নিচের কোন অণুজীব পাটের আঁশ ছাড়াতে সাহায্য করে?
RUUnit-FSet-3জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবব্যাক্টেরিয়ার অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Clostridium
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
পাটের আঁশ ছাড়ানোয় ক্লস্ট্রিডিয়ামের ভূমিকা
পাট থেকে আঁশ ছাড়ানোর প্রক্রিয়ায় Clostridium🦠 নামক অণুজীবের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এটি একটি অবাতজীবী (anaerobic) ব্যাকটেরিয়া। নিচে এর কার্যাবলী আলোচনা করা হলো:
ক্লস্ট্রিডিয়ামের কার্যাবলী:
- পেকটিনase নিঃসরণ: ক্লস্ট্রিডিয়াম পেকটিনেজ নামক এনজাইম নিঃসরণ করে।
- পেকটিনের বিয়োজন: এই এনজাইম পাটের আঁশের মধ্যে থাকা পেকটিন নামক আঠালো পদার্থকে ভেঙে দেয়।
- আঁশ পৃথকীকরণ: পেকটিন ভেঙে যাওয়ায় আঁশগুলো সহজেই আলাদা হয়ে যায়।🌱
পেকটিনেজ এনজাইমের কার্যকারিতা:
পেকটিনেজ এনজাইম কিভাবে কাজ করে তা নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে দেখানো হলো:
| কার্যকারিতা | ফলাফল |
|---|---|
| পেকটিনের আদ্রবিশ্লেষণ 💧 | পেকটিনের রাসায়নিক বন্ধন দুর্বল হয়ে যায়। |
| কোষ প্রাচীর বিয়োজন 🧱➡️ 🗑️ | পাট গাছের কোষ প্রাচীর দুর্বল হয়ে যায়। |
| আঁশ ছাড়ানো fibres release | সহজে আঁশ ছাড়ানো যায়।🌾 |
ক্লস্ট্রিডিয়াম ব্যবহারের সুবিধা:
- পরিবেশ-বান্ধব 🌱🌎: রাসায়নিক পদ্ধতি ব্যবহারের চেয়ে এটি পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর।
- কম খরচ 💰: তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী।
- আঁশের গুণগত মান ভালো fibres quality 👍: আঁশের গুণগত মান বজায় থাকে।
সতর্কতা ⚠️:
ক্লস্ট্রিডিয়াম ব্যবহারের সময় কিছু বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত:
- সঠিক ঘনত্বে ব্যবহার 🧪: ব্যাকটেরিয়ার ঘনত্ব সঠিক না হলে আশানুরূপ ফল নাও পাওয়া যেতে পারে।
- নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা 🌡️: তাপমাত্রা অনুকূল না থাকলে ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
- পর্যাপ্ত সময় ⏳: আঁশ ছাড়ানোর জন্য যথেষ্ট সময় দিতে হবে।
উপসংহার:
পাট থেকে আঁশ ছাড়ানোর জন্য ক্লস্ট্রিডিয়াম একটি অত্যন্ত উপযোগী অণুজীব। সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এটি পরিবেশ-বান্ধব এবং সাশ্রয়ী একটি পদ্ধতি।🥳
আরও জানতে ভিজিট করুন : উইকিপিডিয়া
ধন্যবাদ 🙏
```Option A Explanation:
- Clostridium: এটি একটি ধনাত্মক অ্যানারোবিক ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে, যেমন টেটানাস এবং কোলাইটিস।
- অতীতে কিছু ক্লোস্ট্রিডিয়াম প্রজাতি ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়াশেজ বা অন্যান্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে দই তৈরিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
- প্রাকৃতিক অবস্থানে কিছু ক্লোস্ট্রিডিয়াম প্রজাতি অক্সিজেনের অভাবে বিভিন্ন দ্রব্যের মধ্যে উপস্থিত থাকতে পারে।
Option B Explanation:
- Azotobacter হলো একটি গ্রাম-নেগেটিভ, অ-অ্যানারোবিক ব্যাক্টেরিয়া।
- এটি মূলত মাটিতে পাওয়া যায় এবং প্রাকৃতিকভাবে নাইট্রোজেন ফিক্সেশন করে, যা উদ্ভিদ বৃদ্ধিতে সহায়ক।
- অক্সিজেনের উপস্থিতিতে এটি সক্রিয়ভাবে নাইট্রোজেন গ্যাসকে অ্যামোনিয়াতে রূপান্তর করে, যা পুষ্টি হিসেবে উদ্ভিদ গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণত কৃষিক্ষেত্রে প্রাকৃতিক সার হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং পরিবেশের জন্য উপকারী।
Option C Explanation:
- Rhizobium: Rhizobium হলো একটি প্রজাতির অণুজীব যা মূলত উদ্ভিদের গোড়ায় বাস করে। এটি নাইট্রোজেন-ফিক্সেশন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, অর্থাৎ বাতাসের নাইট্রোজেনকে ফার্মে ব্যবহারের যোগ্য অণুতে রূপান্তর করে।
- এই অণুজীবটি মূলত ফসলে নাইট্রোজেন যোগানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- জীব প্রযুক্তিতে, Rhizobium ব্যবহৃত হয় কৃত্রিমভাবে নাইট্রোজেন যোগানোর জন্য, যা ফসলে উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
- তবে, এটি সরাসরি ইনসুলিন প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয় না।
Option D Explanation:
- Agrobacterium হলো একটি জৈবঅণুজীব যা মূলতঃ উদ্ভিদ জৈবপ্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া, যা সাধারণতঃ উদ্ভিদের টিস্যুতে আক্রমণ করে এবং টার্মিনাল টেপ তৈরি করে।
- এটি ডিএনএ ট্রান্সফার করার ক্ষমতা রাখে, যা জৈবপ্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ভিদের জেনেটিক পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- প্রযুক্তিগত দিক থেকে, Agrobacterium এর মাধ্যমে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিভিন্ন জৈবপ্রযুক্তি প্রকল্পে নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়।
- উদ্ভিদ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এর ব্যবহার উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য উন্নয়ন এবং ফসলের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।