সম্প্রতি আবিষ্কৃত বাংলাদেশের ২৮ তম গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত ?
NursingDiplomaসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশবাংলাদেশের সম্পদগ্যাসক্ষেত্র (২৮ তম) (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
জকিগঞ্জ
Explanation:

Another Explanation (5):
বাংলাদেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র: জকিগঞ্জ 🔎
recientemente descubierto el 28º yacimiento de gas de Bangladesh.
অবস্থান 📍
২৮তম গ্যাসক্ষেত্রটি সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
আবিষ্কারের প্রেক্ষাপট 📅
- আবিষ্কারের তারিখ: ২০২৩ সালের নভেম্বর মাস
- খননকারী সংস্থা: বাপেক্স
- অনুসন্ধান কূপের নাম: জকিগঞ্জ-১
গ্যাসের সম্ভাব্য পরিমাণ ⛽
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এখানে ৬৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গুরুত্ব ✨
- এটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
- সিলেট অঞ্চলের গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে সহায়ক হবে।
- নতুন শিল্প কারখানা স্থাপনে সহায়ক হবে।
জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: সংক্ষিপ্ত তথ্য 📊
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| ক্ষেত্র | জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র |
| অবস্থান | জকিগঞ্জ, সিলেট 🏞️ |
| আবিষ্কারক | বাপেক্স 🧑💼 |
| গ্যাসের পরিমাণ (সম্ভাব্য) | ৬৮ বিলিয়ন ঘনফুট 🔢 |
ভূ-তাত্ত্বিক গঠন 🌍
জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি মূলত টিলা এবং সমতল ভূমির সমন্বয়ে গঠিত। এই অঞ্চলের ভূ-গর্ভস্থ শিলাস্তরের গঠন গ্যাস সঞ্চয়ের জন্য অনুকূল।
অর্থনৈতিক প্রভাব 💸
- জ্বালানি আমদানি হ্রাস পাবে।
- স্থানীয় অর্থনীতির উন্নতি হবে।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। 🧑🏭
নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ফলে সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে আশা করা যায়। 👍
তথ্যসূত্র: বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সরকারি সূত্র।