জাতিসংগরের মহাসচিব বান কি মুন যে তারিখে বাংলাদেশে আগমন করেন-
DUUnit-Bসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশআন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশআন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ (জাতিসংঘ) (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
০১ নভেম্বর, ২০০৮
Explanation:

Another Explanation (5):
জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের বাংলাদেশ আগমন 📅
জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব বান কি মুন 🇰🇷 ২০০৮ সালের ১ নভেম্বর 🗓️ বাংলাদেশ 🇧🇩 সফর করেন। এটি ছিল তার প্রথম বাংলাদেশ সফর।
সফরের উদ্দেশ্য 🎯:
- জলবায়ু পরিবর্তনের 🌧️🌊 প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা।
- দুর্যোগ মোকাবেলা 🌪️ এবং প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শন করা।
- জাতিসংঘের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক 📈 কর্মসূচির অগ্রগতি মূল্যায়ন করা।
- সরকারি কর্মকর্তা 👨💼👩💼 এবং স্থানীয় জনগণের 🧑🤝🧑 সাথে সাক্ষাৎ করা।
সফরের উল্লেখযোগ্য স্থানসমূহ 📍:
- ঢাকা 🏙️: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা 🏢 এর প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন এবং উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক 🤝 এ অংশগ্রহণ।
- বরগুনা 🏞️: সিডর বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের 🫂 সাথে কথা বলা।
- শরণখোলা 🐅: সুন্দরবনের 🌳🌲 কাছে অবস্থিত এই এলাকাটি ঘূর্ণিঝড় 🌀 সিডরের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকসমূহ 💼:
| বৈঠকের বিষয় 💬 | অংশগ্রহণকারী 🧑🤝🧑 |
|---|---|
| তৎকালীন রাষ্ট্রপতি 👨💼 এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ | রাষ্ট্রপতি এবং বান কি মুন |
| তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী 👩💼 এর সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা 🤝 | প্রধানমন্ত্রী এবং বান কি মুন |
| বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী 🤝 সংস্থার সাথে মতবিনিময় | জাতিসংঘের কর্মকর্তাগণ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিগণ |
সফরের ফলাফল 📈:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় 🛡️ বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের 🌍🌍 সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ⛑️ উন্নতির জন্য নতুন কৌশল প্রণয়নে উৎসাহ প্রদান।
- জাতিসংঘের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি 📈 বাস্তবায়নে সহায়তার প্রতিশ্রুতি।
বান কি মুনের এই সফর ✈️ বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক 🤝 আরও দৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। একইসাথে, জলবায়ু পরিবর্তন 🌧️🌊 ও দুর্যোগ মোকাবেলায় 🌪️ আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করে। 👍
তথ্যসূত্র 📚: বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা 📰 এবং জাতিসংঘের ওয়েবসাইট 🌐।
ধন্যবাদ 🙏!