’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় একুশের চেতনার রঙের প্রতীক কোনটি?
A. কৃষ্ণচূড়া
B. কমল বন
C. শহীদের রক্ত
D. অবিনাশী বর্ণমালা
সঠিক উত্তরঃ
A.
কৃষ্ণচূড়া
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- "দেখি নাই যারে, চিনি নাই যারে/শুনি নাই নাম কভু তিনিই আজিকে দেবতা আমার/তিনিই আমার প্রভু!!"উদ্দীপকের ভাববৈশিষ্ট্য 'অনুযায়ী 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় উল্লিখিত 'মানবিক বাগান' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- থরে থরে কৃষ্ণচূড়া কোথায় ফুটেছে?
- কোনটি শামসুর রাহমানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ?
- “মাগো ওরা বলে,সবা কথা কেড়ে নেবেতোমার কোলে শুয়েগল্প শুনতে দেবে না।'' উদ্দীপকের সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোনবিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল'— কারণ তিনি ছিলেন—
- একুশের কৃষ্ণচূড়াকে কবি কোন রঙের সাথে মেলাতে চান?
- উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার আলোকে উদ্দীপকের রেখাচিত্রের যৌক্তিকতা নিরূপণ করো।
- একটি পতাকার জন্য কত রক্ত চাই।একটি মানচিত্রের জন্য কত অশ্রু চাই।রক্তের বুদ্বুদ ওঠে বিষণ্ণ বাতাসেচির সবুজের দেশে আপ্লুত আমুদে।জলপাই রঙের ট্যাংক বেড়ায় দাপিয়ে,শহরে কী বন্দরে সময়-অসময়।গর্জে উঠেছে সন্তান ভয়হীন সপ্রাণ,বাহুতে কলিজা বেঁধে করেছে সংগ্রাম।"উদ্দীপকের কবি ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবি একই মন্ত্রে দীক্ষিত।" মন্তব্যটির সত্যতা বিচার করো।
- "ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯" কবিতায় শামসুর রাহমান বর্ণমালাকে কিসের প্রতীক হিসেবে তুলনা করেছে-
- 'এ-রঙের বিপরীতে আছে অন্য রং।' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বৈশিষ্ট্য- দেশপ্রেমগণজাগরণ সংগ্রামী চেতনানিচের কোনটি সঠিক?
- শহিদের পুণ্য রক্তে সাত কোটিবাঙালির প্রাণের আবেগ আজপুষ্পিত সৌরভ। বাংলার নগর, বন্দরগঞ্জ, বাষট্টি হাজার গ্রামধ্বংসস্তূপ থেকে সাত কোটি ফুলহয়ে ফোটে। প্রাণময় মহৎ কবিতাআর কোথাও দেখি না এর চেয়ে।"উদ্দীপকের ভাবনা ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবির চেতনা এক সূত্রে গাঁথা”- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটিতে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সংগ্রামী মানুষের কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে- তারা-
- 'বাস্তবের বিশাল চত্বরে / হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায়'- কী হয়?
- আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে'- পঙ্ক্তিটি আমাদের জাতীয় জীব??ের কোন ঘটনার স্মারক?
- কলেজ প্রাঙ্গণে বর্ষবরণের প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু শিমুল এ আনন্দ আয়োজনের অংশী হতে পারছে না। বাল্যবন্ধু পলাশের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোকে আচ্ছন্ন তার মন।' গত বছরের মঙ্গল শোভাযাত্রা, রমনা বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে বন্ধুর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো বারবার তার মানসপটে ভেসে উঠছে। প্রিয় বন্ধুর বিয়োগ ব্যথা এভাবেই তাকে বর্তমান আনন্দ থেকেও বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে।উদ্দীপকের শিমুলের অনুভূতি তোমার পঠিত কবিতার কোন চরিত্রের অনুভূতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে সেদিন বর্ণমালা সেই থেকে শুরু দিন বদলের পালা।উদ্দীপকে 'দিন বদলের পালা' 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে বিষয়কে নির্দেশ করেছে-
- ঘাতকের থাবার সম্মুখে বুক পাতে কে?
- সিলেটের একটি চা-বাগানের শ্রমিকরা নানাভাবে বঞ্চিতহলেও প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। একদিন ঘূর্ণিঝড়ওঠার আশঙ্কা জেনেও মালিক তাদের কাজ করতে বাধ্যকরে। ঝড়ের সাথে সংগ্রাম করে শ্রমিকরা প্রাণে বেঁচেযায়। এরপর তারা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। ঝড়ের কাছথেকে তারা প্রতিবাদের ভাষা শেখে।উদ্দীপকের ‘ঝড়’ 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যেঘটনার ইঙ্গিত করে, নিচের কোনটি সেই ঘটনারসাথে সম্পর্কিত?
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের!শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পরেছি ফাঁসআপস করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।উদ্দীপকের ইতিহাস প্রসঙ্গ এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ঐতিহ্য চেতনার সাদৃশ্য নির্ণয় করো।