কোনটি মানুষের দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা পদ্ধতি নয়?
JUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাদ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
সবগুলো
Explanation: মানুষের দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত সবগুলোই নয়। সঠিক উত্তর: Option B। নোট: দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা পদ্ধতিতে জ্বর, প্রদাহ, এবং সহজাত মারণকোষ অন্তর্ভুক্ত, তবে একসাথে এদের 'সবগুলো' বলতে ভুল বোঝানো হতে পারে।
Another Explanation (5): ```html
মানুষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: দ্বিতীয় ধাপ 🛡️
আমাদের শরীরকে রোগজীবাণুর হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সদা প্রস্তুত। এটি মূলত দুই ধাপে কাজ করে। প্রথম ধাপে কিছু সাধারণ সুরক্ষা থাকে, যা জন্মগতভাবে আমরা পেয়ে থাকি। আর দ্বিতীয় ধাপে, শরীর কোনো নির্দিষ্ট রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। নিচে দ্বিতীয় ধাপের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশগুলো আলোচনা করা হলো:
দ্বিতীয় ধাপের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপাদানসমূহ:
- ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis): 🦠+ ➡️ 🍔 কোষ কর্তৃক রোগজীবাণু ভক্ষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। যেমন: ম্যাক্রোফেজ (Macrophages) এবং নিউট্রোফিল (Neutrophils)।
- প্রদাহ (Inflammation): শরীরের কোনো অংশে আঘাত বা সংক্রমণ হলে সেখানকার রক্তনালী প্রসারিত হয়, রক্ত প্রবাহ বাড়ে এবং শ্বেত রক্তকণিকা সেখানে জমা হয়ে জীবাণু ধ্বংস করে। 🔴🔥
- জ্বর (Fever): শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি অনেক রোগজীবাণুর বৃদ্ধি ব্যাহত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 🌡️🤒
- অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রোটিন (Antimicrobial Proteins): কিছু বিশেষ প্রোটিন রোগজীবাণুকে সরাসরি আক্রমণ করে বা তাদের বিস্তার রোধ করে। যেমন: ইন্টারফেরন (Interferon)। 🧪🔬
- ন্যাচারাল কিলার সেল (Natural Killer Cells): এই কোষগুলো ভাইরাস আক্রান্ত কোষ এবং ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করে। 🔪 cells
সারণি: দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যাবলী
| উপাদান | কার্যকারিতা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| ফ্যাগোসাইটোসিস | জীবাণু ভক্ষণ ও ধ্বংস 🍔 | ম্যাক্রোফেজ, নিউট্রোফিল |
| প্রদাহ | ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি ও জীবাণু ধ্বংস 🩸 | ফোলা, লাল হওয়া, ব্যথা |
| জ্বর | জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ ও প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি 🔥 | ভাইরাস সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ |
| অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রোটিন | জীবাণু ধ্বংস বা বিস্তার রোধ 🧬 | ইন্টারফেরন |
| ন্যাচারাল কিলার সেল | ভাইরাস ও ক্যান্সার কোষ ধ্বংস 🧫 | ভাইরাস আক্রান্ত কোষ |
"সবগুলো" কেন সঠিক উত্তর? 🤔
প্রশ্নটি ছিল, "নিচের কোনটি মানুষের দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা পদ্ধতি নয়?" যেহেতু ফ্যাগোসাইটোসিস, প্রদাহ, জ্বর, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রোটিন এবং ন্যাচারাল কিলার সেল - সবগুলোই দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ, তাই "সবগুলো" অপশনটি সঠিক। কারণ এর মধ্যে একটিও বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। 💯
আশা করি, মানুষের দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। সুস্থ থাকুন! 💖
```Option A Explanation:
- অবস্থার প্রতিক্রিয়া: জ্বর শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রদর্শনী, যেখানে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শরীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে।
- সংক্রমণের লক্ষণ: সাইনোসাইটিসে সংক্রমণের কারণে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যা সাধারণত জ্বরের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
- সংক্রমণের ধরন: ব্যাকটেরিয়াল বা ভাইরাল সংক্রমণে জ্বর দেখা যেতে পারে, যা রোগের তীব্রতা নির্দেশ করে।
- সাধারণ উপসর্গ: জ্বরের সাথে অন্যান্য উপসর্গ যেমন মাথা ব্যাথা, কাশি ও নাক দিয়ে জল পড়া দেখা যায়।
Option B Explanation:
- Vitamin B Complex: ই. coli প্রজাতি কিছু ভিটামিন উৎপন্ন করতে সক্ষম, যেমন বিভিন্ন B ভিটামিন (B1, B2, B6, B12), যা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- Vitamin C: সাধারণত ই. coli দ্বারা ভিটামিন C (অ্যাকটিভিসন) উৎপন্ন হয় না, তবে কিছু স্ট্রেইন কিছুটা উৎপন্ন করতে পারে বলে মত রয়েছে।
- Vitamin K: অনেক ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে ই. coli, ভিটামিন K উৎপন্ন করে, যা রক্তের জমাট বাঁধা প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
সহজাত মারণকোষ (Natural Killer Cells) সম্পর্কে ব্যাখ্যা
- প্রকার: এটি একটি বিশেষ ধরণের শ্বেত রক্তকোষ (White Blood Cell) যা স্বাভাবিকভাবে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মূল কাজ: শরীরের ভিতরে অনুপ্রবেশকারী ভাইরাস সংক্রমিত কোষ বা ক্যান্সার কোষকে চিহ্নিত করে এবং ধ্বংস করে দেয়।
- প্রতিরক্ষা প্রক্রিয়া: তারা সাধারণত অপ্রত্যক্ষভাবে কোষের উপর আঘাত করে বা বিষাক্ত পদার্থ নিঃসরণ করে, যা লক্ষিত কোষের মৃত্যু ঘটায়।
- অন্য নাম: এদের অন্য নাম "প্রাকৃতিক হত্যা কোষ" (Natural Killer Cells) বা NK Cells বলা হয়।
- প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা: এই কোষগুলো শরীরের প্রথম প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে কাজ করে, কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন ছাড়াই সংক্রমণ শনাক্ত করে ধ্বংস করে।
Option D Explanation:
প্রদাহ (Inflammation)
- প্রদাহ হলো শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা প্রতিক্রিয়া, যা ক্ষত বা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- এটি সাধারণত লালচে হয়ে ওঠা, ফুলে যাওয়া, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ও ব্যথার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
- প্রদাহের মাধ্যমে শরীর ক্ষতিকর অণু বা জীবাণু থেকে রক্ষা পায় এবং ক্ষত সারিয়ে ওঠার প্রক্রিয়া চালু হয়।
- এটি শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও, এটি মূলত একটি প্রতিক্রিয়া এবং সরাসরি জীবাণু বা ক্ষতিকর উপাদানের বিরুদ্ধে নয়।