নিচের কোন উদ্ভিতকে মূল, কান্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়?
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটাPteris - গঠন, জীবনচক্র ও জনুঃক্রম (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
ফার্ন
Explanation:

Another Explanation (5):
ফার্ন উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভাজন: একটি বিশদ ব্যাখ্যা 🌿
ফার্ন একটি অপুষ্পক উদ্ভিদ। এদের মূল, কাণ্ড ও পাতা - এই তিনটি অংশে স্পষ??টভাবে বিভক্ত করা যায়। নিচে প্রতিটি অংশের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:
১. মূল (Root) 🪴
- কাজ: মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করা এবং উদ্ভিদকে মাটির সাথে আটকে রাখা।
- গঠন: ফার্নের মূল সাধারণত গুচ্ছমূল হয়। এগুলো মাটির গভীরে প্রবেশ করে না।
- বৈশিষ্ট্য:
- সরু এবং শাখা-প্রশাখা যুক্ত।
- মূলরোম (root hair) থাকে যা শোষণ ক্ষমতা বাড়ায়।
- কিছু ফার্নের মূল রাইজোমের (rhizome) মতো কাজ করে, যা খাদ্য সঞ্চয় করে।
- উদাহরণ: স্বর্ণফার্ন 🥇, ঢেঁকিফার্ন
২. কাণ্ড (Stem) 🪵
- কাজ: মূল থেকে পাতা ও অন্যান্য অংশে পানি ও খাদ্য পরিবহন করা এবং পাতাকে ধরে রাখা।
- গঠন: ফার্নের কাণ্ড সাধারণত রাইজোম নামে পরিচিত। এটি মাটির নিচে সমান্তরালভাবে বৃদ্ধি পায়। কিছু ফার্নের কাণ্ড খাড়াভাবেও বাড়তে পারে।
- বৈশিষ্ট্য:
- রাইজোম সাধারণত বাদামী বর্ণের হয় এবং আঁশ দ্বারা ঢাকা থাকে।
- কাণ্ডে পর্ব (node) ও পর্বমধ্য (internode) দেখা যায়।
- নতুন পাতা ও মূল রাইজোম থেকেই উৎপন্ন হয়।
- প্রকারভেদ:
- রাইজোম: মাটির নিচে অবস্থিত, যেমন - Polypodium।
- খাড়া কাণ্ড: উপরের দিকে বৃদ্ধি পায়, যেমন - Cyathea (tree fern)।
৩. পাতা (Leaf) 🍃
- কাজ: সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করা।
- গঠন: ফার্নের পাতাকে ফ্রন্ড (frond) বলা হয়। ফ্রন্ডগুলো ছোট ছোট অংশে বিভক্ত থাকে, যাদের পিনা (pinna) বলে।
- বৈশিষ্ট্য:
- ফ্রন্ডের কিনারা মসৃণ বা খাঁজকাটা হতে পারে।
- ফ্রন্ডের নিচের দিকে স্পোরেনজিয়া (sporangia) থাকে, যেখানে স্পোর (বীজ) উৎপন্ন হয়।
- কচি পাতাগুলো সাধারণত কুন্ডলী আকারে থাকে, যাকে ক্রোজার (crozier) বলে।
- প্রকারভেদ:
- সরল পাতা
- যৌগিক পাতা
ফার্নের মূল, কাণ্ড ও পাতার তুলনামূলক তালিকা 📊
| অংশ | প্রধান কাজ | বৈশিষ্ট্য | উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| মূল | পানি ও খনিজ লবণ শোষণ | গুচ্ছমূল, মূলরোম যুক্ত | স্বর্ণফার্ন, ঢেঁকিফার্ন |
| কাণ্ড | পরিবহন ও ধারণ | রাইজোম, পর্ব ও পর্বমধ্য যুক্ত | Polypodium, Cyathea |
| পাতা | খাদ্য তৈরি | ফ্রন্ড, পিনা, স্পোরেনজিয়া যুক্ত | সব ধরনের ফার্ন |
এ থেকে স্পষ্ট যে ফার্ন উদ্ভিদ মূল, কাণ্ড ও পাতায় স্পষ্টভাবে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশের নিজস্ব বিশেষ কাজ ও গঠন রয়েছে। 🧐
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি একাডেমিক মানসম্পন্ন হয়েছে। 👍
Option A Explanation:
ছত্রাকের বিস্তারিত
- প্রকার: প্রোক্যারিওটিক কোষ
- বৈশিষ্ট্য:
- প্রোক্যারিওটিক কোষের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর নিউক্লিয়াসের অভাব।
- এগুলি সাধারণত ছোট আকারের হয় এবং নিউক্লিয়াসের মধ্যে ডি.এন.এ. ধারণ করে না।
- অন্য নাম: ছত্রাকের জন্য সাধারণভাবে "ফাঙ্গি" ও বলা হয়।
- উদাহরণ: ছত্রাকের বিভিন্ন প্রকার যেমন মুশরুম, শৈবাল, ছত্রাকের বিভিন্ন প্রজাতি।
- অন্য বৈশিষ্ট্য:
- এগুলো সাধারণত মৃত্তিকা, উদ্ভিদ ও প্রাণীর উপর বাস করে।
- শারীরিক গঠন সাধারণত ডাঁটা, শিকড়, বা শাখা-প্রকারের হয় না।
Option B Explanation:
শৈবাল
- শৈবাল হল এক ধরণের প্রোক্যারিওটিক অণুজীব, যা সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়।
- এটি প্রাথমিকভাবে ফটোসিন্থেসিস করে থাকে এবং সার্জন বা অন্য কোনও জৈবিক সংগঠনের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।
- শৈবাল বিভিন্ন আকারে পাওয়া যায়, যেমন একক কোষী (একক কোষ) থেকে বৃহৎ জালিকা আকারে।
- এটি ব্যাকটেরিয়া থেকে আলাদা যে, এর কোষের নিউক্লিয়াস (নিউক্লিয়াস) নেই, তবে এর কোষের মধ্যে জৈব রাসায়নিকের সংরক্ষণ হয়।
- প্রাকৃতিক পরিবেশে শৈবালের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, যেমন পানির অক্সিজেনের জন্য প্রাথমিক উত্স।
Option C Explanation:
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- প্রাকৃতিক জীবজন্তু নয়: ভাইরাস জীবন্ত বা অজীবন্ত, এই বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে তারা সাধারণ জীবের মতো কোষে বিভাজন করে না।
- কোষ বিভাজন নয়: ভাইরাসের কোষ নেই এবং তারা নিজে থেকে বিভাজিত হয়ে জীবিত হয় না। তারা কেবল হোস্ট কোষের মধ্যে প্রবেশ করে পুনরুত্পাদন করে।
- অপ্রচলিত জীবনচক্র: ভাইরাসের জীবনচক্র সাধারণ কোষের বিভাজনের মতো নয়, বরং তারা হোস্টের মেলিকুল বা কোষের উপাদান ব্যবহার করে নিজেকে কনভার্ট করে।
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা কোষের অভাব: ভাইরাসের কোনও কোষ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নেই।
Option D Explanation:
ফার্নের ক্লোরোপ্লাস্টের বৈচিত্র্যতা
- প্রাকৃতিক পরিবেশের বৈচিত্র্য: ফার্ন মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে জন্মে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ ও অণুজীবের সঙ্গে ইন্টারঅ্যাকশন হয়। এটি ক্লোরোপ্লাস্টের বিভিন্ন ধরণের বিকাশে সহায়তা করে।
- অভ্যন্তরীণ জেনেটিক বৈচিত্র্য: ফার্নের কোষে থাকা ক্লোরোপ্লাস্টের জেনেটিক উপাদান বিভিন্ন ধরণের হতে পারে, যা বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।
- অধিক জেনেটিক রকমফের: ফার্নে বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে ক্লোরোপ্লাস্টের আকার, গঠন ও কার্যক্ষমতা ভিন্ন হতে পারে, ফলে এর বৈচিত্র্যতা বেশি দেখা যায়।
- এপিগেনেটিক পরিবর্তন: পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে ফার্নের ক্লোরোপ্লাস্টের গুণাগুণে পরিবর্তন দেখা যায়, যা বৈচিত্র্যকে বৃদ্ধি করে।
Option E Explanation:
মসের ক্লোরোপ্লাস্টের বৈচিত্র্যতা
- অপ্রতিষ্ঠিত শাখা: মসের মধ্যে ক্লোরোপ্লাস্টের আকার ও গঠন বেশ ভিন্ন হতে পারে।
- উচ্চ বৈচিত্র্য: বিভিন্ন মসের প্রজাতিতে ক্লোরোপ্লাস্টের রং, আকার, ও গঠনগত বৈচিত্র্য দেখা যায়।
- অনুকূল পরিবেশ: মস সাধারণত বিভিন্ন পরিবেশে বাস করে, যার ফলে তাদের ক্লোরোপ্লাস্টের ধরণে পার্থক্য দেখা যায়।
- জেনেটিক বৈচিত্র্য: মসের জেনেটিক বৈচিত্র্য ও ক্লোরোপ্লাস্টের ডিএনএর বিভিন্নতা তাদের ক্লোরোপ্লাস্টের বৈচিত্র্যতায় অবদান রাখে।