জীব বিলুপ্তির কারণ-
Dentalজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনজীববৈচিত্র্য - সংরক্ষণ, বিলুপ্তি ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
এক্সোটিক ও বিদেশি প্রজাতির অনুপ্রবেশ
Another Explanation (5): জীব বিলুপ্তির অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো এক্সোটিক ও বিদেশি প্রজাতির অনুপ্রবেশ। এর ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশে পরিবর্তন ঘটে যা স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। নিচে এর কারণগুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:
- প্রাকৃতিক সমতা ভঙ্গ: বিদেশি প্রজাতিগুলি যখন নতুন পরিবেশে প্রবেশ করে, তখন তারা প্রাকৃতিক সমতা বা ইকোসিস্টেমের স্বাভাবিক ভারসাম্য ভেঙে দিতে পারে।
- প্রতিযোগিতা সৃষ্টি: বিদেশি প্রজাতিগুলি স্থানীয় জীবের জন্য খাদ্য, বাসস্থান ইত্যাদি প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে, যা স্থানীয় প্রজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
- আক্রান্তি ও রোগের প্রবর্তন: বিদেশি প্রজাতির মাধ্যমে নতুন রোগ ছড়িয়ে পড়ে, যা স্থানীয় জীবের জন্য মারাত্মক হতে পারে।
- প্রজননের সমস্যা: বিদেশি প্রজাতির সঙ্গে স্থানীয় প্রজাতির প্রজনন বন্ধ হয়ে যায়, ফলে প্রজাতির সংখ্যা কমে যায় বা বিলুপ্তির মুখে পড়ে।
- প্রাকৃতিক বাসস্থান ধ্বংস: বিদেশি প্রজাতির আগমন সাধারণত মানবসৃষ্ট পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে ঘটে, যা প্রাকৃতিক বাসস্থান ধ্বংসের কারণ হয়।
Option A Explanation:
- জৈবিক সম্পদের ব্যবহার না করা: এটি জীবের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বাসস্থান সংরক্ষণে অবদান রাখে না।
- প্রাকৃতিক বাসস্থান ধ্বংস বা ক্ষতি হওয়ার কারণে বিভিন্ন প্রজাতি জীবনধারার জন্য অপ্রতুল হয়ে পড়ে।
- জৈবিক সম্পদ যেমন গাছ, প্রাণি, পাখি ইত্যাদি প্রাকৃতিক খাদ্য চক্রের অংশ, যা পরিবেশের সামঞ্জস্য রক্ষা করে।
- এই সম্পদের ব্যবহার না করার ফলে খাদ্য চক্র ভেঙে যায়, এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাস পায়।
- প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় বা অবহেলা জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
Option B Explanation:
- এক্সোটিক ও বিদেশি প্রজাতির অনুপ্রবেশ: এটি তখন ঘটে যখন নতুন প্রজাতি ব্যবস্থায় প্রবেশ করে, যা প্রাকৃতিক বাসস্থান ও স্থানীয় প্রজাতির জন্য হুমকি সৃষ্টি করে।
- এই প্রজাতিগুলি সাধারণত মানবসৃষ্ট কারণে পরিবেশে প্রবেশ করে, যেমনঃ আমদানি বা পরিযান দ্বারা।
- এটি স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট করে, প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য কমে যায় এবং জীববৈচিত্র্যের বিলুপ্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
- উদাহরণস্বরূপ, বিদেশি মাছ বা উদ্ভিদ প্রজাতি স্থানীয় পরিবেশে ছড়িয়ে পড়লে, তাদের কারণে স্থানীয় প্রজাতির সংকোচন বা বিলুপ্তি হতে পারে।
Option C Explanation:
পরিকল্পিত অবকাঠামো স্থাপন না করার কারণে জীববিলুপ্তির কারণসমূহ
- প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি: পরিকল্পিত অবকাঠামো না থাকায় প্রাকৃতিক বাসস্থানের ক্ষতি হয়, যা জীববৈচিত্র্য হ্রাস করে।
- বন্যপ্রাণীর জীবনযাত্রার ব্যাঘাত: অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজের ফলে প্রাণীদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
- প্রজনন ও খাদ্য সরবরাহের সমস্যা: পরিকল্পিত পরিকল্পনা না থাকায় খাদ্য ও প্রজননের উপযোগী আবাসস্থল ধ্বংস হয়, যা প্রজাতির অবনতি ঘটায়।
- প্রদূষণ বৃদ্ধি: অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও উন্নয়নজনিত কারণে পরিবেশে দূষণের মাত্রা বাড়ে, যা জীবের জন্য ক্ষতিকর।
- প্রাকৃতিক ভারসাম্য ক্ষুণ্ণ হয়: অপরিকল্পিত নির্মাণের ফলে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা জীববৈচিত্র্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।
Option D Explanation:
- পলিকালচার: পলিকালচার হলো এক ধরনের কৃষি প্রযুক্তি যেখানে বিভিন্ন ধরনের ফসল একসাথে একই জমিতে চাষ করা হয়। এটি মূলত পরিবেশের উপর কম প্রভাব ফেলে ও কৃষির টেকসই উন্নয়নে সহায়ক। তবে, ভুল ব্যবহারে বা অপ্রতুল পরিকল্পনার কারণে পরিবেশের ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে, যা জীববৈচিত্র্য ক্ষয় ও জীব বিলুপ্তির কারণ হতে পারে।