কল্পনার রাজকুমার তার ছোট ভাইকে নিয়ে একদিন পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় চড়ে উড়ে উড়ে মঙ্গল গ্রহে গিয়ে নামে। সেখানে অদ্ভুত আকৃতির অসংখ্য প্রাণী দেখে তারা বিমোহিত হয়। একটি বাগানে প্রবেশ করতেই নীল রঙের তিন পা বিশিষ্ট একদল প্রাণী তাদের আক্রমণ করে। আত্মরক্ষার তাগিদে রাজকুমার তার ছোট ভাইকে রেখেই পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় উঠে বসে। নিমেষেই রাজকুমার একাকী মঙ্গল গ্রহ হতে আপন রাজ্যে ফিরে আসে।
উদ্দীপকের রাজকুমারের মঙ্গল গ্রহ হতে একাকী ফিরে আসার কারণটি 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'সবচেয়ে বড় উপকার হবে মানসিকতার, তথা মনুষ্যত্বের' কে বলেছেন?
- প্রথম কিউরেটর পৃথিবীতে কিসের বিকাশ ঘটছে বলে জানালো?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে উল্লিখিত সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহের নাম কী?
- সৌরজগতের তৃতীয় গৃহ কোনটি?
- ‘মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে স্বেচ্ছাধ্বংসকারী প্রাণী কারা?
- সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহের নাম কী?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর ' গল্পে মানুষের বয়স কত বছর বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
- প্রাণীজগতে কোনটি একটু পিছিয়ে পড়া প্রাণী?
- ‘কিউরেটর’ শব্দের অর্থ কী?
- "মানুষ নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করে"- কীভাবে?
- ‘এদের কেউ শ্রমিক, কেউ সৈনিক, কেউ বুদ্ধিজীবী ।’ বাক্যটি যে রচনা থেকে উদ্ধৃত-
- নুরলর্দীনের কথা মনে পড়ে যায়'- কাব্যনাট্যাংশে জ্যোৎস্নার সাথে কী ঝরে পরে?
- রতন তার ছোট ভাইকে নিয়ে একদিন পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় চেপে উড়ে উড়ে মঙ্গলগ্রহে গিয়ে নামে। সেখানে অদ্ভুত আকৃতির অসংখ্য প্রাণী দেখে তারা বিমোহিত হয়। সেখানে একটি বাগানে প্রবেশ করতেই নীল রঙের তিন বা বিশিষ্ট একদল প্রাণী তাদের আক্রমণ করে। আত্মরক্ষার তাগিদে রতন তার ছোট ভাইকে সেখানে রেখেই পঙ্খীর???জ ঘোড়ায় উঠে বসে। নিমিষেই সে একাকী মঙ্গলগ্রহ থেকে স্বস্থানে ফিরে এসে পঙ্খীরাজ থেকে নামতে গিয়ে মাটিতে পড়ে যায় এবং ঘুম ভাঙতেই স্বপ্ন হারিয়ে যায়।'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পের পিঁপড়া আর মঙ্গল গ্রহের অদ্ভুত প্রাণীগুলো যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে পিঁপড়াকে পৃথিবীরশ্রেষ্ঠ প্রজাতি হিসেবে শনাক্ত করার কারণ কী?
- মানুষ নিজেরাই নিজেকে ধ্বংস করে"- কীভাবে?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পের প্রাণের শুরু হয়েছেকোনটি থেকে
- মহাজাগতিক কিউরেটর - গল্পে মানুষের বয়স কত বছর বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
- কল্পনার রাজকুমার তার ছোট ভাইকে নিয়ে একদিন পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় চড়ে উড়ে উড়ে মঙ্গল গ্রহে গিয়ে নামে। সেখানে অদ্ভুত আকৃতির অসংখ্য প্রাণী দেখে তারা বিমোহিত হয়। একটি বাগানে প্রবেশ করতেই নীল রঙের তিন পা বিশিষ্ট একদল প্রাণী তাদের আক্রমণ করে। আত্মরক্ষার তাগিদে রাজকুমার তার ছোট ভাইকে রেখেই পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় উঠে বসে। নিমেষেই রাজকুমার একাকী মঙ্গল গ্রহ হতে আপন রাজ্যে ফিরে আসে।'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পের পিঁপড়া আর উদ্দীপকের মঙ্গল গ্রহের অদ্ভুত প্রাণীগুলো যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ- মতামত দাও।
- রতন তার ছোট ভাইকে নিয়ে একদিন পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় চেপে উড়ে উড়ে মঙ্গলগ্রহে গিয়ে নামে। সেখানে অদ্ভুত আকৃতির অসংখ্য প্রাণী দেখে তারা বিমোহিত হয়। সেখানে একটি বাগানে প্রবেশ করতেই নীল রঙের তিন বা বিশিষ্ট একদল প্রাণী তাদের আক্রমণ করে। আত্মরক্ষার তাগিদে রতন তার ছোট ভাইকে সেখানে রেখেই পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় উঠে বসে। নিমিষেই সে একাকী মঙ্গলগ্রহ থেকে স্বস্থানে ফিরে এসে পঙ্খীরাজ থেকে নামতে গিয়ে মাটিতে পড়ে যায় এবং ঘুম ভাঙতেই স্বপ্ন হারিয়ে যায়।রতন একাকী মঙ্গল গ্রহ থেকে স্বস্থানে ফিরে আসার কারণটি 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- ‘মহাজাগতিক কিউরেটর' রচনায় উল্লিখিত পাখির কোন বিষয় সম্পর্কে ভিন্নগ্রহীরা নিশ্চিত নয়?