নিচের গদ্যাংশটি পড়ে প্রদত্ত প্রশ্নগুলোর (ক-ঙ) উত্তর দাও :
মানব-কল্যাণ অলৌকিক কিছু নয়- এ এক জাগতিক মানবধর্ম। তাই এর সাথে মানব-মর্যাদার তথা Human dignity-র সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। আজ পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখলে কী দেখতে পাই? দেখতে পাই দুস্থ, অবহেলিত, বাস্তুহারা, স্বদেশ-বিতাড়িত মানুষের সংখ্যা দিন দিনই বেড়ে চলেছে। সে সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে রিলিফ, রিহেবিলিটেশন ইত্যাদি শব্দের ব্যাপক প্রয়োগ। রেডক্রস ইত্যাদি সেবাধর্মী সংস্থার সংখ্যা বৃদ্ধিই কি প্রমাণ করে না মানব-কল্যাণ কথাটা স্রেফ মানব-অপমানে পরিণত হয়েছে? মানুষের স্বাভাবিক অধিকার আর মর্যাদার স্বীকৃতি আর প্রতিষ্ঠা ছাড়া মানব-কল্যাণ মানব-অপমানে পরিণত না হয়ে পারে না । কালের বিবর্তনে আমরা এখন আর tribe বা গোষ্ঠীবদ্ধ জীব নই- বৃহত্তর মানবতার অংশ। তাই Go of humanity-কে বিচ্ছিন্ন, বিক্ষিপ্ত কিংবা খণ্ডিতভাবে দেখা বা নেওয়া যায় না। তেমনি নেওয়া যায় না তার কল্যাণকর্মকেও খণ্ডিত করে। দেখতে মানুষও অন্য একটা প্রাণী মাত্র, কিন্তু ভেতরে মানুষের মধ্যে রয়েছে এক অসীম ও অনন্ত সম্ভাবনার বীজ। যে সম্ভাবনার স্ফুরণ-স্ফুটনের সুযোগ দেওয়া, ক্ষেত্র রচনা আর তাতে সাহায্য করাই শ্রেষ্ঠতম মানব-কল্যাণ ।
ক. মানব-কল্যাণের সঙ্গে মানব-মর্যাদার সম্পর্ক কেন অবিচ্ছেদ্য?
খ. গদ্যাংশটিতে ব্যবহ্রত 'কী' এবং 'কি'-এর অর্থগত ও ব্যাকরণগত পার্থক্য কর।
গ. 'অসীম' ও 'অনন্ত সম্ভাবনা' পদবন্ধের প্রাসঙ্গিকতা ও তাৎপর্য সংক্ষেপে লেখ।
ঘ. গদ্যাংশটিতে ব্যবহ্রত ইংরেজই শব্দের তালিকা তৈরি কর।
ঙ.গদ্যাংশটিতে প্রকাশিত বক্তব্যের সারাংশ দুটি বাক্যে লেখ।
