১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা দাবীর কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
MEDICALসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশপাকিস্তান আমলপাকিস্তান আমল (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
৩
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
১৯৬৬ সালের ছয় দফা: অর্থনৈতিক দফাগুলোর বিশ্লেষণ 📊
১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলন বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই দাবির মূল উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) জনগণের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক অধিকার আদায়। ছয় দফার মধ্যে ৩টি দফা সরাসরি অর্থনীতি বিষয়ক ছিল। নিচে দফাগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:
ছয় দফার সংক্ষিপ্ত তালিকা 📝
- দফা ১: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন 🏛️
- দফা ২: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিতকরণ ⚖️
- দফা ৩: মুদ্রার অবাধ বিনিময় অথবা স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা 💰
- দফা ৪: কর ও রাজস্ব ধার্যের ক্ষমতা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত করা 🏦
- দফা ৫: বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষমতা প্রদেশের হাতে অর্পণ 🌍
- দফা ৬: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠন 🛡️
অর্থনৈতিক দফাগুলোর বিস্তারিত আলোচনা 💸
| দফা নম্বর | দফার বিষয়বস্তু | গুরুত্বপূর্ণ দিক 💡 |
|---|---|---|
| দফা ৩ | মুদ্রার অবাধ বিনিময় অথবা স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা | পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে মুদ্রার ভিন্ন হার থাকলে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতো। তাই অবাধ বিনিময় অথবা স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থার কথা বলা হয়। 🔄 |
| দফা ৪ | কর ও রাজস্ব ধার্যের ক্ষমতা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত করা | কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে কর ধার্যের ক্ষমতা থাকায় পূর্ব পাকিস্তান অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত হতো। এই দফায় কর ধার্যের ক্ষমতা প্রদেশের হাতে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। 🧾 |
| দফা ৫ | বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষমতা প্রদেশের হাতে অর্পণ | বৈদেশিক বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ন্ত্রণ করত, যার ফলে পূর্ব পাকিস্তান লাভবান হতে পারত না। এই দফায় বাণিজ্যের ক্ষমতা প্রদেশের হাতে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। 🚢 |
ছয় দফা দাবি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির সনদ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। এই দাবিগুলো বাঙালিদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 🇧🇩
আশা করি এই বিশ্লেষণটি ??থ্যপূর্ণ ছিল। 👍
```