প্যারাটপ নিচের কোনটির অংশ?
JUUnit-DSet-3জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অ্যান্টিবডির ভূমিকা (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
অ্যান্টিবডি
Explanation: Option A :অ্যান্টিজেন - এটি সঠিক নয়, প্যারাটপ অ্যান্টিজেন নয়। \nOption B:অ্যান্টিবডি - এটি সঠিক উত্তর, প্যারাটপ অ্যান্টিবডির অংশ। \nOption C:জীন - এটি সঠিক নয়, প্যারাটপ জীন নয়। \nOption D:কোষ - এটি সঠিক নয়, প্যারাটপ কোষ নয়। \nNote: প্যারাটপ হিউমোরাল ইমিউন সিস্টেমের অংশ এবং অ্যান্টিবডির অংশ হিসেবে কাজ করে।
Another Explanation (5): ```html
প্যারাটপ: অ্যান্টিবডির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ 🧬
প্যারাটপ হলো অ্যান্টিবডির সেই বিশেষ অঞ্চল যা অ্যান্টিজেনের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে অ্যান্টিজেনকে নিষ্ক্রিয় করে। এটিকে অ্যান্টিবডির "আসন" হিসেবেও ধরা হয়। 🤔 চলুন, প্যারাটপ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই:
প্যারাটপ কী? 🤷♀️
- প্যারাটপ অ্যান্টিবডির পরিবর্তনশীল অঞ্চলের (variable region) অংশ।
- এটি প্রায় ১৫-২২টি অ্যামিনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত।
- প্যারাটপের গঠন অ্যান্টিজেনের এপিটোপের (epitope) সাথে একেবারে মিলে যায়, অনেকটা "চাবি-তালা"র মতো। 🔑
- এই মিলনের কার???েই অ্যান্টিবডি নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনকে চিনতে ও বাঁধতে পারে।🤝
অ্যান্টিবডিতে প্যারাটপের ভূমিকা 🎯
- অ্যান্টিজেন শনাক্তকরণ: প্যারাটপ অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে চিহ্নিত করে।
- নিষ্ক্রিয়করণ: অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে এটি জীবাণুর কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। 🚫
- ইমিউন রেসপন্স তৈরি: এই বন্ধন অন্যান্য ইমিউন কোষকে সংকেত দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।💪
প্যারাটপ এবং এপিটোপের মধ্যে সম্পর্ক 🔄
প্যারাটপ ও এপিটোপ একে অপরের পরিপূরক। এপিটোপ হলো অ্যান্টিজেনের সেই অংশ যা অ্যান্টিবডির প্যারাটপের সাথে যুক্ত হয়। 🧩
| বৈশিষ্ট্য | প্যারাটপ | এপিটোপ |
|---|---|---|
| অবস্থান | অ্যান্টিবডিতে | অ্যান্টিজেনে |
| কাজ | এপিটোপের সাথে যুক্ত হওয়া | প্যারাটপের সাথে যুক্ত হওয়ার স্থান |
| গঠন | অ্যামিনো অ্যাসিড সিকোয়েন্স | অ্যামিনো অ্যাসিড বা শর্করা সিকোয়েন্স |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী ⚠️
- প্যারাটপের গঠন অ্যান্টিবডির কার্যকারিতা নির্ধারণ করে।
- প্যারাটপ যত বেশি সুনির্দিষ্ট, অ্যান্টিবডি তত বেশি কার্যকর। 👍
- বিভিন্ন অ্যান্টিবডির প্যারাটপের গঠন ভিন্ন ভিন্ন হয়।
আশা করি, প্যারাটপ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন! 😊 আরও কিছু জানতে চান? 🤔
```Option A Explanation:
- অ্যান্টিজেন (Antigen):
- একটি উপাদান বা পদার্থ যা শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা স্বীকৃতি পায়।
- সাধারণতঃ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, পরজীবী বা অন্যান্য অজৈব বা জৈব পদার্থ হতে পারে।
- অ্যান্টিজেন শরীরের প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া, যেমন অ্যান্টিবডি উৎপাদনে উত্সাহ দেয়।
- এটি স্ব-উৎপন্ন নয়, বরং অন্য কোনও জীব বা উপাদান থেকে শরীরের মধ্যে প্রবেশের ফলে সৃষ্টি হয়।
Option B Explanation:
- অ্যান্টিবডি (Antibody):
- একটি প্রোটিন যা শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা তৈরি হয়।
- এটি বিশেষভাবে রোগজীবাণু বা বিষের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের নিষ্ক্রিয় করে বা ধ্বংস করে।
- অ্যান্টিবডি সাধারণত বৃত্তাকার বা Y-আকৃতির হয় এবং এর অংশগুলোতে বিশেষ স্থান থাকে যা অ্যান্টিজেনের সাথে সংযুক্ত হয়।
- এটি মূলত লোহিত রক্তকণিকা বা প্লাজমা সেলে উৎপন্ন হয়।
- অ্যান্টিবডি রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং বিভিন্ন টিকা বা সংক্রমণের সময় শরীরের প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি করে।
Option C Explanation:
- জীন: জীবের জৈবিক তথ্যের মৌলিক ইউনিট। এটি ডিএনএ বা আরএনএ-তে থাকে এবং জীবের বৈশিষ্ট্য ও কার্যক্রম নির্ধারণ করে।
Option D Explanation:
- কোষ: কোষ হলো জীবের মৌলিক গঠনমূলক ইউনিট, যা সমস্ত জীবের গঠন ও কার্যক্রমের জন্য দায়ী।
- প্রতিটি কোষে বিভিন্ন ধরনের অঙ্গাণু (organelles) উপস্থিত থাকে, যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, রাইবোসম, গ্যুলজি অ্যাপারেটাস ইত্যাদি।
- কোষের মাধ্যমে জীবের বৃদ্ধি, উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা এবং প্রজনন সম্ভব হয়।
- প্রাণী, উদ্ভিদ ও ক্ষুদ্র জীবাণুর সকলই কোষ দ্বারা গঠিত।
- কোষের মধ্যে ডিএনএ (DNA) থাকে, যা জীবের জেনেটিক তথ্য বহন করে।