‘আমার পথ' প্রবন্ধে কোন ধর্ম পালনের প্রতি গুরুত্ব
দেওয়া হয়েছে?
A.
ইসলাম ধর্ম
B.
মানব ধর্ম
C.
বৌদ্ধ ধৰ্ম
D.
সনাতন ধর্ম
সঠিক উত্তরঃ
B.
মানব ধর্ম
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে আমরা পরাধীন যেকারণে—
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।'-ব্যাখ্যা করো।
- 'মানুষ ভজলে/সোনার মানুষ হবি'-উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে-
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।"উদ্দীপকের যে মূলভাব, তারই বিস্তৃত পরিণতি 'আমার পথ'-এ পরিলক্ষিত।"- মন্তব্যের সত্যাসত্য বিচার করো।
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' কোন লেখকের রচনার অংশ?
- কোন গুচ্ছটি সঠিক?
- মিজান সাহেব একজন সাদা মনের মানুষ। সারাটা জীবন আলোকিত মানুষ গড়েছেন। চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণের পর নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'সেবাসংঘ'। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহরোধ, দুর্নীতি দমন অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে তিনি এলাকার মাতবরদের ভন্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ছিলেন সদা সোচ্চার। অনেকেই তাঁর কাজের প্রশংসা করলেও কেউ কেউ নিন্দা ও কটূক্তি করতেও ছাড়ে না। তাই বলে তিনি সমালোচনাকারীদের ভয়ে দমে যান না। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ ও সঠিক পথ।' তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন-'মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।'উদ্দীপকের মিজান সাহেবের মাধ্যমে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে বাণী উচ্চারিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
- ভারতবর্ষে দাসত্বের সবচেয়ে বড়ো কারণ কোনটি?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান।সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপন-মাঝে শক্তি ধরো, নিজের করো জয়-দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জেনো।উদ্দীপকে যে দ্বিধা, ভয় সংকোচের কথা বলী হয়েছে 'আমার পথ' প্রবন্ধে তা দূরীকরণের উপায়ও আছে।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- কোন গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিজের ওপর অটুট বিশ্বাস করতেই শেখাচ্ছিলেন কে?
- তরুণদের প্রাণের ধর্মকে নজরুল কী নাম দিয়েছেন ?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যমান ?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক কাকে সালাম জানিয়েছেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'সম্মার্জনা' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- "মহত্ত্বের কাহিনী আমাদের অনেক আছে।" এখানে 'মহত্ত্ব' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুযায়ী আত্মাকে চিনলেই কী আসে?
- সবচেয়ে বড়ো দাসত্ব কোনটি?
- মানুষ-ধর্মকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয় কেন?
- আমি জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অন্তরে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছি। কত রাত্রি অনুশোচনায় ঘুম হয় নাই। এখন ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন সোজা এই বুঝেছি যে, আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব, বলে বেড়াব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোট হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মনির্যাতন ভোগ করব না।উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধটির আংশিক দিক প্রতিফলিত হয়েছে- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।