কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয় গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিৎ ওপরে আছে, সেইজন্য তাড়া।
"উদ্দীপকের ঘটনাচিত্রে 'অপরিচিতা' গল্পের খন্ডাংশ প্রতিফলিত হয়েছে।"- উক্তিটির মূল্য যাচাই কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "মেয়ের চেয়ে মেয়ের বাপের খবরটাই তাহার কাছে গুরুতর" উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- "ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতায় 'কৃষ্ণচূড়া ' কিসের প্রতীক?
- এয়ারিং কী?
- "কালে ইহাদের বংশে লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল।" কার বংশের ঐতিহ্য বোঝাতে লেখক এ উক্তিটি ব্যবহার করেছেন
- 'কন্যার পিতা রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, "শুভ কার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয়ই টাকাটা শোধ করিয়া দিব।" রায় বাহাদুর বললেন, "টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।" এই দুর্ঘটনায় অন্তঃপুরে একটা কান্না পড়িয়া গেল। ইতঃমধ্যে একটি সুবিধা হইল। বর সহসা তার পিতৃদেবের অবাধ্য হইয়া উঠিল। সে বাবাকে বলিয়া বসিল, "কেনাবেচা দরদামের কথা আমি বুঝি না; বিবাহ করিতে আসিয়াছি, বিবাহ করিয়া যাইব।""উদ্দীপকের ঘটনাটি 'অপরিচিতা' গল্পে বর্ণিত সামাজিক অসঙ্গতির দিকটি তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- তাহার প্রার্থনা শুনিয়া আমি বলিলাম, না না আপনি এক মুহূর্তের জন্যও প্রাণনাশের আশঙ্কা করিবেন না; আপনি এই মুহূর্তে হইতে স্বাধীন; এই বলিয়া পথের স্বরূপ, সহস্র স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি তাহার হস্তে দিয়া বলিলাম, আপনি অবিলম্বে প্রস্থান করুন এবং স্নেহাস্পদ পরিবারবর্গের সঙ্গে মিলিত হইয়া সংসার যাত্রা করুন। আপনাকে ছাড়িয়া দিলাম। এ জন্য আমার উপর খলিফার মর্মান্তিক ক্রোধ ও দ্বেষ জন্মিবে, তাহাতে সন্দেহ নাই। কিন্তু যদি আপনার প্রাণ রক্ষা করিতে পারি, তাহা হইলে সে জন্য অণুমাত্র দুঃখিত হইব না। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোন চরিত্র উদ্দীপকের বক্তার বিপরীতধর্মী আচরণ করেছে? তা ব্যাখ্যা করো।
- 'অপরাজিতা' গল্পে কল্যাণীর বাবার নাম কি ?
- নিচের কোনটি গদ্য রচনা নয়
- ’পাকযন্ত্রটাকে সমস্ত অন্নসুদ্ধ সেখানে টান মারিয়া ফেলিয়া দিয়া আসিতে পারিলে তবে আফসোস মিটিত’। তোমার পঠিত কোন গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে?
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?
- ইসলামে নবি কী বলেছেন?
- 'এ জীবন না দৈর্ঘ্যের হিসেবে বড়ো না গুণের হিসেবে"- ব্যাখ্যা করো।
- 'সেজন্য কিছু ভাবিবেন না- এখন উঠুন।'- উক্তিটিতে বস্তার মনোভাব ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
- ‘ছিন্নপত্রে’র অধিকাংশ পত্র কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা?
- ’রসাতলে গমন’ শব্দটির অর্থ-
- আমাদের অন্যতম ব্যবসায় পাশ বিক্রয়। এই পাশ বিক্রেতার নাম 'বর' এবং ক্রেতাকে শ্বশুর বলে। এক একটি পাশের মূল্য কত জানো?, 'অর্ধেক রাজত্ব ও এক রাজকুমারী' এম এ পাশ অমূল্যরত্ন, ইহা যে সে ক্রেতার ক্রেয় নয়। নিতান্ত সস্তা দরে বিক্রয় হইলে, মূল্য-এক রাজকুমারী এবং সমুদয় রাজত্ব। আমরা অলস, তরলমতি, শ্রমকাতর, কোমলাঙ্গ বাঙালি কি না তা-ই ভাবিয়া দেখিয়াছি। সশরীর পরিশ্রম করিয়া মুদ্রালাভ করা অপেক্ষা শ্বশুরের যথা সর্বস্ব লুণ্ঠন করা সহজ।উদ্দীপকটি 'অপরিচিতা' গল্পের আংশিক প্রতিফলন মাত্র।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- বাবা না থাকায় চাচাই মূলত, বিয়ের সময় সবুজের অভিভাবক হয়ে ওঠেন। বিয়ের কথাবার্তা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে তখন চাচার অস্বাভাবিক যৌতুক দাবির কারণে মেয়ের বাবা নারাজ হন। এমন লোভী পরিবারে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন।'এমন লোভী পরিবারে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন'- 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতি স্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনায়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পুরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে যে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয় মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়ে যায়।'মাতৃস্নেহের আধিক্যে পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়ে যায়।'- এই মন্তব্যের সাদৃশ্যমূলক প্রভাব রয়েছে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রে।- বুঝিয়ে লেখো।
- পদাবলী লিখেছেন–