মানুষের মঙ্গল অথবা সৌন্দর্য সৃষ্টি ব্যতিরেকে যারা অন্য উদ্দেশ্যে লিখে থাকেন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে তারা কাদের সঙ্গে তুলনীয়?
A. কবিওয়ালা
B. পুস্তক ব্যবসায়ী
C. যাত্রাওয়ালা
D. মুদ্রাকর
JUUnit-CSet-1বাংলা সাহিত্যবাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
যাত্রাওয়ালা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারাে মনােরঞ্জন করা বক্তব্যটি কার?
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের দৃষ্টিতে 'কূপমণ্ডুক' কারা?
- শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করার সময় বলেন, সাহিত্য ভাব ও আনন্দের ব্যাপার, শিক্ষা জ্ঞানের ব্যাপার। যিনি সাহিত্য থেকে লাভ চান, তার কাছে সাহিত্যের মূল্য নেই। - সাহিত্যে খেলা প্রবন্ধ অনুসারে কোন বক্তব্য উদ্দীপককে সমর্থন করে?
- মন উচুতেও উঠতে চায়, নিচুতেও নামতে চায়।এ বক্তব্য কোন লেখকের?
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ইংরেজি উপন্যাস-
- দূর ব্যাটা হতভাগা। ভাষার কথা প্রবন্ধস্থিত বাক্যটির ভার-
- 'বই পড়া' প্রবন্ধটি কার?
- অতএব সপ্রমাণ হলো জ্ঞানার্জন ধনার্জনের চেয়ে মহোত্তম । কার বক্তব্য ?
- সাহিত্য ছেলের হাতের খেলনাও নয়, গুরুর হাতের বেতও নয়'-বক্তব্যটি কার?
- নিচের কোন গ্রন্থসমূহ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত নয়?
- কারও মনোরঞ্জন করা সাহিত্যের কাজ না এ মন্তব্য করেছেণ-
- কোনটি বঙ্কিমচন্দ্রের রচনা?
- অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।' উক্তিটির লেখক কে?
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?
- লেখক ও পাঠকের মধ্যে এখন স্কূল মাস্টার দন্ডায়মান এ কথাটি বলেছেন-
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং 1-4 নং প্রশ্নের উত্তর দাও: সূর্য যেন গনগনে চুল্লি । মাটি ফাটছে, শুকিয়ে আসছে জল। আকাশের অনন্ত থেকে ঝরে পড়ছে আগুনের হলকা। আবার ঝড়ের তাণ্ডবে খড়ের কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে সমস্ত উষ্ণতা। রুদ্র বৈশাখ। ‘ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল। তারই কাছে অনেকের প্রার্থনা, ‘এই প্রথম দিবসে রঙে রূপে জমে ওঠে আড়ং ও উৎসব।অনুচ্ছেদটির প্রথম বাক্যে ব্যবহৃত হয়েছে :
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং 1-4 নং প্রশ্নের উত্তর দাও: সূর্য যেন গনগনে চুল্লি । মাটি ফাটছে, শুকিয়ে আসছে জল। আকাশের অনন্ত থেকে ঝরে পড়ছে আগুনের হলকা। আবার ঝড়ের তাণ্ডবে খড়ের কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে সমস্ত উষ্ণতা। রুদ্র বৈশাখ। ‘ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল। তারই কাছে অনেকের প্রার্থনা, ‘এই প্রথম দিবসে রঙে রূপে জমে ওঠে আড়ং ও উৎসব।‘ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল।'- উক্তিটির রচয়িতা?
- বেগম রোকেয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ হচ্ছে-
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: যখন আমরা রাজকন্যা, রাজবধূরূপে প্রাসাদে থাকি, তখনও প্রভু-গৃহে থাকি। আবার যখন ঐ প্রাসাদতুল্য ত্রিতল অট্টালিকা ভূমিকম্পে চূর্ণ হয়, সোপান অতিক্রম করিয়া অবতরণ কালে আমাদের মাথা ভাঙ্গে, হাত পা ভাঙ্গে রক্তাক্ত কলেবরে হতজ্ঞান প্রায় অবস্থায় গোশালায় গিয়া আশ্রয় লই, তখনও অভিভাবকদের বাটীতে থাকি!! অথবা গৃহস্থের বৌ-ঝি রূপে প্রকাণ্ড আটচালায় বাস করিলেও প্রভুর আলয়ে থাকি; আর যখন চৈত্র মাসে ঘোর অমানিশীথে প্রভুর বাটীতে দুষ্টুলোক কর্তৃক লঙ্কাকাণ্ডের অভিনয় হয়, সব জিনিসপত্রসহ ঘরগুলি দাউদাউ করিয়া জ্বলিতে থাকে, আমরা একবসনে প্রাণটি হাতে করিয়া কোনোমতে দৌড়াইয়া গিয়া দূরস্থিত একটা কুলগাছতলে দাঁড়াইয়া কাঁপিতে থাকি, তখনও অভিভাবকের বাটীতে থাকি!!! ক. 'প্রভু-গৃহ' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? দুর্যোগ-দুর্ঘটনায়ও নারী প্রভু-গৃহে থাকতে বাধ্য হয় কেন? খ. 'লঙ্কাকাণ্ডে'র কথা কোন কাহিনিতে পাওয়া যায়? কীভাবে এই লঙ্কাকাণ্ড সংঘটিত হয়? গ. 'উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, অর্থদ্যোতকতা আছে।' ব্যাখ্যা কর এবং অনুচ্ছেদ থেকে উপসর্গযোগে গঠিত দুটি শব্দ লেখ। ঘ. শব্দার্থ লেখ: সোপান, কলেবর, অমানিশীথ, বসন। ঙ. 'গৃহ' শব্দের চারটি প্রতিশব্দ লেখ।
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং 1-4 নং প্রশ্নের উত্তর দাও: সূর্য যেন গনগনে চুল্লি । মাটি ফাটছে, শুকিয়ে আসছে জল। আকাশের অনন্ত থেকে ঝরে পড়ছে আগুনের হলকা। আবার ঝড়ের তাণ্ডবে খড়ের কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে সমস্ত উষ্ণতা। রুদ্র বৈশাখ। ‘ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল। তারই কাছে অনেকের প্রার্থনা, ‘এই প্রথম দিবসে রঙে রূপে জমে ওঠে আড়ং ও উৎসব।‘আড়ং' শব্দের অর্থ কী?