কোনটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ-
সঠিক উত্তরঃ
D.
ধনুষ্টংকার
Another Explanation (5): ধনুষ্টংকার হল একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা Clostridium tetani নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত মৃত বা ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুতে জীবিত থাকে এবং টেটানাস টক্সিন উৎপন্ন করে। এই টক্সিন শরীরে প্রবেশ করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব ফেলে, যার ফলে পেশীর স্পাজম ও কাঁপুনি দেখা দেয়।
অতএব, ধনুষ্টংকার একটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।
Option A Explanation:
- প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
- কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
- প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
- প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
- চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
হেপাটাইটিস
- একটি লিভার সংক্রমণ রোগ, যা হেপাটাইটিস ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে।
- প্রধানত তিনটি ধরনের হেপাটাইটিস ভাইরাস পাওয়া যায়: হেপাটাইটিস A, B, ও C।
- এর লক্ষণসমূহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত: ক্লান্তি, বমি, বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা, অরঞ্জিত চোখ ও ত্বক, এবং গা darkening।
- প্রতিরোধের জন্য টিকাদান ও সংক্রমণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এড়ানো জরুরি।
- চিকিৎসার মাধ্যমে রোগের প্রতিকার সম্ভব, বিশেষ করে ভাইরাসের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত ওষুধ ও যত্ন নেওয়া।
Option C Explanation:
- প্রজনন পদ্ধতি: ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু, Plasmodium, মূলত ছত্রাকের মতো পরজীবী, যা মশার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
- অন্তঃকোষীয় জীবাণু: এটি অন্তঃকোষীয় পরজীবী, অর্থাৎ এটি উষ্ণ, আর্দ্র পরিবেশে কোষের ভিতরে বাস করে।
- অভিশাপের মাধ্যমে ছড়ানো: ম্যালেরিয়া মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মধ্যে থাকা পরজীবু নিয়ে অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত করে।
- প্রকৃতি: এটি এক ধরনের পরজীবী জীবাণু, যা মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা আক্রমণ করে, ফলে জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়।
- সংক্রমণের লক্ষণ: জ্বর, ঠান্ডা লাগা, মাথাব্যাথা, শরীরের দুর্বলতা ইত্যাদি প্রধান লক্ষণ।
Option D Explanation:
- নাম: ধনুষ্টংকার (Tetanus)
- কারক: ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে Clostridium tetani
- প্রবাহ: মাটিতে থাকা ব্যাকটেরিয়ার স্পোরা ক্ষতস্থানে প্রবেশ করলে সংক্রমণ হয়।
- লক্ষণসমূহ:
- তীব্র পেশী সংকোচন ও ঝাঁকুনি
- শ্বাসকষ্টের সমস্যা
- দাঁতের শক্ত হওয়া
- বুকের পেশী টান বা কঠিন হয়ে যাওয়া
- প্রতিরোধ: টিটেনাস টিকা (টিটেনাস টিকা) দ্বারা প্রতিরোধ সম্ভব।
- চিকিৎসা: অ্যান্টি-টিটেনাস ইমিউনোগ্লোবুলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ওয়েলডিং বা ক্ষত পরিষ্কার।