আমার পূর্ব বাংলা এক গুচ্ছ স্নিগ্ধ
অন্ধকারের তমাল
অনেক পাতার ঘনিষ্ঠতায়
একটি প্রগাঢ় নিকুঞ্জ
সন্ধ্যার উন্মেষের মতো
সরোবরের অতলের মতো
কালো-কেশ মেঘের সঞ্চয়ের মতো
বিমুগ্ধ বেদনার শান্তি।
"উদ্দীপক ও 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে'- উভয় কবিতায় দেশপ্রেমই প্রবল হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনার অন্তরালে।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "গাহি সাম্যের গান-মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়াননাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্ম জাতি,সব দেশে, সব কালে, ঘরে ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।""সাম্যবাদী' কবিতার মূলভাবের সাথে উদ্দীপকে প্রকাশিত ভাব হৃদয়ে লালন করে আমরা সুখী- সমৃদ্ধ সম্প্রীতির সমাজ গড়তে পারব।"- তোমার মতামত তুলে ধরো।
- বিদ্যাপতি কোথাকার কবি ছিলেন?
- ’যতো বড় ক্ষতি ততো বড় লাব- এই তো নিয়ম’ - এ কার সংলাপ?
- ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে?
- হৈমন্তীর ষোল বছর বয়সটি ছিল -
- ’দেখিয়া সফেদ দেয়ালের শান্ত ফটোগ্রাফটিকে বললাম জিজ্ঞাসু অতিথিকে' - চরণদ্বয়ে বিশ্লেষণ রয়েছে
- 'আবেস্তা' কী?
- কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই। এখানে প্রবচনটি রয়েছে যে রচনায়
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।উদ্দীপকের ডাক্তার মনিরুলের চেতনার সাথে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- ‘শাক্যমুনির' পরিচয় কী?
- ফরিদপুর জেলার ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে নকশিকাঁথা। কাঁথা সেলাই করে অনেকেই সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। নারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্ব-উদ্যোগে নকশিকাঁথার দোকান পরিচালনা করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে আজ চোখে পড়ে অসংখ্য হস্তশিল্পের দোকান। দোকানের পণ্যগুলো দেশের বাজার ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে। তাই এখন এ জেলার স্লোগান হচ্ছে। "ফরিদপুরের নকশিকাঁথা, বাংলাদেশের গর্বগাথা"।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের বিষয়বস্তুর বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা ?
- কমলাকান্ত কোন পরিচয়ে আদালতে এসেছেন ?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে’ কবিতায় কবি অরুণকে তুলনা করেছেন-
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' রচনায় স্বেচ্ছা ধ্বংসকারীপ্রাণী বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
- 'লোক-লোকান্তর' কবিতার মূলভাব কী?
- 'সুবচন নির্বাসনে' নাটকটির রচয়িতা কে?
- কবি আল মাহমুদের জন্মস্থান কোথায়?
- চন্ডিগড় শহরের উপকণ্ঠে বাড়ি ভাড়া নেয় সুরেশ ও কল্যাণী ব্যানার্জী। তাদের এক সন্তান শান্ত। স্বামী-স্ত্রী চাকুরিজীবী হওয়ায় শান্তাকে দেখাশোনার জন্য গ্রাম থেকে আনা হয় আট বছর বয়সী দরিদ্র অনিতাকে। সারাদিনের খাটুনিতে অনিতার শ্রান্ত শরীরে ঘুম চলে আসে সন্ধ্যারাতে। কল্যাণীর ধারণা অনিতার খাবারের পরিমাণ আরও কমালে ওর ঘুম আসবে না। তাই অনিতার খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেয় কল্যাণী। কম খেতে খেতে অনিতা শীর্ণকায় হয়ে পড়ে। শান্তর উচ্ছিষ্ট সে চুরি করে খায়। এটা জানতে পেরে কল্যাণী অনিতার উপর নির্যাতন চালায়, তওবা করায় এবং উপদেশ দেয় যে চুরি করে খাওয়া পাপ। ফ্রিজে ভর্তি করা খাবার, শান্ত খাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ায় আর অনিতা শান্তর উচ্ছিষ্টের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'বিড়াল' প্রবন্ধের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- কোনটি মুনীর চৌধুরীর রচনা?