মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিস্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ে মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।
"মাতৃস্নেহের আধিক্যে পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।" উদ্দীপকের এই মন্তব্যের সাদৃশ্যমূলক প্রভাব রয়েছে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রে- বুঝিয়ে লেখো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নাট্যকার হেনরিক ইবসেন তাঁর 'নোরা' নাটকে পুরুষশাসিত সমাজের সাথে নারী ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষ তুলে ধরেছেন সুচারুভাবে। এ নাটকেই তিনি দেখিয়েছেন। ক্ষুদ্র গৃহকোণে অবস্থান করে সংসার করাই নারীর একমাত্র কর্ম নয়, অন্তত তার নায়িকা নোরা চায় বৃহত্তর সমাজ জীবনের মধ্যে বিকাশও আত্মপ্রতিষ্ঠা।উল্লিখিত সাদৃশ্য বিবেচনার ভিত্তি হলো-নারী ব্যক্তিত্বের উন্মেষনারীর আত্মোপলব্ধি ও আত্ম প্রতিষ্ঠানারীর প্রতি পুরুষশাসিত সমাজের বৈষম্যনিচের কোনটি সঠিক?
- ঘরেতে এলো না সে তো 'মনে তার নিত্য আসা যাওয়া'- পরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।'উক্ত সাদৃশ্যের কারণ হলো-পরিণাম একইলোভী মানসিকতাযৌতুক প্রথার বলিনিচের কোনটি সঠিক?
- "ধলেশ্বরী নদীর তীরে পিসিদের গ্রামতাঁর দেওরের মেয়ে অভাগার সাথে তার বিবাহ ছিল ঠিকঠাকলগ্ন শুভ, নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গেল-সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে।মেয়েটা তো রক্ষা পেলআমি তথৈবচঘরেতে এলো না সে তো, মনে তার নিত্য আসা যাওয়াপরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।'সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে'- এ চরণের আলোকে বুঝিয়ে লেখো যে, উদ্দীপকের নায়কের মতো অনুপমের বিরহের জন্য নিজের অক্ষমতাই দায়ী।
- নিচের কোনটি গদ্য রচনা নয়
- অনুপমের মামার মন কীভাবে নরম হলো?
- হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখনজন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধানগত আকালের মৃত্যুকে মুছেআবার এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।উদ্দীপকের 'সচেতনতার ধান' 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে দিকটি তুলে ধরেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- 'অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া'এটি কার গানের পংক্তি?
- কল্যাণী কোন স্টেশনে নেমেছিল?
- ভানুসিংহ কার ছদ্মনাম?
- হরিশ কোন গল্পের চরিত্র?
- “সংস্কৃতির সংকট" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায়বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয় টাকা শোধ করিয়া দিব। রায়বাহাদুর বলিলেন, টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি অপরিচিতা গল্পের একমাত্র বিষয় নয়।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- 'অপরিচিতা' গল্পে কাকে গজানের ছোট ভাই বলা হয়েছে?
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীকে আশীর্বাদ করতে যায় কে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' গল্পে যৌতুকের বলি হৈমন্তী। মানসিক নির্যাতনের জর্জরিত হয়ে সে পিতা গৌরীশংকর বাবুকে খবর পাঠায় স্বামীগৃহ হতে তাকে পিত্রালয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। গৌরীশংকর বাবু মেয়ের র বাড়িতে এসে মেয়ের কষ্ট বুঝতে পারেন। কিন্তু ধনী বেয়াই- এর বিরুদ্ধে প্রতিকার করতে না পেরে নীরবে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বিদায় নেন। আর চরম পরিণতির দিকে এগিয়ে যায় হৈমন্তী।'উদ্দীপকের গৌরীশংকর বাবুর ভূমিকা যদি শম্ভুনাথ বাবুর মতো হতো, তাহলে হয়তো হৈমন্তীকে অকালে চলে যেতে হতো না।'-উক্তিটির পক্ষে যুক্তি দাও।
- “আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব এ কথা যারা মনেকরে তাদের হাতে আমি কন্যা দিতে পারি না। ”—উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে শম্ভুনাথ বাবুর-
- "অপরিচিতা" গল্পে 'ফলের মতো গুটি' উপমাটি দ্বারা যা বুঝায়-
- ‘ছিন্নপত্রে’র অধিকাংশ পত্র কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা?