মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।
'অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই মানুষের সর্বোচ্চ সাধনা।' উক্তিটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
- নারিশা গ্রামের একটা ভাঙা রাস্তা মেরামতের জন্য জনপ্রতিনিধিদের নিকট ধর্ণা দিতে দিতে গ্রামের মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। গ্রামেরই ছেলে বুলবুল একদিন গ্রামের ছেলেদের নিয়ে খাল থেকে মাটি তুলে রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করে দিল। চেয়ারম্যান এসে ধমকের সুরে বুলবুলকে বললেন, 'তুমি কার মাটি কার রাস্তায় ফেলছ? অনুমতি নিয়েছ? খালের পাড় ভেঙে জমিজমা ঘরবাড়ি নষ্ট হবে না? এমন পাপের কাজে ছেলেদের জড়ালে কেন, ওদের মা-বাবার অনুমতি নিয়েছ? শিশুশ্রম নিষিদ্ধ জানো না? ভুল স্বীকার করে এ কাজে বিরত না হলে তোমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খেতে এসেছ?'উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের তুল্য ঘটনার বর্ণনা দাও।
- জনাব নুরুল ইসলাম একজন শিল্পপতি। দীর্ঘকাল পর তিনি নিজ গ্রামে এসে দেখেন, এখানকার মানুষ এখনও দুঃখদুর্দশা আর অভাব-অনটনে জর্জরিত। তাই তিনি মনিস্থর করেন যে, গ্রামে একটি ফ্যাক্টরি স্থাপন করবেন। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু গ্রামের চেয়ারম্যান তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, বেকার লোকেরা কর্মজীবী হয়ে গেলে তাদেরকে আর মিটিং-মিছিলে ব্যবহার করা যাবে না।উদ্দীপকের শিল্পপতির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?। ব্যাখ্যা করো।
- মহব্বতনগর গ্রামটি মতিগঞ্জ সড়কের কোনদিকে?
- গফুর মিয়ার সংসার টিকিয়ে রেখেছে তার স্ত্রী মরিয়ম। বিশাল সংসারের সকল দায়িত্ব মরিয়মের গরুবাছুরের তত্ত্বতালাশ, ধান মাড়াই থেকে সিদ্ধ করা, মেহমান মুসাফির সবকিছুই একহাতে সামলান তিনি। অবশ্য এতে তার ক্লান্তি নেই। শুধু মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একলা মনে হয়। গফুর মরিফমের মনের অবস্থা বোঝে। কারণ সে জানে, তাদের কোনো সন্তান নেই।"মরিয়ম 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার মতই গফুরের ঘরের খুঁটি"- ব্যাখ্যা করো।
- সে তার ঘরের খুঁটি' এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জন্মস্থান কোথায়?
- তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের মানুষেরা নিত্য অভাব-অনটন নিয়ে বসবাস করে। দিনের পর দিন আসে, কিন্তু হতভাগা এ অঞ্চলের মানুষদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন আসে না। বৎসরান্তে তিস্তার অপ্রতিরোধ্য ভাঙ্গন মানুষকে আরও বেশি অসহায়, নিঃস্ব করে ফেলে। শস্যহীন মানুষগুলো ক্ষুধা-তৃষ্ণা, রোগ-শোক, শিশুর আর্তচিৎকার, সব মিলিয়ে আনন্দহীন এক মানবেতর জীবন অতিবাহিত করে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য তারা কখনো কখনো মানত করে। এতেও তাদের জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তন আসে না। ভাগ্যের অন্বেষণে তখন তারা বহির্মুখী হয়ে ওঠে।উদ্দীপকের দুরবস্থাগ্রস্ত মানুষদের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন অঞ্চলের মানুষদের, কী ধরনের মিল পাওয়া যায়?- আলোচনা কর।
- করিম মুন্সীর স্ত্রী মোমেনা বেশ সহজ-সরল। স্বামীর প্রতিতার বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতা প্রবল। সাধারণ মানুষেরসারল্য ও খোদাভীতিকে পুঁজি করে তার স্বামী তাবিজ বিক্রিকরে এবং পানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে।উদ্দীপকের মোমেনা 'লালসালু' উপন্যাসের 'কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- “তোমার দাড়ি কই মিঞা”- উক্তিটি কাকে উদ্দেশ্যকরে বলা?
- ওয়াজ করিবার সময় পির সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়ে গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন।..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখমুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের প্রতি যে ইঙ্গিত প্রদান করে তা আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
- 'পায়ের আঙুলে দাড়িয়ে বকের মতো গলা বাড়িয়ে পির সাহেবকে একবার দেখার চেষ্টা করে।' যার সম্পর্কে এই কথা বলা হয়েছে
- আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত যুবক এমদাদ। ধর্ম-খোদা-রসুল কিছুই বিশ্বাস করে না। খেলাফত আন্দোলনে যোগ দিয়ে একেবারে বদলে গেল। পীরের মুরিদ হয়েছে এবং নিয়মিত নামাজ পড়ছে। পীরের ভণ্ডামি ও লোলুপ দৃষ্টি এমদাদের কাছে ধরা পড়ল। মুরিদের সুন্দরী বউ কলিমনকে জোরপূর্বক তালাক পড়িয়ে নিজে বিয়ে করেছে। এমদাদ এতে ক্রুদ্ধ হয়ে পীরের মেহেদি রঞ্জিত দাড়ি ধরে হেঁচকা টানে মাটিতে ফেলে দিল।উদ্দীপকের এমদাদ 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা কর।
- ‘তানি বুঝি দুলার বাপ।’- 'লালসালু' উপন্যাসে জমিলার এই উক্তি কার প্রসঙ্গে।
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও 'কারা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করেছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের ছোটো পুত্রবধূ 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে কীভাবে তুলনীয় বুঝিয়ে লেখো।
- সুমি একজন স্বাধীনতাপ্রিয় নারী। অন্যের অধীনতা তার একেবারেই পছন্দ না। তার চালচলন ও সমাজপতিদের মনে আঘাত হানে। কিন্তু বিষয়টি মোটেও তোয়াক্কো করে না সুমি।উদ্দীপকের সুমি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতীক?
- মজিদ পীর সাহেবকে শয়তান আখ্যা দিল কেন?
- মহববতনগর গ্রামের পার্শ্ববর্তী গ্রামের নাম কি?
- মজিদের ভাষ্যে সে কোন অঞ্চল থেকে মহব্বতনগর গ্রামে গিয়েছিল?