রহিম বেগুনগাছের শীর্ষমুকুল এনে কৃত্রিম আবাদ মাধ্যমে আবাদ করলেন। কিছুদিন পর সেখানে অসংখ্য চারা সৃষ্টি হলো। উল্লেখিত পদ্ধতিতে আরও ব্যবহৃত হতে পারে— নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তরঃ
A.
i ও ii
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
রহিমের বেগুন চারা উৎপাদন 🌱
রহিম বেগুন গাছের শীর্ষমুকুল থেকে কৃত্রিম আবাদ মাধ্যমে চারা তৈরি করেছেন। এটি একটি আধুনিক উদ্ভিদ প্রজনন কৌশল। নিচে এই বিষয়ে আরো কিছু তথ্য দেওয়া হলো:
কৃত্রিম আবাদ মাধ্যমে আর কি কি ব্যবহার করা যেতে পারে? 🤔
রহিমের ব্যবহৃত পদ্ধতির মতো, আরও কিছু উদ্ভিদ অংশ ব্যবহার করে নতুন চারা তৈরি করা সম্ভব। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- পাপড়ি 🌸: কিছু উদ্ভিদের ক্ষেত্রে পাপড়ি থেকেও নতুন চারা তৈরি করা যায়।
- পরাগরেণু 🌼: পরাগরেণু ব্যবহার করে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরি করা সম্ভব, যা পরবর্তীতে ডিপ্লয়েড করা যায়।
- ডিম্বক: ডিম্বক সরাসরি ব্যবহার করা যায় না। ভ্রূণ তৈরি করে ব্যবহার করা যায়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: i ও ii ✅
বিভিন্ন প্রকার অঙ্গজ জনন পদ্ধতি 🪴
কৃত্রিম আবাদ মাধ্যম ছাড়াও আরো বিভিন্ন উপায়ে অঙ্গজ জনন সম্ভব। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পদ্ধতি আলোচনা করা হলো:
- শাখা কলম ✂️: এটি একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি, যেখানে গাছের শাখা কেটে সরাসরি মাটিতে রোপণ করা হয়।
- চোখ কলম 👀: এক্ষেত্রে একটি গাছের কুঁড়ি অন্য গাছের সাথে জুড়ে দেওয়া হয়।
- layering: এক্ষেত্রে গাছের কোনো একটি ডাল নুয়ে মাটির নিচে চাপা দেওয়া হয় এবং তা থেকে নতুন চারা উৎপন্ন হয়।
- গুটিকলম: গাছের ডালের ছাল তুলে সেখানে মাটি ও জৈব সার মিশিয়ে পলিথিন দিয়ে মুড়ে দেওয়া হয়। কিছুদিন পর ঐ স্থান থেকে শিকড় বের হলে ডালটিকে কেটে নতুন চারা হিসেবে লাগানো হয়।
পদ্ধতিগুলোর তুলনামূলক আলোচনা 📊
| পদ্ধতির নাম | সুবিধা | অসুবিধা | ব্যবহার 🧑🌾 |
|---|---|---|---|
| শাখা কলম | সহজ ও দ্রুত | সব গাছের জন্য প্রযোজ্য নয় | সাধারণ বাগান এবং ছোট আকারের নার্সারি |
| চোখ কলম | রোগমুক্ত চারা উৎপাদন | দক্ষতা প্রয়োজন | ফল গাছ এবং গোলাপের চারা উৎপাদনে |
| layering | নতুন গাছ তৈরি করার সহজ উপায় | কিছু গাছের জন্য উপযোগী নয় | গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের বংশবিস্তারে |
| গুটিকলম | কম সময়ে ফল পাওয়া যায় | আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল | ফল গাছ উৎপাদনে |
আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে! 😊
আরও কিছু জানতে চান? 🤔
```