ভাজক কলার কোষের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
PSTUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রটিস্যু ও টিস্যুতন্ত্রভাজক টিস্যু (Topic Practice)PSTU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
আন্তকোষীয় ফাঁক বিহীন
Explanation:
Ans: C
Another Explanation (5): ```html
ভাজক কলার কোষের বৈশিষ্ট্য: আন্তকোষীয় ফাঁক বিহীন 🔬
ভাজক কলা উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম এবং নতুন কোষ তৈরি করে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ঘটায়। এই কোষগুলোর কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা এদেরকে অন্যান্য কোষ থেকে আলাদা করে। নিচে ভাজক কলার কোষের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:
ভাজক কলার কোষের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- কোষের আকার ও আকৃতি:
- কোষগুলো সাধারণত ছোট এবং গোলাকার, ডিম্বাকৃতির বা বহুভুজাকার হয়ে থাকে। 📏
- কোষ প্রাচীর:
- কোষ প্রাচীর পাতলা সেলুলোজ দিয়ে গঠিত। 🌿
- প্রাচীর পাতলা হওয়ায় কোষ বিভাজনে সুবিধা হয়।
- সাইটোপ্লাজম:
- কোষে ঘন সাইটোপ্লাজম বিদ্যমান। 🧬
- সাইটোপ্লাজমে প্রচুর পরিমাণে রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং অন্যান্য কোষীয় অঙ্গাণু থাকে।
- নিউক্লিয়াস:
- নিউক্লিয়াসটি আকারে বড় এবং স্পষ্ট। 🧫
- নিউক্লিয়াসের ক্রোমাটিন জালিকা সুস্পষ্ট।
- আন্তঃকোষীয় ফাঁক:
- আন্তঃকোষীয় ফাঁক অনুপস্থিত। 🚫 কোষগুলো একে অপরের সাথে খুবClose proximity-তে লেগে থাকে, ফলে কোনো ফাঁকা স্থান থাকে না।
- এই বৈশিষ্ট্যটি ভাজক কলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
- কোষ বিভাজন:
- ভাজক কলার কোষগুলো মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় দ্রুত বিভাজিত হতে সক্ষম। ➗
- এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশে সহায়তা করে।
বৈশিষ্ট্যগুলোর সারসংক্??েপ ছকে:
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| আকার | ছোট, গোলাকার/ডিম্বাকৃতি/বহুভুজাকার |
| কোষ প্রাচীর | পাতলা সেলুলোজ নির্মিত |
| সাইটোপ্লাজম | ঘন, রাইবোসোম ও অন্যান্য অঙ্গাণু সমৃদ্ধ |
| নিউক্লিয়াস | বড় এবং স্পষ্ট |
| আন্তঃকোষীয় ফাঁক | অনুপস্থিত ❌ |
| কোষ বিভাজন | মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজনক্ষম |
উপসংহার: ভাজক কলার কোষগুলো উদ্ভিদের জীবনচক্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আন্তঃকোষীয় ফাঁক বিহীন বৈশিষ্ট্য এদেরকে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ রাখে এবং দ্রুত বিভাজনে সাহায্য করে। 🌱
```Option A Explanation:
- কোষ প্রাচীর পুরু: এই বৈশিষ্ট্যটি সাধারণত ভাজক কোষে দেখা যায় যেখানে তাদের কোষ প্রাচীর অন্যান্য জীবাণুর তুলনায় অনেক বেশি পুরু।
- প্রাচীরের পুরুত্বের কারণে ভাজক কোষের গঠন শক্তিশালী হয় এবং তারা পরিবেশের থেকে নিরাপদ থাকে।
- এটি তাদের শারীরিক স্থিতিশীলতা বাড়ায় এবং রক্ষণাবেক্ষণে সহায়ক হয়।
- পুরু কোষ প্রাচীর তাদের নির্দিষ্ট আকার ও আকার বজায় রাখতে সাহায্য করে।
Option B Explanation:
- বিভাজনে অক্ষম বলতে বোঝায় যে, এই কোষগুলো সাধারণত নতুন কোষে বিভাজিত হতে পারে না বা খুবই কম বিভাজিত হয়।
- এটি সাধারণত স্থিতিস্থাপক বা স্থির কোষের বৈশিষ্ট্য, যা গঠিত হয় স্থির অবস্থায় থাকাকালীন।
- বিভাজনে অক্ষম কোষের উদাহরণ হলো প্রৌঢ় বা পূর্ণবয়স্ক কোষ, যেমন নির্দিষ্ট ধরনের পেশী কোষ বা নার্সিং কোষ।
- এটি কোষের জীবনচক্রের এক পর্যায়ে দেখা যায় যখন কোষ আর নতুন কোষ তৈরি করে না, বরং তার কার্যকলাপ চালিয়ে যায়।
- বিভাজনে অক্ষম কোষের উপস্থিতি কোষের পুনরুৎপাদন বা বৃদ্ধি প্রক্রিয়াকে সীমিত করে, যা টিস্যু বা অঙ্গের পুনর্নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
Option C Explanation:
আন্তকোষীয় ফাঁক বিহীন
আন্তকোষীয় ফাঁক বিহীন
- অন্তকোষীয় ফাঁক হলো কোষের মধ্যে যে স্থানটি অন্যান্য কোষের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- ভাজক কলার কোষের ক্ষেত্রে, এই ফাঁকগুলি থাকে না, অর্থাৎ কোষগুলি একে অন্যের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে।
- এটি কোষের শক্তি ও গঠনকে দৃঢ় করে তোলে এবং কোষের মধ্যে তরলের বিনিময় কম করে দেয়।
- অন্তকোষীয় ফাঁক বিহীন বৈশিষ্ট্যটি ভাজক কলার কোষের স্থিতিস্থাপকতা ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে।
- এটি সাধারণত ভাজক কলার কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, যা তাদের গঠন ও কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।
Option D Explanation:
- কোষ গহবর বিহীন: এই বৈশিষ্ট্যটি নির্দেশ করে যে ভাজক কলার কোষের মধ্যে কোনও বিশিষ্ট কোষ গহবর বা সিলিন্ডার নেই।
- এটি সাধারণত এই কোষগুলির জন্য সত্য, যেখানে কোষের অভ্যন্তরে সুষম এবং সরল গঠন থাকে।
- কোষের অভ্যন্তরে গহবর বা জটিল কাঠামো না থাকার কারণে তাদের গঠন সাধারণত সরল এবং স্থিতিশীল।