কোন ক্ষেত্রে প্রস্বেদন হার বেশি হয়? যদি –
সঠিক উত্তরঃ
C.
বায়ুচাপ কম হয়
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরটি হলো: "বায়ুচাপ কম হলে প্রস্বেদন হার বেশি হয়।"
উপযুক্ত ব্যাখ্যা:
- যখন বায়ুচাপ কম থাকে, তখন বাতাসের চাপ কম হয়।
- এর ফলে, ফুসফুসের ভিতরে বা বাহিরে চাপের পার্থক্য বৃদ্ধি পায়।
- এই চাপের পার্থক্য বৃদ্ধির কারণে, শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজে হয়।
- ফলস্বরূপ, শ্বাসপ্রশ্বাসের হার বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্বেদন হার বেশি হয়।
সারাংশে, বায়ুচাপ কম থাকলে শরীরের শ্বাসক্রিয়া আরও কার্যকর হয়ে ওঠে, ফলে শ্বাসপ্রশ্বাসের হার বৃদ্ধি পায়।
Option A Explanation:
- আর্দ্রতা বেশি হলে প্রস্বেদন হার বৃদ্ধি পায়: অধিক আর্দ্রতা থাকলে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। এতে শরীরের ত্বক থেকে জলীয় বাষ্পের উদ্বাসন সহজ হয়।
- কারণ: আর্দ্রতা বেশি থাকলে শরীরের ত্বক থেকে জলীয় বাষ্পের ধারা কমে যায় না; বরং, বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় শরীরের জলীয় বাষ্প দ্রুত বায়ু দ্বারা শোষিত হয়।
- ফলে: শরীরের ত্বক থেকে জলীয় বাষ্পের নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়, ফলে প্রস্বেদন হার বেড়ে যায়।
Option B Explanation:
- তাপমাত্রা কম হলে, বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়, কারণ ঠাণ্ডা বাতাসে জলীয় বাষ্পের ধারণক্ষমতা কম থাকে।
- এই পরিস্থিতিতে, শ্বাসের সময় ফুসফুসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে, প্রস্বেদন হার বৃদ্ধি পেতে পারে।
- এছাড়াও, ঠাণ্ডা পরিবেশে শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে অতিরিক্ত প্রস্বেদন হতে পারে, যা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
Option C Explanation:
- বায়ুচাপ কম হলে: প্রস্বেদন হার বৃদ্ধি পায় কারণ বায়ুচাপ কম থাকলে বাষ্পের আর্দ্রতা ধারণের ক্ষমতা কমে যায়। এর ফলে, ত্বকের উপর আর্দ্রতা দ্রুত অঙ্কুরিত হয় এবং শরীর থেকে ঘাম দ্রুত নির্গত হয়।
- প্রভাব: এই পরিস্থিতিতে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হয় এবং শরীর দ্রুত ঠাণ্ডা হয়ে যায়, ফলস্বরূপ প্রস্বেদন হার বেশি হয়।
Option D Explanation:
- বায়ুপ্রবাহ কম হওয়ার ফলে:
- বায়ুতে পানির অণুগুলির মাধ্যমে আর্দ্রতা দ্রুত বর্ধিত হয়।
- পানির অণুগুলি দ্রুত বাষ্পে রূপান্তর হয়, ফলে প্রস্বেদন হার বৃদ্ধি পায়।
- বায়ুপ্রবাহ কম থাকলে, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার পার্থক্য বেশি হয়, যা প্রস্বেদন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।