মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

হিপনোটক্সিন কোন কোষে থাকে?

A.

ইন্টারস্টিশিয়াল

B.

পুষ্টি কোষ

C.

নিডোসাইট

D.

গ্রন্থি কোষ

Poster Download
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর পরিচিতিহাইড্রার গঠন (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C.

নিডোসাইট

Explanation:

Another Explanation (5):

হিপনোটক্সিন এবং নিডোসাইট: একটি বিস্তারিত আলোচনা 😴

হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত পদার্থটি মূলত নিডোসাইট নামক বিশেষায়িত কোষের মধ্যে পাওয়া যায়। নিডোসাইট কোষটি নিডারিয়া পর্বের (যেমন: জেলিফিশ, কোরাল, সি অ্যানিমোন) প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য। নিচে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

নিডোসাইট কোষ 🔬

  • সংজ্ঞা: নিডোসাইট হলো নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের দেহে বিদ্যমান একটি বিস্ফোরক কোষ।
  • কাজ: এরা শিকার ধরা এবং আত্মরক্ষার জন্য ব্যবহার হয়।
  • অবস্থান: এই কোষগুলো সাধারণত Tentacles বা কর্ষিকার মধ্যে বেশি থাকে।
  • গঠন: প্রতিটি নিডোসাইটের মধ্যে একটি নিডোসিস্ট (Nematocyst) নামক অঙ্গাণু থাকে, যা একটি ছোট ধারালো হুকের মতো এবং বিষপূর্ণ তরল (হিপনোটক্সিন) ধারণ করে।

হিপনোটক্সিন 💉

হিপনোটক্সিন হলো একটি জটিল মিশ্রণ, যা নিডারিয়ান প্রাণীদের নিডোসাইট কোষে পাওয়া যায়। এর প্রধান কাজ হলো শিকারকে অবশ করা অথবা মেরে ফেলা।

হিপনোটক্সিনের উপাদান 🧪

  • বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন
  • এনজাইম
  • বিষাক্ত পেপটাইড

হিপনোটক্সিনের প্রভাব 😵‍💫

  1. বেদনা: হুল ফোটার স্থানে তীব্র ব্যথা সৃষ্টি করে।
  2. পক্ষাঘাত: শিকারকে দ্রুত অবশ করে ফেলে।
  3. ত্বকের প্রদাহ: আক্রান্ত স্থানে ফোস্কা বা র‍্যাশ হতে পারে।
  4. শ্বাসকষ্ট: মারাত্মক ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

নিডোসাইট এবং হিপনোটক্সিন: একটি তুলনা ছক 📊

বৈশিষ্ট্য নিডোসাইট হিপনোটক্সিন
প্রকার কোষ বিষাক্ত পদার্থ
অবস্থান নিডারিয়ান প্রাণীর দেহে নিডোসাইট কোষের মধ্যে
কাজ শিকার ধরা, আত্মরক্ষা শিকারকে অবশ করা বা মারা
গঠন নিডোসিস্টযুক্ত বিস্ফোরক কোষ প্রোটিন, এনজাইম, পেপটাইডের মিশ্রণ

নিডারিয়া পর্বের কিছু উদাহরণ 🐠

  • জেলিফিশ
  • কোরাল 🪸
  • সি অ্যানিমোন
  • হাইড্রা

সুতরাং, হিপনোটক্সিন নিডোসাইট নামক বিশেষ কোষের মধ্যে থাকে এবং এটি নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের শিকার ধরা ও আত্মরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। 🌊

আরও জানতে চান?

বিভিন্ন প্রজাতির নিডারিয়ানের হিপনোটক্সিনের উপাদান এবং তীব্রতা ভিন্ন হতে পারে। জেলিফিশের হুল ফুটলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 👨‍⚕️

Option A Explanation:
  1. অবস্থান: ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ বা টিস্যু ইন্টারস্টিশিয়াল স্পেসে থাকে।
  2. অর্থ: এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে থাকা ফাঁকা স্থান বা জায়গা যেখানে কোষসমূহের মধ্যে তরল বা ইন্টারস্টিশিয়াল তরল বিদ্যমান।
  3. ভূমিকা: এই স্থান কোষের মধ্যে পুষ্টি, অক্সিজেন, হরমোন এবং অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান পরিবহন করে, পাশাপাশি বর্জ্য পদার্থ উত্তোলন করে।
  4. সংশ্লিষ্ট কোষ: ইন্টারস্টিশিয়াল স্পেসে বিভিন্ন ধরণের কোষ থাকতে পারে, যেমন প্যাথোজেন বা ক্ষতিকর উপাদানসহ শরীরের স্বাভাবিক কোষ।
Option B Explanation:
  • পুষ্টি কোষ: পুষ্টি কোষ হলো একটি বিশেষ ধরনের কোষ যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে পুষ্টি সরবরাহ করে। এগুলি সাধারণত লিভার, কিডনি, বা অন্যান্য অঙ্গের মধ্যে পাওয়া যায়।
  • ভূমিকা: পুষ্টি কোষের মূল কাজ হলো শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সংরক্ষণ ও বিতরণ করা।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে অবস্থান: এই কোষগুলো মূলত সংশ্লিষ্ট অঙ্গের টিস্যুতে অবস্থিত, যেখানে তারা বিভিন্ন উপাদান শোষণ ও সংরক্ষণ করে।
  • অন্য কোষের সাথে পার্থক্য: অন্যান্য কোষের তুলনায়, পুষ্টি কোষে সাধারণত নির্দিষ্ট ধরণের রিসেপ্টর বা এনজাইম থাকে যা পুষ্টি উপাদান পরিচালনায় সহায়তা করে।
Option C Explanation:
  1. নিডোসাইট: নাইডোজাইট হলো একটি ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা বা শ্বেত কণিকা (White Blood Cell) যা আমাদের শরীরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (immune system) এর অংশ।
  2. এরা মূলতঃ শরীরের বিভিন্ন সংক্রমণ বা প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
  3. নিডোসাইটের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে সংক্রমিত কোষের নিধন, অণুজীবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, এবং প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়া পরিচালনা।
  4. এরা সাধারণতঃ রক্তে থাকে, তবে লিম্ফ নোড, স্প্লিন, এবং অন্যান্য টিস্যুতেও উপস্থিত থাকতে পারে।
Option D Explanation:

গ্রন্থি কোষের ব্যাখ্যা

  • অবস্থান: গ্রন্থি কোষ সাধারণত দেহের বিভিন্ন অংশে অবস্থিত যা বিভিন্ন ধরণের গ্রন্থি তৈরি করে।
  • কাজ: এই কোষগুলো হরমোন, এনজাইম, বা অন্য প্রকারের স্রাব তৈরি করে এবং তা দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা টিস্যুতে ছাড়ে।
  • প্রকার: বিভিন্ন ধরনের গ্রন্থি থাকতে পারে, যেমন এন্ডোক্রাইন গ্রন্থি (হরমোন নিঃসরণ করে) এবং এক্রোक्रাইন গ্রন্থি (এনজাইম বা স্রাব নিঃসরণ করে)।
  • উদাহরণ: থাইরয়েড গ্রন্থি, অগ্ন্যাশয়, লালা গ্রন্থি ইত্যাদি।