কালাজ্বর পরজীবীর জীবনচক্রে পর্যায় আছে-
NITORজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)NITOR - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
দুইটি
Another Explanation (5): কালাজ্বর (Leishmaniasis) পরজীবীর জীবনচক্রে মোট দুটি মূল পর্যায় রয়েছে। এই পর্যায়গুলো হলো:
- পরজীবীর পর্ব (Amastigote পর্ব): এই পর্যায়ে, পরজীবী মানব দেহের ভিতরে থাকেঃ বিশেষ করে রক্তকণিকা ও ফ্যাট টিস্যুতে। এই অবস্থায় পরজীবী মানব দেহের অভ্যন্তরে জীবনচক্র চালিয়ে যায়।
- পরজীবীর পর্ব (Promastigote পর্ব): এই পর্যায়ে, পরজীবী শামুকের (প্রায়ই লিউস) দেহে থাকে। এখানে এটি পরিণত হয় এবং শামুকের মধ্যে বৃদ্ধি ও বিস্তার লাভ করে। এরপর যখন শামুকের দেহ থেকে মানুষের দেহে প্রবেশ করে, তখন আবার Amastigote পর্ব শুরু হয়।
Option A Explanation:
- প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া: নারীর ডিম্বাশয়ে প্রতিটি মাসে একটি ডিম্বাণু তৈরি হয়।
- অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া: এই ডিম্বাণুটি ডিম্বাশয় থেকে মুক্তি পায় এবং জরায়ু ফাঁক দিয়ে চলাচল করে।
- উৎপত্তির সংখ্যা: সাধারণত, প্রতিটি মাসে একটিই ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়।
- প্রজনন পর্যায়: এই একটিই ডিম্বাণু পরবর্তী ধাপে গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত হয়।
Option B Explanation:
তিনটি
- মানুষের স্ত্রী জনন মাতৃকোষ (অভ্যন্তরীণ অণ্ডকোষ বা ওভারি) থেকে সাধারণত তিনটি ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়।
- প্রতিটি ডিম্বাণু আলাদাভাবে বিকাশ লাভ করে এবং শরীরের বাইর হতে ডিম্বাশয় থেকে মুক্তি পায়।
- এই প্রক্রিয়ার ফলে তিনটি ডিম্বাণু সাধারণত একসঙ্গে উৎপন্ন হয়, যা গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত থাকে।
Option C Explanation:
- মানবদেহে একজন স্ত্রী জনন মাতৃকোষ থেকে সাধারণত দুটি ডিম্বাণু তৈরি হয়।
- প্রথম ডিম্বাণুটি সাধারণত দ্রুত বিকাশ লাভ করে এবং ঋতুস্রাবের সময় বের হয়ে যায়।
- দ্বিতীয় ডিম্বাণু সাধারণত পরবর্তী সময়ে বিকাশ লাভ করে, যদি প্রথম ডিম্বাণুর গর্ভধারণ না হয়।
- এই প্রক্রিয়ার ফলে একজন মহিলার ঋতুস্রাব চক্রের মধ্যে দুটি ডিম্বাণু মুক্ত হয়।
Option D Explanation:
- প্রশ্নের উত্তরে চারটি পুংকেশর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।
- ক্রুসিফেরি গোত্রে সাধারণত চারটি পুংকেশর দেখা যায়।
- এগুলো হচ্ছে মূল পুংকেশর এবং তার তিনটি উপ-পুংকেশর।
- প্রতিটি পুংকেশর বিভিন্ন দেহের অংশে অবস্থান করে।
- এই সংখ্যাটি বিভিন্ন শারীরিক বৈশিষ্ট্য বা অঙ্গের উপর নির্ভর করে।