরি নার্ভের মাধ্যমে মস্তিষ্কে প্রেরণ করা হয়, যেখানে শব্দ হিসেবে অনুভূত হয়। 🧠
ককলিয়া কিভাবে কাজ করে? 🤔
ককলিয়া একটি জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শব্দকে বোধগম্য করে তোলে। নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি দেখানো হলো:
| পর্যায় | বর্ণনা |
|---|---|
| ১. শব্দ তরঙ্গ প্রবেশ | শব্দ তরঙ্গ কানের মাধ্যমে প্রবেশ করে ককলিয়ায় পৌঁছায়। |
| ২. ভিত্তীয় ঝিল্লির কম্পন | ককলিয়ার ভিতরের ভিত্তীয় ঝিল্লি (basilar membrane) শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্কে কেঁপে ওঠে। |
| ৩. হেয়ার সেলের উদ্দীপনা | ভিত্তীয় ঝিল্লির কম্পনের ফলে হেয়ার সেলগুলো উদ্দীপিত হয়। |
| ৪. বৈদ্যুতিক সংকেত সৃষ্টি | উদ্দীপিত হেয়ার সেলগুলো বৈদ্যুতিক সংকেত তৈরি করে। |
| ৫. মস্তিষ্কে সংকেত প্রেরণ | অডিটরি নার্ভ এই সংকেত মস্তিষ্কের শ্রবণ কেন্দ্রে প্রেরণ করে। |
| ৬. শব্দ উপলব্ধি | মস্তিস্কে সংকেত বিশ্লেষণ করে আমরা শব্দ শুনতে পাই। |
ককলিয়ার সমস্যা ⚠️
ককলিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেতে পারে। কিছু সাধারণ সমস্যা হলো:
- শব্দ দূষণ: অতিরিক্ত শব্দ ককলিয়ার হেয়ার সেলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। 🌃
- বার্ধক্য: বয়সের সাথে সাথে ককলিয়ার কার্যকারিতা কমতে থাকে। 👵👴
- সংক্রমণ: কিছু সংক্রমণ ককলিয়ার ক্ষতি করতে পারে। 🦠
- জেনেটিক কারণ: বংশগত কারণেও ককলিয়ার সমস্যা হতে পারে। 🧬
ককলিয়ার যত্ন 💖
- অতিরিক্ত শব্দ থেকে কানকে বাঁচান। 🔇
- নিয়মিত কানের পরীক্ষা করান। 🩺
- স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন। 🍎🥦
আশা করি, ককলিয়া সম্পর্কে এই আলোচনা আপনার বোধগম্য হয়েছে। 😊
Option A Explanation:
- অক্ষি (Eye): দৃষ্টির জন্য মূল অঙ্গ, যা আলোকে অনুভব করে এবং দৃষ্টিকে সম্ভব করে তোলে।
- অক্ষি ঝিল্লি (Cornea): চোখের বাহ্যিক স্তর, যা আলোকে প্রথমে ধারণ করে এবং দৃষ্টি শুরু করে।
- অক্ষি পিণ্ড (Lens): আলোকে ফোকাস করে রেটিনা (Retina)-র উপর প্রেরণ করে, ফলে স্পষ্ট দৃষ্টি সম্ভব হয়।
- রেটিনা (Retina): চোখের ভেতরে থাকা আবরণ, যেখানে আলো প্রেরিত হয় এবং দৃষ্টির তথ্য প্রসেস হয়।
- অক্ষি স্নায়ু (Optic nerve): রেটিনা থেকে সংকেত নিয়ে মস্তিষ্কে দৃষ্টির সংকেত পাঠায়।
Option B Explanation:
- শ্রবনের সাথে সংশ্লিষ্ট অঙ্গ: এই অঙ্গটি হলো কানের অভ্যন্তরীণ অংশ, যা শ্রবণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- কান সাধারণত তিনটি অংশে বিভক্ত: বাহ্যিক কানা, মধ্যকানা ও অভ্যন্তরীণ কানা।
- অভ্যন্তরীণ কানে থাকে কানের শিরা ও স্নায়ু, যা শব্দ তরঙ্গকে ইলেকট্রিক সংকেতে রূপান্তর করে মস্তিষ্কে পাঠায়।
- শ্রবণ অঙ্গের কার্যক্রমের জন্য কানের এই অংশগুলো অপরিহার্য।
Option C Explanation:
- ঘ্রাণের সাথে সংশ্লিষ্ট অঙ্গ: এই অঙ্গটি মানুষের গন্ধ অনুভব করার জন্য দায়ী।
- প্রধান অঙ্গ হলো নাক, যা গন্ধের সংবেদনকে গ্রহণ করে এবং মস্তিষ্কে পাঠায়।
- নাকের ভিতরে থাকা গন্ধের receptor কোষগুলো গন্ধের সংকেত সংগ্রহ করে।
- গন্ধের অনুভূতি মূলত নাকের উপরের অংশে থাকা গন্ধের রিসেপ্টর কোষ দ্বারা প্রাপ্ত হয়।
Option D Explanation: ```html
- খাদ্য গ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ
- জিহ্বা (Tongue): স্বাদ অনুভব করে এবং খাবার চিবানোর কাজে ব্যবহৃত হয়
- মুখের ভিতরের অংশ: খাদ্য গিলে খাওয়ার প্রক্রিয়ায় সহায়ক
- স্নায়ুবিভাগের সাথে যুক্ত: স্বাদ অনুভূতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ