ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?-প্রলয় নূতন সৃজন বেদন।
আসছে নবীন জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন।
তাই সে এমন কেশে বেশে
প্রলয় বলেও আসছে হেসে
মধুর হেসে।
ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর।
তোরা সব-'জয়ধ্বনি কর।'
উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- “বিদ্রোহী” কবিতায় বিশিষ্ট মুনি দুর্বাসার মায়ের নাম কী?
- “রাজবন্দীর জবানবন্দীর" রচিয়তা -
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কাকে খ্যাপা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
- মহানির্বাণ' কী?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহে ছিলেন হিমালয়ের মতো সুউচ্চ এবং জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মতো দহন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রেমের ক্ষেত্রে ছিলেন স্রোতঃস্বিনী নদীর জোয়ারের মতো। তাঁর প্রেমের ফেনায়িত তরঙ্গ কুল ছাপিয়ে একাকার হয়ে গেছে। বিদ্রোহের পিছনেও ছিল তাঁর খরস্রোতা নদীর মতো দেশপ্রেম।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতাটির সাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকটিতে 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- 'বিদ্রোহী' কবিতা রচনার শতবর্ষ পূর্ণ হয়েছে-
- কোন বিষয়টিকে কাজী নজরুল প্রাণপ্রাচুর্যের উৎসবিন্দু মনে করেনতাঁর মতো আরও যারা সত্যপথের পথিকবন্ধনহীন চিত্তচাঞ্চল্য যাদের জীবনসত্য প্রকাশে নির্ভীক যারানিচের কোনটি সঠিক?
- কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গল্প কোনটি?
- যার মনে মানবপ্রেম নেই, মসজিদে কিংবা মন্দিরে গিয়ে যতই ক্রন্দনরত অবস্থায় থাকুক, সৃষ্টিকর্তার প্রেম সে পাবে না, পেতে পারে না। সৃষ্টিকর্তা সবার প্রতি করুণা করেন কিন্তু প্রেম সবার ললাটে জোটে না। যে ব্যক্তির হৃদয় অভাবী, অসহায়, নিঃস্ব এতিম ও দূর্বলকে দেখে আপ্লুত হয় না, কষ্টে চিত্ত ব্যর্থিত হয় না; তার মনে প্রেম নেই, মায়া নেই, কোনো মমতা নেই। স্রষ্টার প্রিয়পাত্র সে হতে পারে না।
- শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র।বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র।আর-নয়।তিলে তিলে বাঙালির এই পরাজয়।আর করি না করি না ভয়।জয় বাংলা বাংলার জয়।"উদ্দীপকে বাঙালির জাগরণী চেতনা আর 'বিদ্রোহী' কবিতার জাগরণী চেতনা মূলত একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটির যৌক্তিকতা 'বিচার করো।
- ফণিমনসা কাব্যের রচয়িতা কে?
- ‘বিদ্রোহী’ কবিতা কোন কাব্যের অন্তর্গত?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ তূর্য'- পঙ্ক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ১৯৭২ সালে কার উদ্যোগে বিদ্রোহী কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব ও জাতীয় কবির স্বীকৃতি দেওয়া হয় ?
- মম এক হাতে বাঁকা বাশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- "বিদ্রোহী" কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্য গ্রন্থের অর্ন্তগত?
- কী জানি কী হলো আজি, জাগিয়া উঠিল প্রাণ-দূর হতে শুনি যেন মহাসাগরের গান।ওরে, চারি দিকে মোর এ কী কারাগার ঘোর-ভাঙ ভাঙ ভাঙ কারা, আঘাতে আঘাত করো।ওরে আজ কী গান গেয়েছে পাখি,এসেছে রবির কর।প্রমাণ করো যে, উদ্দীপকের চেয়ে 'বিদ্রোহী' কবিতার ব্যাপ্তি অনেক বেশি।
- বিদ্রোহী' কবিতায় ধ্বংসের প্রতীক হিসেবে যে নামগুলো এসেছে- শ্যাম, অর্ফিয়াস বিশ্বামিত্র, দুর্বাশা পরশুরাম, নটরাজ নিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ?