মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মানবদেহের মোট ইমিউনোগ্লোবিউলিনের ৭৫% হলো- 

A. IgG
B. IgM
C. IgA
D. IgE
Poster Download
RUUnit-FSet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অ্যান্টিবডির ভূমিকা (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. IgG
Explanation:

Another Explanation (5):

মানবদেহের ইমিউনোগ্লোবিউলিন IgG: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🧬🔬

IgG (ইমিউনোগ্লোবিউলিন জি) হলো মানবদেহের প্রধান অ্যান্টিবডি। এটি রক্তের সিরামে এবং অন্যান্য শারীরিক তরলে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। মানবদেহের মোট ইমিউনোগ্লোবিউলিনের প্রায় ৭৫% হলো IgG। এটি বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ থেকে আমাদের রক্ষা করে।🛡️

IgG এর গঠন 🧱

IgG একটি Y- আকৃতির প্রোটিন। এর প্রধান অংশগুলো হলো:

  • দুটি আইডেন্টিক্যাল হেভি চেইন (γ চেইন)
  • দুটি আইডেন্টিক্যাল লাইট চেইন (κ অথবা λ চেইন)
  • অ্যান্টিজেন বাইন্ডিং সাইট (Fab অঞ্চল): এই স্থানে অ্যান্টিজেন এসে যুক্ত হয়।
  • Fc অঞ্চল: এই অংশটি ইমিউন কোষের সাথে যোগাযোগ করে।

IgG এর প্রকারভেদ 🗂️

IgG এর চারটি সাবক্লাস রয়েছে:

  1. IgG1: এটি সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় এবং বিভিন্ন প্যাথোজেনের বিরুদ্ধে কাজ করে।
  2. IgG2: এটি পলিস্যাকারাইড অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে ভালো কাজ করে।
  3. IgG3: এটি শক্তিশালী ইনফ্ল্যামেটরি রেসপন্স তৈরি করে।
  4. IgG4: এটি অ্যালার্জির সাথে জড়িত।

IgG এর কাজ ⚙️

IgG আমাদের শরীরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে:

  • নিউট্রালাইজেশন: এটি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিষাক্ত প্রভাবকে নিষ্ক্রিয় করে। 🚫🦠
  • অপসোনাইজেশন: এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। 😋
  • কমপ্লিমেন্ট অ্যাক্টিভেশন: এটি কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমকে সক্রিয় করে প্যাথোজেন ধ্বংস করে।💥
  • অ্যান্টিবডি-নির্ভরশীল কোষীয় সাইটোটক্সিসিটি (ADCC): এটি NK কোষের মাধ্যমে সংক্রমিত কোষকে ধ্বংস করে। 🔪
  • প্লাসেন্টাল ট্রান্সফার: IgG মায়ের শরীর থেকে ভ্রূণে প্রবেশ করে নবজাতককে সুরক্ষা দেয়। 🤰➡️👶

IgG এর গুরুত্ব 🌟

বিষয় গুরুত্ব
সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং অন্যান্য প্যাথোজেন থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
রোগ নির্ণয় বিভিন্ন রোগের উপস্থিতি নির্ণয় করতে সাহায্য করে (যেমন: অটোইমিউন রোগ)।
থেরাপি মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি থেরাপিতে IgG ব্যবহার করা হয়।

IgG সম্পর্কিত কিছু মজার তথ্য 🤔

  • IgG একমাত্র অ্যান্টিবডি যা প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে।
  • IgG এর হাফ-লাইফ (half-life) প্রায় ২১ দিন, যা অন্যান্য অ্যান্টিবডির তুলনায় বেশি।
  • IgG অ্যান্টিবডি তৈরি হতে কয়েকদিন সময় লাগে, তাই এটি দেরিতে কাজ শুরু করে।

আশা করি, IgG সম্পর্কে এই আলোচনাটি তোমাদের ভালো লেগেছে। 👍📚 কোনো প্রশ্ন থাকলে জিজ্ঞাসা করতে পারো! 😊

Option A Explanation:
  • প্রচুর পরিমাণে উপস্থিতি: IgG হলো মানবদেহে সবচেয়ে সাধারণ ইম্যুনোগ্লোবুলিন, যা রক্তপ্রবাহে সর্বাধিক পাওয়া যায়।
  • অর্থবহ রোধক কার্যক্রম: এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, এবং টক্সিনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
  • অ্যান্টিবডি প্রকারভেদ: IgG বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডির মধ্যে এক, যা একাধিক ধরণের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রতিরোধের স্থায়িত্ব: এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম, যেমন ভ্যাকসিনের মাধ্যমে প্রাপ্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • প্রেরিত স্থান: এটি সাধারণত রক্তে বিদ্যমান থাকলেও, এটি ফ্যাট টিস্যু এবং অন্যান্য দেহের স্থানেও পাওয়া যায়।
Option B Explanation:
  • প্রথম প্রতিরোধক: IgM হলো শরীরের প্রথম প্রতিরোধক যা ইনফেকশন সংক্রান্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোতে দ্রুত তৈরি হয়।
  • সংগঠন: এটি সাধারণত রক্তের মধ্যে বৃহৎ আকারের একটি অ্যান্টিবডি, এবং এটি মূলত রক্তে এবং লিম্ফ নোডে বিদ্যমান।
  • প্রমাণিক পরিমাণ: শরীরের ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে IgM এর উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি, যা দ্রুত সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম।
  • উৎপাদনকারী কোষ: মূলত বি-সেল দ্বারা উৎপন্ন হয় যেখানে এটি প্রথমে সক্রিয় হয়।
Option C Explanation:
  • অবস্থান: IgA মূলত স্নায়ু সংবহন এবং শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: এটি শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি এবং স্নায়ু ঝিল্লিতে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, যেমন মূত্রনালী, শ্বাসনালী ও পেটের ঝিল্লিতে।
  • আকার: ছোট আকারের অ্যান্টিবডি, যা সহজে ঝিল্লির মাধ্যমে প্রবেশ করতে সক্ষম।
  • সংগ্রহের স্থান: সাধারণত মিউকাস ও স্নায়ু ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান, তবে শরীরের অন্যান্য অংশেও কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
Option D Explanation: ```html

IgE এর ব্যাখ্যা

  • অবস্থান: প্রধানত অ্যালার্জি প্রতিরোধ ও পরাগপ্রদূষণে ভূমিকা রাখে।
  • সংখ্যা: ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে তুলনামূলকভাবে খুবই কম পরিমাণে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: পরাগপ্রদূষণ, জীবাণু ও পরজীবীর বিরুদ্ধে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া ঘটানো।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: মূলত রেসপিরেটরি ও মিউকাস ঝিল্লিতে উপস্থিত থাকে এবং অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ার সময় ইমিউন রিসেপটর হিসেবে কাজ করে।
```