"নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিত্য-চন্ডাল
প্রভু, ক্রীতদাস!
সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;
সমগ্রে প্রকাশ!
নমি কৃষি-তন্তজীবী, স্থপতি, তক্ষক,
কর্ম চর্মকার! কত
রাজ্য কত রাজ গড়িছ নীরবে
হে পূজ্য, হে প্রিয়!
একত্বে বরেণ্য তুমি, শরণ্য এককে-
আত্মার আত্মীয়।"
উদ্দীপকের শেষ পংক্তি দুটি 'ঐকতান' কবিতার মূলসুরকে ধ্বনিত করে তোলে- বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'শামলা' শব্দটি পাওয়া যায় কোন রচনায় ?
- 'তুমি তো সব জান।' উক্তিটি কার?
- ‘যৌবনের গানে ‘কথিত 'নীল মঞ্জুষারমনি’র প্রাপ্তিস্থল
- লেখক এবং পাঠকের মধ্যে এখন স্কুলমাস্টার দণ্ডায়মান ।' এই উক্তি কে করেছেন ?
- কবির জন্মভূমির মতো এত সুন্দর ভূমি খুঁজে পাওয়া যাবে না কেন?
- নিম্নে উদ্ধৃত কাব্যপক্তিগুলোর কোনটি শুদ্ধ?
- ‘জাহান্নম হইতে বিদায়’ শওকত ওসমান রচিত একটি-
- ‘স্বল্পপ্রাণ, স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ।’-কোন প্রবন্ধের অংশ?
- মানুষ মানুষের জন্যজীবন জীবনের জন্যএকটু সহানুভূতি কিমানুষ পেতে পারে না?উক্ত ভাবকে ধারণ করতে প্রয়োজন- উদারতাউদাসীনতাসংবেদনশীলতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'এবার ফিরাও মোরে' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিসত্তাকে আহ্বান করেছিলেন দারিদ্রপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শক্তির উদ্বোধন ঘটাবার জন্য। তিনি এতে বলেছেন, যারা দরিদ্র, তারা বংশ পরম্পরায় দারিদ্র্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। তাদের মুখের অন্ন কেউ কেড়ে নিলেও তারা থাকে মুক ও ভীতসন্ত্রস্ত। প্রতিবাদ করা তো দূরের কথা, সবিনয়ে নালিশের ভাষাও যেনো এদের নেই। স্বয়ং বিধাতাও যেনো এদের প্রতি বিমুখ। কবি বলেছেন যে এদের মুখে দিতে হবে ভাষা।উদ্দীপকে বর্ণিত কবির আহ্বান 'ঐকতান' কবিতায় কতটা প্রতিফলিত হয়েছে?
- রেদওয়ান তরুণ প্রতিভাবান কবি-সাহিত্যিক হিসেবে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছে। যদিও আর্থিক অনটনের মধ্য দিয়ে সে জীবন-যাপন করছে, তবু সে কখনো নিজেকে দরিদ্র মনে করে না। কেননা সে জানে, তার চিন্তা-চেতনার রাজ্যে সে নিজেই সম্রাট । আপন চেতনালোকে সে লালন করে ভিন্ন এক পৃথিবী; যেখানে রূপ-সৌন্দর্য ও মাধুর্যে সে হয় অভিভূত। আর সেই রূপ- সৌন্দর্য এবং মাধুর্যেই তরুণ কবি রেদওয়ান সৃষ্টি করে তার প্রতিটি কবিতা।"উদ্দীপকটিতে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে তা 'লোক-লোকান্তর' কবিতার সার্বিক বিষয় নয়"- যুক্তিপূর্ণ মতামত দিয়ে বুঝিয়ে দাও।
- 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতাটি রূপসীর নাম কী?
- গাজী মিয়ার বস্তানী' কি ধরনের রচনা?
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের পটভূমি কী?
- বাংলার নিসর্গ প্রকৃতি এর মাঠ-ঘাট, মানুষ অতুলনীয় এবং বিশেষ আবেদনময়। যে জন এই নিসর্গ প্রকৃতি থেকে নগরের আহ্বানে সেখানে স্থায়ী বসতি গড়েন, তাকেও তার এক কালের পল্লি প্রকৃতি বারবার আকর্ষণ করে; ষড়ঋতু তার মনে আবেগের রংধনু তোলে। এর শাশ্বত কারণ হলো, মানুষ স্বভাবতই তার নিজ ভূমের প্রতি ঋণী।"প্রকৃতির চিত্র উপস্থাপনে উদ্দীপকের সাথে- জীবনানন্দ দাশ সমান পারঙ্গম।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- ছনু মিয়া তার বড়ো পরিবারের ভরণপোষণ করতে না পেরেমিথ্যার আশ্রয় নেয়। একদিন রাতে সে তার বাড়ির সামনেএকটি সাইনবোর্ড টাঙ্গায়। সেখানে লেখা থাকে যে, সেস্বপ্নে অলৌকিক ক্ষমতা পেয়েছে এবং এর দ্বারা যাবতীয়সমস্যার সমাধান করা হয়।উদ্দীপকটি নিচের কোন রচনার সাথে অধিকতরসাদৃশ্যপূর্ণ—
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' গল্পের মূল বিষয়বস্তু-
- 'সাম্যবাদী ' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ‘আগুন পাখি’– উপন্যাসটির রচয়িতা কে?