কোনটি প্রাককেন্দ্রিক জীব?
সঠিক উত্তরঃ
D.
মাইকোপ্লাজমা
Explanation:

Another Explanation (5):
প্রাককেন্দ্রিক জীব: মাইকোপ্লাজমা 🦠🔬
প্রাককেন্দ্রিক জীব (Prokaryotes) কী? 🤔
প্রাককেন্দ্রিক জীব হলো সেইসব জীব যাদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস (পরিপূর্ণ নিউক্লিয়ার মেমব্রেন দ্বারা বেষ্টিত) এবং অন্যান্য জটিল অঙ্গাণু (যেমন মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি) অনুপস্থিত। এদের জেনেটিক উপাদান সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে।মাইকোপ্লাজমা: একটি ব্যতিক্রমী প্রাককেন্দ্রিক জীব 🌟
মাইকোপ্লাজমা হলো ব্যাকটেরিয়া জগতের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতম প্রাককোষী জীব। এদের কিছু বৈশিষ্ট্য অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া থেকে আলাদা করে তোলে:- কোষ প্রাচীর নেই 🚫🧱: অন্যান্য ব্যাকটেরিয়ার মতো এদের কোষ প্রাচীর (cell wall) থাকে না।
- ক্ষুদ্র আকার 🤏: এটি খুবই ছোট, প্রায় 0.1 থেকে 1.0 মাইক্রোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- বহুরূপী 🤡: কোষ প্রাচীর না থাকার কারণে এদের কোনো নির্দিষ্?? আকার নেই।
- পরজীবী паразиты: মাইকোপ্লাজমা সাধারণত মানুষ, পশু ও উদ্ভিদের দেহে পরজীবী হিসেবে বাস করে।
মাইকোপ্লাজমার বৈশিষ্ট্যসমূহ: তালিকা আকারে 📝
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| কোষের ধরন | প্রাককেন্দ্রিক (Prokaryotic) |
| কোষ প্রাচীর | অনুপস্থিত ❌ |
| আকার | খুবই ছোট (0.1 - 1.0 µm) |
| আকৃতি | বহুরূপী (Pleomorphic) |
| রিপ্রোডাকশন | দ্বিবিভাজন (Binary fission) |
| বাসস্থান | মানুষ, পশু, উদ্ভিদ (পরজীবী) 🐾🌱🧑 |
| গুরুত্ব | রোগ সৃষ্টিকারী (Pathogenic) 🤒 |
মাইকোপ্লাজমার গুরুত্ব 💡
মাইকোপ্লাজমা বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে, যেমন:- নিউমোনিয়া (Pneumonia) 🫁
- আর্থ্রাইটিস (Arthritis) 🦴
- মূত্রনালীর সংক্রমণ (Urinary tract infections) 🚽
আরও কিছু তথ্য ➕
মাইকোপ্লাজমাকে কালচার করা বেশ কঠিন, কারণ এদের কোষ প্রাচীর না থাকাতে এরা সহজেই ভেঙে যেতে পারে। এদের বৃদ্ধি এবং সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ ধরনের মিডিয়ার প্রয়োজন হয়।
আশা করি, মাইকোপ্লাজমা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। Happy learning! 😊📚
Option A Explanation:
ইস্টের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- প্রকার: এককোষী (ইস্ট কেবলমাত্র এককোষী)
- অঙ্গপ্রতিষ্ঠান: সাধারণত ইউক্যারিওটিক (নন-প্রোক্যারিওটিক)
- অভ্যন্তরীণ বিভাজন: সাধারণত অ্যামাইটোসিস বা মাইটোসিসের মাধ্যমে কোষ বিভাজন হয়
- সাধারণতঃ: গ্লুকোজের মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন করে এবং বিভিন্ন এনজাইম ও প্রোটিন উৎপাদন করে
Option B Explanation:
অ্যামিবা সম্পর্কে বিস্তারিত
- প্রজাতি: অ্যামিবা (Amoeba)
- ত্রিস্তরী: হ্যাঁ, অ্যামিবা ত্রিস্তরী (প্রথম, মধ্যম, এবং বাহ্যিক স্তর) প্রাণী হিসেবে বিবেচিত
- অবস্থান: সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়
- প্রজনন: সাধারণত অঙ্গপ্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে বিভাজন (সেল ডিভিশন)
- উপাদান: একক কোষবিশিষ্ট এবং বিভিন্ন ধরনের জীবজনিত কার্য সম্পাদন করতে সক্ষম
- নির্মাণ: সহজতর অঙ্গপ্রতিও নেই, তবে কোষের ভিতরে বিভিন্ন অংশ থাকে যেমন নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম ইত্যাদি
Option C Explanation:
- প্লাজমোডিয়াম: এটি একপ্রকার প্রাককেন্দ্রিক জীব, যা মূলত অণুজীবের একটি অংশ।
- অন্য নাম: প্রাককেন্দ্রিক জীবের মধ্যে অন্যতম, যা পরজীবী হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন প্রকার রোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম।
- বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত একটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতো কাজ করে, যা জীবিত কোষের বাইরে থেকে খাদ্য শোষণ করে এবং বিভিন্ন ধরনের রোগের কারণ হতে পারে।
- উপস্থিতি: এটি সাধারণত বিভিন্ন জীবের শরীরে পরজীবী হিসেবে দেখা যায়, যেমন সংক্রামক রোগের কারণ হিসেবে।
Option D Explanation:
- মাইকোপ্লাজমা: এটি একটি ছোট আকারের ব্যাকটেরিয়া-সদৃশ জীব যা প্রাককেন্দ্রিক জীব হিসেবে বিবেচিত।
- প্রাককেন্দ্রিক জীবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে কিন্তু নিউক্লিয়াস বা অন্য কোনও জটিল পরিপাক ব্যবস্থা নেই।
- এটি মূলত এককোষী জীব, যা সাধারণত এক ধরনের জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন করে।