মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিচের কোন অনুজীব "জীবাণু অস্ত্র" হিসাবে ব্যবহৃত হয় না?

A. Bacilus anthracis
B. Yersinia bacilii
C. Vibrio cholera
D. Plasmodium spp.
Poster Download
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিরিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজির প্রয়োগ (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. Plasmodium spp.
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

"প্লাজমোডিয়াম spp." কেন জীবাণু অস্ত্র নয়: একটি ব্যাখ্যা

জীবাণু অস্ত্র (Biological weapon) হিসেবে ব্যবহারের জন্য কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন। প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium spp.) নামক অনুজীবটি ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী। এটি সাধারণত জীবাণু অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। নিচে এর কারণগুলো আলোচনা করা হলো:

জীবাণু অস্ত্রের বৈশিষ্ট্য 🧬

  • উচ্চ সংক্রমণ ক্ষমতা: দ্রুত এবং ব্যাপক আকারে সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষমতা থাকতে হয়।
  • মারাত্মক ক্ষতিকর: আক্রান্ত ব্যক্তির জীবনহানি বা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে হয়।
  • সহজে উৎপাদন ও বিস্তার: সহজে উৎপাদন করা যায় এবং বিস্তৃত এলাকায় ছড়ানোর উপযোগী হতে হয়।
  • নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন: ছড়িয়ে পড়লে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।
  • স্থিতিশীলতা: পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষমতা থাকতে হয়।

প্লাজমোডিয়ামের সীমাবদ্ধতা 🚫

  1. ছড়ানোর পদ্ধতি: প্লাজমোডিয়াম মশার মাধ্যমে ছড়ায়। মশার উপস্থিতি এবং কামড়ের উপর এর বিস্তার নির্ভরশীল। সরাসরি মানুষ থেকে মানুষে ছড়ানোর ক্ষমতা নেই। 🦟
  2. জীবনচক্র: এর জীবনচক্র জটিল এবং মশা ও মানুষ উভয়ের উপর নির্ভরশীল। পরীক্ষাগারে সহজে উৎপাদন করা কঠিন।
  3. চিকিৎসা ও প্রতিরোধ: ম্যালেরিয়ার জন্য কার্যকর চিকিৎসা (যেমন: কুইনিন, আর্টেমিসিনিন) এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা (যেমন: মশা তাড়ানো, মশারী ব্যবহার) বিদ্যমান। 🧪
  4. কম মারাত্মক: ম্যালেরিয়া মারাত্মক হতে পারে, তবে আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থায় এর থেকে সেরে ওঠার সম্ভাবনা অনেক বেশি। অন্যান্য জীবাণু অস্ত্রের তুলনায় এটি কম ক্ষতিকর।
  5. নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা: প্লাজমোডিয়ামের বিস্তার মশার বিস্তারের উপর নির্ভরশীল, যা নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে সীমাবদ্ধ। 🌍

তুলনামূলক আলোচনা 📊

বৈশিষ্ট্য প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium spp.) জীবাণু অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার যোগ্য অনুজীব (যেমন: অ্যানথ্রাক্স)
সংক্রমণ ক্ষমতা মশার উপর নির্ভরশীল, সীমিত। দ্রুত এবং সরাসরি সংক্রমণযোগ্য।
উৎপাদন জটিল এবং সময়সাপেক্ষ। সহজে উৎপাদনযোগ্য।
চিকিৎসা কার্যকর চিকিৎসা বিদ্যমান। চিকিৎসা কঠিন বা সময়সাপেক্ষ।
মারাত্মক ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম মারাত্মক। অত্যন্ত মারাত্মক এবং জীবনঘাতি।

উপসংহার 🎉

উপরের আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে, প্লাজমোডিয়ামের সংক্রমণ প্রক্রিয়া, উৎপাদন জটিলতা, চিকিৎসা সহজলভ্যতা এবং তুলনামূলকভাবে কম মারাত্মক হওয়ার কারণে এটি জীবাণু অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়। অন্যান্য অনেক অনুজীব, যেমন ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিস (অ্যানথ্রাক্স), ইয়ারসিনিয়া পেস্টিস (প্লেগ), বা ভ্যারিওলা ভাইরাস (স্মলপক্স) জীবাণু অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য অনেক বেশি উপযোগী, কারণ তাদের সংক্রমণ ক্ষমতা বেশি এবং এগুলো সহজে ছড়ানো যায়। 🎯

তাই, "Plasmodium spp." জীবাণু অস্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত হয় না। 👍

```
Option A Explanation:
  • নাম: Bacillus anthracis
  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া
  • অস্তিত্ব: ভূমির মৃতসামগ্রীতে সাধারণভাবে পাওয়া যায়
  • প্রভাব: অ্যানথ্রাক্স (অ্যাম্বার রোগ) সৃষ্টি করে, যা মানুষের জন্য মারাত্মক হতে পারে
  • ব্যবহার: ঐতিহ্যগতভাবে জীবাণু অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি, তবে এটি জীবাণু অস্ত্রের জন্য গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি স্পোর গঠিত ব্যাকটেরিয়া, যা খুবই স্থিতিশীল এবং দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে
Option B Explanation:
  • Yersinia bacilii: এটি একটি ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত রোগের কারণ হয়ে থাকে, তবে এটি "জীবাণু অস্ত্র" হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
Option C Explanation:
  • Vibrio cholera হল একটি ব্যাকটেরিয়া যা চোলেরা রোগের জন্য দায়ী।
  • এটি মূলত পানির মাধ্যমে ছড়ায় এবং মানবদেহে গুরুতর ডিহাইড্রেশন সৃষ্টি করে।
  • অন্য অনুজীবের মতো এটি "জীবাণু অস্ত্র" হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
  • এটি একটি রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু, তবে এটি যুদ্ধের জন্য অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
Option D Explanation: Plasmodium spp. ব্যাখ্যা

Plasmodium spp. সম্পর্কে বিস্তারিত

  • প্রকার: এককোষী পরজীবী (প্রোটোজোয়া)
  • উপস্থিতি: মূলত মানবদেহের রক্তে পরজীবী হিসেবে থাকে
  • উৎপত্তিস্থল: অ্যানোফিলিস মশার দ্বারা স্থানান্তরিত হয়
  • সংক্রমণের ধরণ: মালেরিয়া (ম্যালেরিয়া) রোগের জন্য দায়ী
  • অঙ্গসমূহে উপস্থিতি: লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cells)
  • চিহ্ন: জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, কমজোরি, অস্থিরতা