"মাসি পিসি" গল্পটির লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন গল্পগ্রন্থের সংকলিত হয়?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- আহ্লাদি কত মাসের গর্ভবতী ছিল?
- 'বন্য' কোন ধরনের শব্দ।,,
- 'মাসি-পিসি' গল্পে দুই বিধবার চরিত্রে মিল কিসে?
- কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ?
- 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পটির রচয়িতা কে?
- নিজেকে তার হ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে।'- আহ্লাদির মনে এমন অনুভূতি সৃষ্টির কারণ-
- সালতি কী কাঠের তৈরি?
- মানিক বন্দোপাধ্যায়ের পিতৃ প্রদত্ত নাম কি
- আহ্লাদিকে জণ্ডর কাছে পাঠাতে মাসি-পিসি কেন চায়নি?
- এইখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে,বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে,এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিওনা মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকের বুজির সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির অবস্থার তুলনা করো।
- ভূতপূর্ব' কোন সমাসের উদাহরণ?
- ‘মাসি-পিসি’ গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'শোনো কানাই, এ কিন্তু এর্কি নয় মোটে।'- এ কথাটি কেন বলা হয়েছে?
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।উদ্দীপকের সাফিয়া 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির সাথে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
- আমিই সেই মেয়ে।বাসে ট্রেনে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন।যার শাড়ি, কপালের টিপ, কানের দুল আর পায়ের গোড়ালিআপনি রোজ দেখেন। আরআরও অনেক কিছু দেখতে পাবার স্বপ্ন দেখেন।স্বপ্নে যাকে ইচ্ছে মতন দেখেন।"উদ্দীপকটি 'মাসি-পিসি' গল্পের আংশিক রূপায়ণ।"- উক্তিটির যথার্থতা বর্ণনা কর।
- 'দুর্ভিক্ষ'র সঠিক ব্যাসবাক্য-
- সাহস মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। ভয় মানুষকে মৃত্যুর আগেই মৃত্যুপথযাত্রী করে তোলেউদ্দীপকের মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে 'মাসি- পিসি' গল্পের কোন চরিত্রে?
- মাসি ও পিসি কেন কাছারি যেতে রাজি হয়নি?
- দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। যখন জ্ঞান ফিরে আসে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝি'র এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয় অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে পাঠাবে না তারা। বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকীর কাছে বড় হয়েছে।"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।