কিয়োটো প্রটোকল কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
DUUnit-Dসাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকসমসাময়িক সমস্যাকিয়োটো প্রটোকল (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
পরিবেশ
Explanation:

Another Explanation (5):
কিয়োটো প্রটোকল: একটি পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি 🌍
কিয়োটো প্রটোকল একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি। এটি মূলত বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমাতে বিভিন্ন দেশগুলোকে বাধ্যবাধকতা দেয়। ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে এই প্রটোকলটি গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সাল থেকে এটি কার্যকর হয়।
প্রটোকলের মূল উদ্দেশ্যসমূহ:
- গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানো ⬇️
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি (Global warming) হ্রাস করা 🔥➡️❄️
- জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে বিশ্বকে রক্ষা করা 🛡️
- বিভিন্ন দেশে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ 🎯
গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসসমূহ যাদের নির্গমন কমানোর কথা বলা হয়েছে:
- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) 💨
- মিথেন (CH4) 🐄
- নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) 🚜
- সালফার হেক্সাফ্লোরাইড (SF6) 🏭
অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ:
প্রায় ১৯২টি দেশ এই প্রটোকলে স্বাক্ষর করেছে। তবে, কিছু দেশ পরবর্তীতে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
কিয়োটো প্রটোকলের সময়কাল:
প্রথম কমিটমেন্ট পিরিয়ড ছিল ২০০৮-২০১২ সাল পর্যন্ত। এরপর দোহা অ্যামেন্ডমেন্টের মাধ্যমে এর মেয়াদ ২০২০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
প্রটোকলের ফলাফল:
এই প্রটোকলের কারণে অনেক দেশ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে পেরেছে। 🥳 তবে, সমালোচকদের মতে, এর প্রভাব যথেষ্ট নয়। 🤔
সংক্ষেপে কিছু তথ্য:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| স্বাক্ষরের তারিখ | ১১ ডিসেম্বর ১৯৯৭ 🗓️ |
| কার্যকর হওয়ার তারিখ | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ 🗓️ |
| লক্ষ্য | গ্রিনহাউস গ্যাস কমানো 🎯 |
আরও কিছু তথ্য:
- এটি UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)-এর সাথে সম্পর্কিত। 🤝
- এই প্রটোকল উন্নত দেশগুলোর জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য ছিল। 🌍
আশা করি, কিয়োটো প্রটোকল সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 👍