‘গারো’ ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সমাজে পরিবারের প্রধান কে?
সঠিক উত্তরঃ
B.
মা
Explanation: • ‘গারো’ ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সমাজে পরিবারের প্রধান মা।
• গারো পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- পরিবারের সকল কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা মাতা বা স্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে।
- সে কারণে গারো পরিবারে ও সম্প্রদায়ে পুরুষের প্রাধাণ্য কম।
- এ সমাজে উত্তরাধিকার মাতৃধারায় মা থেকে মেয়েতে বর্তায়। এখানে মাতৃবাস রীতি অনুসরণ করা হয়।
- বিয়ের পর গারো দম্পতি স্ত্রীর মায়ের বাড়িতে বসবাস করে। ইদানীং শিক্ষিত গারো-দম্পতিদের মধ্যে এর বিপরীত অবস্থা পরিলক্ষিত হয়।
- গারো সম্প্রদায়ে একক বিবাহভিত্তিক পরিবার বিদ্যামান। খ্রিষ্ঠান গারোদের বিয়ে চার্চে অনুষ্ঠিত হয়। আর অন্য গারোদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী নিয়মে।
- বাংলাদেশে বসবাসরত গারো সম্প্রদায়ের প্রায় শতকরা ৯০ ভাগ ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান।
- এদের ঐতিহ্যগত ধর্মের নাম সাংসারেক।
সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• গারো পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- পরিবারের সকল কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা মাতা বা স্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে।
- সে কারণে গারো পরিবারে ও সম্প্রদায়ে পুরুষের প্রাধাণ্য কম।
- এ সমাজে উত্তরাধিকার মাতৃধারায় মা থেকে মেয়েতে বর্তায়। এখানে মাতৃবাস রীতি অনুসরণ করা হয়।
- বিয়ের পর গারো দম্পতি স্ত্রীর মায়ের বাড়িতে বসবাস করে। ইদানীং শিক্ষিত গারো-দম্পতিদের মধ্যে এর বিপরীত অবস্থা পরিলক্ষিত হয়।
- গারো সম্প্রদায়ে একক বিবাহভিত্তিক পরিবার বিদ্যামান। খ্রিষ্ঠান গারোদের বিয়ে চার্চে অনুষ্ঠিত হয়। আর অন্য গারোদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী নিয়মে।
- বাংলাদেশে বসবাসরত গারো সম্প্রদায়ের প্রায় শতকরা ৯০ ভাগ ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান।
- এদের ঐতিহ্যগত ধর্মের নাম সাংসারেক।
সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।