মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মানুষের রক্তের pH 7.45 এর বেশি হলে রোগটির নাম

A. ইন্টারভেনোসিস
B. অ্যাসিডোসিস
C. অ্যালকোলোসিস
D. অ্যাসিনোকেসিস
Poster Download
NITORজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্ত ও রক্তরস (Topic Practice)NITOR - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. অ্যালকোলোসিস
Another Explanation (5): মানুষের রক্তের সাধারণ pH মান ৭.৩৫ থেকে ৭.৪৫ এর মধ্যে থাকে। যদি এই মান ৭.৪৫ এর বেশি হয়, তাহলে সেটি অ্যালকালাইন বা ক্ষারীয় হয়ে যায়, যাকে বলা হয় **অ্যালকোলোসিস**। ### ব্যাখ্যা: - **pH মানের অর্থ:** pH মানের মাধ্যমে রক্তের অম্লতা বা ক্ষারীয়তার মাত্রা নির্ণয় করা হয়। - **৭.৩৫ থেকে ৭.৪৫:** স্বাভাবিক রক্তের pH সীমা। - **৭.৪৫ এর বেশি:** রক্তের ক্ষারীয়তা বেশি হওয়ার কারণে অ্যালকোলোসিস হয়। - **কারণসমূহ:** এই অবস্থা হতে পারে শারীরিক বা রাসায়নিক কারণের জন্য, যেমন অতিরিক্ত আলকালাইন সেবন, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা, বা হাইপারভেন্টিলেশন। ### সংক্ষেপে: | পিএইচ মান | অবস্থা | কারণ বা লক্ষণ | |------------|---------|--------------| | ৭.৩৫ বা কম | অ্যাসিডোসিস | অম্লতা বৃদ্ধি বা শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা | | ৭.৪৫ বা বেশি | অ্যালকোলোসিস | ক্ষারীয়তা বৃদ্ধি বা অতিরিক্ত শ্বাসপ্রশ্বাস | অতএব, **যখন রক্তের pH ৭.৪৫ এর বেশি হয়, তখন রোগটির নাম হলো "অ্যালকোলোসিস"।**
Option A Explanation:

ইন্টারভেনোসিস (Intervencosis)

  • ইন্টারভেনোসিস হলো একটি অপ্রচলিত বা ভুল লেখা শব্দ, সম্ভবত এটি "অ্যালকালোসিস" বা অন্য কোন সংশ্লিষ্ট অবস্থা বোঝাতে চাচ্ছেন।
  • অ্যালকালোসিস হলো সেই অবস্থা যখন শরীরের রক্তের pH মান ৭.৪৫ এর বেশি হয়ে যায়।
  • এটি সাধারণত হাইপারভেন্টিলেশন বা অতিরিক্ত বায়ু নিঃসরণজনিত হতে পারে, যা শরীরের অম্লীয়তা কমিয়ে দেয়।
  • অ্যালকালোসিসের লক্ষণগুলির মধ্যে থাকেঃ
    • চোখে ঝলকানি বা ঝ্যাঁকুনি অনুভূতি
    • দ্বিগুণ দেখা
    • অস্থিরতা বা অস্থিরতা
    • অসুবিধা বা অস্বস্তি
  • চিকিৎসার জন্য মূলত কারণ অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়।
Option B Explanation:

অ্যাসিডোসিসের ব্যাখ্যা

  • অ্যাসিডোসিস হলো এমন অবস্থা যেখানে শরীরের রক্তের pH মান ৭.৩৫ এর নিচে নেমে আসে।
  • এটি শরীরের অতিরিক্ত অ্যাসিডের কারণে ঘটে, যেখানে পিএইচ মান সাধারণত ৭.৪ এর কাছাকাছি থাকে।
  • অ্যাসিডোসিসের প্রধান কারণগুলো হলো:
    • অতিরিক্ত ল্যাকটিক অ্যাসিডের উৎপাদন, যেমন শ্বাসকষ্ট বা হঠাৎ ক্ষতিগ্রস্ত হলে
    • কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা বিষক্রিয়া
    • কিডনি সমস্যা বা অঙ্গপ্রতিস্থাপনজনিত সমস্যা
    • অতিরিক্ত আলকোহল বা ডিহাইড্রেশন
  • এটি যদি দ্রুত চিকিৎসা না করা হয়, তবে এটি শ্বাসকষ্ট, কম রক্তচাপ, হ্রাসপ্রাপ্ত হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা এবং প্রয়োজনে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
  • চিকিৎসায় মূলতঃ বেসিক সমর্থন, ওষুধের মাধ্যমে অ্যাসিডের পরিমাণ কমানো এবং মূল কারণ নির্ণয় ও তা প্রতিকার করা হয়।
Option C Explanation: ```html

অ্যালকোলোসিসের ব্যাখ্যা

  • অ্যা??কোলোসিস: এটি একটি অবস্থা যেখানে রক্তের pH মান ৭.৪ এর উপরে থাকে।
  • এটি সাধারণত তখন ঘটে যখন দেহে এসিডের পরিমাণ কমে যায় বা বায়ু নিঃসরণের মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ কমে যায়।
  • অ্যালকোলোসিসের ফলে শরীরের বিভিন্ন স্নায়বিক কার্যক্রম প্রভাবিত হতে পারে, যেমন মাথাব্যথা, ভারসাম্যহীনতা, দুর্বলতা, এবং অজ্ঞান হয়ে পড়া।
  • এটি চিকিৎসা না করলে মারাত্মক ফলাফল হতে পারে, যেমন শ্বাসকষ্ট বা হার্টের সমস্যা।
```
Option D Explanation:
  1. অ্যাসিনোকেসিস (Acidosis): এটি একটি অবস্থা যেখানে শরীরের রক্তের pH মান স্বাভাবিকের থেকে কম হয়ে যায়, সাধারণত ৭.৩ থেকে ৭.৪ এর মধ্যে বা তার কম।
  2. এই অবস্থা হলে কৃমির অ্যাসিডিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা শরীরের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
  3. অ্যাসিনোকেসিস বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট, কিডনী রোগ, বা বিষক্রিয়া।
  4. প্রধান লক্ষণসমূহের মধ্যে মাথা ব্যথা, দুর্বলতা, ধৈর্য্যহীনতা, দুর্বলতা, এবং অজ্ঞানতা থাকতে পারে।
  5. উপশমের জন্য মূল কারণ নির্ণয় ও যথাযথ চিকিৎসা জরুরি।