আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী জনগণের
ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালায়। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়, মা-
বোনদের সম্ভ্রমহানি করে এবং ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়।
উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দিকটিকে ধারণ করে?
A.
নবাব বাহিনীর কর্মকাণ্ড
B.
মিরজাফরের কুটিলতা
C.
ঘসেটি বেগমের কুটিলতা
D.
ইংরেজদের বর্বরতা
সঠিক উত্তরঃ
D.
ইংরেজদের বর্বরতা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'ইনি কি নবাব না ফকির?'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজের শ্বশুরের নাম কী?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তখন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন মোনায়েম খাঁ। বাঙালি হয়েও তিনি স্বদেশ ও স্বজাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তার সাথে নানা অপতৎপরতায় যুক্ত হয় এ দেশের কিছু দালাল-দোসর। মোনায়েম খাঁ ও তার সহযোগী কুলাঙ্গারদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় হানাদার বাহিনী লাখ লাখ দেশপ্রেমিক বাঙালিকে হত্যা করে।তুমি কী মনে কর উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিষয়বস্তুর প্রতিফলন ঘটেছে? যুক্তিসহ ব্যাখ্যা কর।
- মোহাম্মদী বেগ কত টাকার বিনিময়ে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিল?
- বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা মহাকালের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে বাঙালিরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং বাংলার স্বপ্নের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনেন। রাজনীতির মহাকবি বঙ্গবন্ধু সুখী-সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আজীবন কাজ করে গেছেন। অথচ এই দেশেরই মানুষরূপী নরপশু-হায়েনার দল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করে।উদ্দীপকের নরপশু-হায়েনার দল 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?- ব্যাখ্যা কর।
- নবাব সিরাজ রাজধানীতে ফিরে আসতে চেয়েছেন কেন?
- 'রজার ড্রেক প্রাণ ভয়ে কুকুরের মতো ল্যাজ গুটিয়ে পালিয়েছে'- ব্যাখ্যা করো।
- 'শুভ কাজে অথবা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়'- উক্তিটি
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের সময়কাল কত?
- একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশজুড়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন, নির্যাতনের মধ্যদিয়ে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই বাংলাদেশ নিয়ে নিউইয়র্কে ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয় অবিস্মরণীয় সংগীত সন্ধ্যা। উদ্যোক্তা ও শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জর্জ হ্যারিসন ও পণ্ডিত রবিশঙ্কর। 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' নামক এই অনুষ্ঠান থেকে সংগৃহীত বিপুল অর্থ বাংলাদেশের জন্য ইউনিসেফের শিশু সাহায্য তহবিলে তাঁরা দান করেন।উদ্দীপকের জর্জ হ্যারিসন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন বিদেশি চরিত্রের সাথে তুলনীয়? কেন?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজউদ্দৌলার উপস্থিতিআছে কয়টি দৃশ্যে?
- স্বার্থের কারণে তমাল সাহেবের জীবনের চরম বিপর্যয়ের সময়স্ত্রী-পুত্র-কন্যা দূরে সরে গেল, অথচ বিশ্বস্ত ভৃত্য আনোয়ারজীবন দিয়ে হলেও তমাল সাহেবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারশপথ নেয়।উদ্দীপকের আনোয়ার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের অনুরূপ ?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- উক্তিটি কার?
- ব্যস্ত শহরের তিনমাথায় হঠাৎ করে একজন লোককে লক্ষ করা যায়। সে নানা ধরনের রঙিন পাথর নিয়ে বসে আছে। তাঁর ভাষ্যমতে, এগুলো সে স্বপ্নে পেয়েছে। এ সব পাথর শরীরে ধারণ করলে সকলের সমস্ত রোগ ভালো হয়ে যাবে। শহরের অনেকেই সরল বিশ্বাসে সেগুলো টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আর এদিকে লোকটার আয়ও দিনে দিনে বেড়ে যেতে থাকে। লোকজন এখন তাকে পাথরবাবা বলে ডাকে।উদ্দীপকের পাথরবাবা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।"উদ্দীপকের মুকিম সাহেব এবং নবাব সিরাজের করুণ পরিণতি একই সূত্রে গ্রথিত।" উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
- স্বাধীনতা স্পর্শমণি সবাই ভালোবাসে,সুখের আলো জ্বালে বুকে দুঃখের ছায়া নাশে।স্বাধীনতা সোনার কাঠি খোদার সুধা-দান,স্পর্শে তাহার নেচে উঠে শূন্য দেহে প্রাণ।মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায় পশুর হৃদয় তলে,বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায় ভীরু স্বাধীনতার বলে।দর্প করে পদানত উচ্চ করে শির,শক্তিহীনেও স্বাধীনতা আখ্যাদানে বীর।উদ্দীপকের 'মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায়, পশুর হৃদয়তলে" চরণটিতে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দৃশ্যের বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- রুনু ও ঝুনু দু'বোন। রুনুর দুই সন্তান। ঝুনুর কোনো সন্তান নেই। তাই ঝুনু রুনুর সন্তানদের মাতৃস্নেহে বড় করে। কিন্তু এ স্নেহ বেশিদিন স্থায়ী লাভ করে না। কারণ রুনু-ঝুনুর বাবা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি রুনুর দুই সন্তানকে উইল করে দেন। এতে ঝুনু মনঃকষ্ট নিয়ে বলে, আগে জানলে রুনুর সন্তানদের ছোটবেলায় মেরে ফেলতাম।উদ্দীপকের ঝুনুর সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে? বুঝিয়ে লেখো।
- 'গ্রিনরুম' মানে কী?
- দশ গ্রামের মাতব্বর আশরাদ চৌধুরী নিঃসন্তান না হলেও কোনো পুত্রসন্তান নেই। বিত্তশালী চৌধুরী সাহেব তাই সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী করেন ভাইপো সজলকে। এতে ক্ষিপ্ত হয় তার অন্যান্য ওয়ারিশরা। চৌধুরী সাহেব সকলকে বোঝাতে পারলেও জামাতা আসমত সাহেবকে কোনোভাবে বোঝাতে পারেনি। তিনি শ্বশুরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।উদ্দীপকের আসমত সাহেব 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।"উদ্দীপকের দ্বিতীয় লাইনটি যেন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমকে ইঙ্গিত করছে"- মন্তব্যটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে।'- বুঝিয়ে দাও।
- "কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ মিরমর্দান।"- কার উক্তিটি, কেন করেছিল?
- মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।'বিশ্বাসঘাতকতাই রাবণ ও সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।'-'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
- ‘সাজাহান’ নাটকের প্রথম রচয়িতা কে?
- ঐতিহাসিক পলাশি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে অঙ্ক সংখ্যা কত?
- নীলকর ইংরেজদের বাঙালি সহযোগী আমিন ইয়েস-নো-ভেরি গুড়জাতীয় ইংরেজি শিখে নিজেকে নীলকরদের সগোত্রীয় প্রমাণ করার জন্যনীলচাষিদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের উপায় বাতলে দেয়। নির্যাতনঅসহনীয় হয়ে উঠলে প্রতিশোধ ছাড়া উপায় থাকে না বাঙালি চাষিদের।উদ্দীপকের আমিন ও 'রেইনকোট' গল্পের ইসহাক মিয়ারসাদৃশ্য—ভাষা ব্যবহারে বিদেশি প্রীতিতে নির্যাতনে সহযোগিতায় নিচের কোনটি সঠিক?
- আলিনগরের সন্ধি কত সালে করা হয়?
- কালাম ভাড়া করা বাড়িতে বসবাস করে। দীর্ঘদিন একবাড়িতে থাকার সুবাদে বাড়িওয়ালা আনোয়ারের সাথেসুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। আনোয়ারের চাচাত ভাই জামিলসম্পত্তির লোভে আনোয়ারকে হত্যা করতে উদ্যত হয়।জামিলের এ তৎপরতা অন্যায় জেনে বাধা দেয় কালাম।অবশেষে জামিলের হাতে নিহত হয় কালাম ।উদ্দীপকের কালামের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রকে তুলনা করা যায়?
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- ব্যাখ্যা করো।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'শাজাহান।' পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট শাহজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটিকে শ্রেষ্ঠ ট্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট শাহজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'শাজাহান।'বিষয়বস্তুর দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- স্বার্থপর 'ক্লডিয়াস রানির সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজাহ্যামলেটকে হত্যা করে।'— উক্ত বাক্যে রাজা হ্যামলেটের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- কত সালে আলিনগরের সন্ধি চুক্তি সম্পাদিত হয়?
- "ওর কাছে সব কিছুই যেন বড় রকেরম জুয়ো খেলা'- কার কাছে, কেন?
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহাধনবান,অসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান।……………………………………………হউক বীরেন্দ্র সে যেন রোস্তমশত শত দাস তার সেবুক চরণকরুক স্তাবকদল স্তব সংকীর্তন।কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমি হিত,স্বজাতির সেবা যে করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সত্বরঅতীব ঘৃণিত সে পাষণ্ড বর্বর।"উদ্দীপকের মূলভাব 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাবের জন্য প্রযোজ্য নয়"- ব্যাখ্যা করো।
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপোষহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষণকারী, স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ সর্বোপরি ১৯৭১ সনে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর সঠিক নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলাদেশ' নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানিদের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।"উদ্দীপকের শেখ মুজিবুর রহমান এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলা দু'জনেই দেশপ্রেমী এবং নির্মম ষড়যন্ত্রের শিকার"- উক্তিটির তাৎপর্য বিচার করো।
- "শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়"- ব্যাখ্যা করো।
- "আপনার দুঃসাহসের সীমা নেই। আমার প্রাসাদে কার অনুমতিতে আপনি প্রবেশ করেছেন?" ব্যাখ্যা কর।
- 'তুমিও আমাকে বিচার করতে বসলে?'- কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে? সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপটি কার?