মাত্র সতেরো জন সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খলজি সুদূর তুরস্ক থেকে এসে বাংলার সিংহাসন দখল করে নিয়েছিল। সামান্য কয়জন ছদ্মবেশী বণিক যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের 'অসামান্য সাহস, শৃঙ্খলা ও চাতুর্য দিয়ে। পক্ষান্তরে লক্ষ্মণ সেনের রাজপ্রাসাদ ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় পরিপূর্ণ ও অরক্ষিত। তার বিশাল বাহিনী যুদ্ধ না করে পালিয়ে গেল। লক্ষ্মণ-সেনও রাজ্য ত্যাগ করতে বাধ্য হলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের তিক্ত অভিজ্ঞতা।
"মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিজ্ঞতা।"- এই উক্তি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য"- কথাটির তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- রতন ও রমন দুই বন্ধু বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা এই মর্মে প্রতিজ্ঞা করে যে, কোনো বিপদ এলে কেউ কাউকে ছেড়ে পালাবে না। কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর তারা দেখতে পায়, একটি ভালুক তাদের দিকে এগিয়ে আসছে। দুজনই ভীত হয়। রতন হঠাৎ লাফ দিয়ে গাছের উপরে ওঠে। রমন গাছে চড়তে জানে না। তাই মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ে। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে মাটিতে শুয়ে থাকা রমনের দেহটিকে নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে যায়। রতন গাছ থেকে নেমে রমনের কাছে গিয়ে ভালুক তার কানে কানে কী বলে গেল তা জানতে চায়। রমন গম্ভীর স্বরে উত্তর দিলো: ভালুকটি বলেছে "বিপদের সময় যারা প্রতিজ্ঞার কথা ভুলে যায়, অসহায় বন্ধুকে ত্যাগ করে, তারা কখনো ভালো মানুষ হয় না।" রতন লজ্জিত হয়। বিনম্র স্বরে বলে, " বন্ধু, বন্ধুত্ব নয়, বুদ্ধি দিয়ে তুমি জিতেছ।"উদ্দীপকের রমনের পরিণতি এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজের পরিণতি সম্পূর্ণ ভিন্ন"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- আওয়ালপুরের পীরের প্রধান মুরিদ কে?
- 'আমি দওলতের পূজারি।'- উক্তিটি কার?
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতীয় স্বার্থের বদলে নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অনেকেই পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা দেয়। এদের স্বাধীনতাকামী মানুষ ঘৃণা করে। এরা গাদ্দার বলে বিবেচিত হয়।উদ্দীপকের 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে-বিশ্বাসঘাতকতাদেশদ্রোহিতাঅপমানবিকতানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘কবর’ নাটক কার রচনা?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলীনগরের দেওয়াননিযুক্ত করেন ?
- সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে কালী দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ায় শোকার্ত অপর্ণা রাজার কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারিণীর দুঃখ রাজাকে মর্মাহত করে। তিনি রাজ্যে পশুবলি বন্ধ করে দেন। কিন্তু রাজার এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজপুরোহিত রঘুপতি। পৌরহিত্যের দাম্ভিকতা নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তিনি। রাজার অনুজ নক্ষত্ররায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান। রাজা হবার স্বপ্নে বিভোর নক্ষত্ররায়ও রক্তসম্পর্ক ভ্রাতৃপ্রেম ভুলে গিয়ে রাজাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে।"উদ্দীপকের নক্ষত্ররায়ের মতো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমও ক্ষমতালোভী।"- বিশ্লেষণ কর।
- "ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।"- কে, কেন বলেছে?
- স্বাধীনতার যুদ্ধে গ্রামের এক বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলআহত কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা। টাকার লোভে বাড়ির মালিকতাদের পাকসেনাদের হাতে তুলে দেয়। সেই থেকে সেবজলু রাজাকার নামে সকলের ঘৃণার পাত্র হয়ে আছে।বজলু রাজাকার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়?
- 'বিসর্জন' নাটকে সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ার কারণে শোকার্ত ভিখারি অপর্ণা। সে রাজা গোবিন্দ মাণিক্যের কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারির দুঃখ রাজচিত্তকে আহত করে। রাজা রাজ্যে পশুবলি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন কিন্তু তাঁর এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজ-পুরোহিত রঘুপতি। তিনি রাজার অনুজ নক্ষত্র রায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান।"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিষয়বস্তুর আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- তোমার মতামত দাও।
- "ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবীকে রেখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত, এ বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।"উদ্দীপকের ১ম দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটির সাথে।সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- মীর মর্দান ছিলেন -
- "ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।" ব্যাখ্যা করো।
- নবাব আলীবর্দি খাঁর প্রিয়পাত্র কে ছিলেন?
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ও দেশের কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ পাকহানাদার বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে দেশের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তাদের একজন সোবহান মুন্সী। মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার সাক্ষী দবির বলেন, এই সোবহান মুন্সীই পাকহানাদার বাহিনীকে তাদের গ্রামে আনে এবং সে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে।উদ্দীপকের সোবহান মুন্সী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?- ব্যাখ্যা কর।
- 'বিসর্জন' নাটকে সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ার কারণে শোকার্ত ভিখারি অপর্ণা। সে রাজা গোবিন্দ মাণিক্যের কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারির দুঃখ রাজচিত্তকে আহত করে। রাজা রাজ্যে পশুবলি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন কিন্তু তাঁর এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজ-পুরোহিত রঘুপতি। তিনি রাজার অনুজ নক্ষত্র রায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান।উদ্দীপকের নক্ষত্র রায়ের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমের সাদৃশ্য দেখাও।
- মনসুর, অপু, তাহেরসহ মোট বারোজন মিলে নিজেদেরউন্নতির জন্য একটি সমিতি গঠনে করে। সবাই প্রতি মাসেপাঁচশ টাকা করে তাহেরের কাছে জমা রাখে। কিছুদিন পরতাহের সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। উদ্দীপকের তাহের ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের প্রতিনিধি?
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
- 'He is a dead horse.' - কার সম্পর্কে উক্তিটি করা হয়েছে?
- দশ গ্রামের মাতব্বর আশরাদ চৌধুরী নিঃসন্তান না হলেও কোনো পুত্রসন্তান নেই। বিত্তশালী চৌধুরী সাহেব তাই সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী করেন ভাইপো সজলকে। এতে ক্ষিপ্ত হয় তার অন্যান্য ওয়ারিশরা। চৌধুরী সাহেব সকলকে বোঝাতে পারলেও জামাতা আসমত সাহেবকে কোনোভাবে বোঝাতে পারেনি। তিনি শ্বশুরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।উদ্দীপকের আসমত সাহেব 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।