“আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি" রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
A. গীতবিতান
B. গীতিমালা
C. গীতাঞ্জলি
D. তথ্য ও কাহিনী
সঠিক উত্তরঃ
A.
গীতবিতান
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি' কাব্যটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯১২ সালে 'গীতাঞ্জলি' ইংরেজি অনুবাদ Song offerings নামে প্রকাশিত হয়। Song offerings গ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন.
Related Questions (Any University/Year)
- 'ধান কাটা হলো সারা' চরণটির মাধ্যমে কোন ভাবপ্রকাশ পেয়েছে?
- জামিল' সাহেব তার সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে নিজগ্রামে দাতব্য। চিকিৎসালয়সহ নানা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। প্রায় দুই 'যুগ আগে তিনি মারা গেলেও মানুষ তাঁর কৃতকর্মের দ্বারা আজ উপকৃত হচ্ছে। উদ্দীপকের জামিল সাহেবের কীর্তি 'সোনার তরী' কবিতার কীসের প্রতীক
- 'থরে বিথরে' অর্থ কী?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাজী নজরুল ইসলামকে কোন গ্রন্থটি উৎসর্গ করেন?
- 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধান আসলে কী?
- 'সোনার ধান' কীসের প্রতীক?
- 'একখানি ছোট খেত , আমি একেলা' - এর পরের লাইন ঃ
- ফসল উৎপাদনকারী কৃষক বলতে কবি কাকে কল্পনা করেছেন?
- 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর কোন জাতীয় গ্রন্থ?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বনফুল' প্রকাশিত হয় কত সালে?
- "চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা"- চরণটির তাৎপর্য কী?
- 'সোনার তরী' কবিতায় ঠাই নাই, ঠাঁই নাই'— কথাটিতেমাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে?
- “সোনার তরী” কবিতায় 'আমি' প্রতীকী অর্থে-
- রূপক কবিতা হিসেবে 'সোনার তরী' কতটা সার্থক? ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।উদ্দীপকের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- সোনার তরী’ কবিতায় কী নিরুপায়?
- "খেয়া" রবীন্দ্রনাথের একটি-
- কবি 'সোনার ধান'- প্রতীকে মানুষের সৃষ্টকর্মকে নির্দেশ করেছেন কারণ-
- 'আর আছে- আর নাই, গিয়াছি ভরে'- অন্তর্নিহিত কারণ ব্যাখ্যা করো।
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ৬৫০ খ্রি. থেকে চর্যাপদের কাল ধরেছেন। হাজার বছরের অধিক সময় পূর্বে রচিত হওয়ায় পদকর্তাদের জীবন ইতিহাস বিস্তারিত জানা সম্ভব হয় না। রচয়িতাদের পরিচিতি কালের প্রবাহে ধূসর হয়ে গেলেও তাঁদের রচনাগুলোর ভাষা ও বিষয় নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত।"উদ্দীপকের পদরচয়িতাগণ এবং 'সোনার তরী' কবিতার কৃষক যেন একই নিয়তির শিকার।"- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।