মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কর্ণিয়া ও লেন্সের মধ্যবর্তী প্রকোষ্ঠ যে তরল পদার্থ দিয়ে পূর্ণ থাকে-

A. অ্যাকুয়াস হিউমার
B. ভিট্রিয়াস হিউমার
C. পেরিলিফ
D. এন্ডোলিফ
Poster Download
SylaUজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রসমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণমানব সংবেদী অঙ্গ - চোখ (Topic Practice)SylaU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. অ্যাকুয়াস হিউমার
Explanation:

Another Explanation (5):

কর্ণিয়া ও লেন্সের মধ্যবর্তী প্রকোষ্ঠ এবং অ্যাকুয়াস হিউমার: একটি একাডেমিক আলোচনা 🧐

চোখের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি অংশ হলো কর্ণিয়া (Cornea) এবং লেন্স (Lens)। এই দুটি অংশের মধ্যে একটি বিশেষ প্রকোষ্ঠ থাকে যা একটি তরল পদার্থ দিয়ে পূর্ণ থাকে। এই তরল পদার্থটি হলো অ্যাকুয়াস হিউমার (Aqueous Humor)। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

অ্যাকুয়াস হিউমার কী? 🤔

  • অ্যাকুয়াস হিউমার হলো একটি স্বচ্ছ, জলীয় পদার্থ।
  • এটি কর্ণিয়া ও লেন্সের মধ্যবর্তী অ্যান্টেরিয়র চেম্বার (Anterior Chamber) এবং পোস্টেরিয়র চেম্বার (Posterior Chamber) -এ পাওয়া যায়।
  • এই তরল পদার্থ রক্তরস থেকে উৎপন্ন হয় এবং ক্রমাগত তৈরি ও নিষ্কাশিত হতে থাকে।

অ্যাকুয়াস হিউমারের উপাদান 🧪

অ্যাকুয়াস হিউমারের প্রধান উপাদানগুলো হলো:
  1. পানি (Water) - প্রায় ৯৯%
  2. অ্যামিনো অ্যাসিড
  3. অ্যাসকরবিক অ্যাসিড (ভিটামিন সি) 🍊
  4. গ্লুকোজ
  5. ল্যাকটেট
  6. ইলেক্ট্রোলাইট (যেমন: সোডিয়াম, ক্লোরাইড)
  7. অন্যান্য জৈব রাসায়নিক পদার্থ

অ্যাকুয়াস হিউমারের কাজ 🎯

অ্যাকুয়াস হিউমারের প্রধান কাজগুলো হলো:
  • পুষ্টি সরবরাহ: কর্ণিয়া ও লেন্সের কোনো রক্তনালী নেই। অ্যাকুয়াস হিউমার এই দুটি অংশে পুষ্টি সরবরাহ করে। 🍎
  • অক্সিজেন সরবরাহ: এটি কর্ণিয়াতে অক্সিজেন সরবরাহ করে, যা কর্ণিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। 💨
  • আবর্জনা অপসারণ: কর্ণিয়া ও লেন্স থেকে উৎপাদিত বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে। 🗑️
  • চোখের ভেতরের চাপ বজায় রাখা: এটি চোখের ভেতরের একটি নির্দিষ্ট চাপ (Intraocular Pressure) বজায় রাখে, যা চোখের স্বাভাবিক আকৃতি রক্ষা করে। 👁️
  • রোগ প্রতিরোধ: এতে কিছু পরিমাণে ইমিউনোগ্লোবিউলিন (Immunoglobulin) থাকে যা সংক্রমণ থেকে চোখকে রক্ষা করে। 🛡️

অ্যাকুয়াস হিউমারের উৎপাদন ও নিষ্কাশন 🔄

অ্যাকুয়াস হিউমার সিলিয়ারি বডি (Ciliary body) নামক একটি অংশ থেকে তৈরি হয়। এটি নিম্নলিখিত পথে নিষ্কাশিত হয়:
  1. সিলিয়ারি বডি থেকে পোস্টেরিয়র চেম্বারে যায়।
  2. তারপর পিউপিলের (Pupil) মাধ্যমে অ্যান্টেরিয়র চেম্বারে প্রবেশ করে।
  3. অ্যান্টেরিয়র চেম্বারের পরিধিতে অবস্থিত ট্র্যাবেকিউলার মেশওয়ার্ক (Trabecular meshwork) এবং শ্লেম'স ক্যানেল (Schlemm's canal) দিয়ে রক্তপ্রবাহে ফিরে যায়।

অ্যাকুয়াস হিউমার সম্পর্কিত রোগ ⚠️

অ্যাকুয়াস হিউমারের উৎপাদন বা নিষ্কাশনে কোনো সমস্যা হলে চোখের চাপ বেড়ে যেতে পারে, যা গ্লকোমা (Glaucoma) নামক রোগের সৃষ্টি করে। এই রোগে অপটিক নার্ভের (Optic Nerve) ক্ষতি হয় এবং ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। 📉

সংক্ষেপে 👇

বৈশিষ্ট্য বিবরণ
প্রকার স্বচ্ছ, জলীয় তরল
অবস্থান কর্ণিয়া ও লেন্সের মধ্যবর্তী প্রকোষ্ঠ (অ্যান্টেরিয়র ও পোস্টেরিয়র চেম্বার)
উৎপাদন সিলিয়ারি বডি
নিষ্কাশন ট্র্যাবেকিউলার মেশওয়ার্ক ও শ্লেম'স ক্যানেল
কাজ পুষ্টি সরবরাহ, অক্সিজেন সরবরাহ, বর্জ্য অপসারণ, চোখের চাপ বজায় রাখা

আশা করি, অ্যাকুয়াস হিউমার সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। সুস্থ থাকুন! 😊

Option A Explanation:
  • অ্যাকুয়াস হিউমার: এটি হলো চোখের ভিতরের একটি দ্রবীয় তরল, যা লেন্সের পিছনে অবস্থান করে এবং রেটিনার আগে থাকে।
  • এটি চোখের গঠন ও কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে, যেমন আংশিক আলো প্রেরণ, চোখের আকার রক্ষা ও রেটিনার পুষ্টি প্রদান।
  • অ্যাকুয়াস হিউমার মূলত জলীয় দ্রবীয় পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত, যা চোখের ভিতরের চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
Option B Explanation:
  • ভিট্রিয়াস হিউমার: এটি চোখের ভিতরে একটি জ্যামিতিক গ্যাস বা জৈব পদার্থের তরল যা চোখের ভেতরে পুরো অক্ষরেখা জুড়ে থাকে।
  • প্রধান কাজ হলো চোখের অভ্যন্তরে আকার ও আকারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
  • চোখের ভেতরে আলো প্রেরণ ও ফোকাস করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • ভিট্রিয়াস হিউমার চোখের ভিতরে একটি স্বচ্ছ, জেলির মতো পদার্থ, যা লেন্স ও রেটিনার মধ্যে অবস্থিত।
Option C Explanation:

পেরিলিফ (Perilimbal) হল একটি অঞ্চল বা অংশ যা চোখের কর্ণিয়ার এবং সন্নিহিত সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত। এটি মূলত কর্ণিয়ার ও স্ক্লেরার সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং চোখের বাইরের অংশের কাছাকাছি থাকে।

  • পেরিলিফ হল কর্ণিয়ার এর চারপাশের এলাকা বা সীমা, যা সাধারণত কর্ণিয়ার এবং সন্নিহিত টিস্যুর মধ্যে অবস্থিত।
  • এই অঞ্চলটি চোখের স্বাভাবিক গঠন বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • চিকিৎসা ক্ষেত্রে, পেরিলিফ এলাকা চোখের বিভিন্ন অসুস্থতা যেমন ইনফেকশন বা প্রদাহের জন্য লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
  • এটি চোখের অন্যান্য অংশের সাথে সংযোগ স্থাপন করে এবং চোখের স্বাভাবিক কার্যকারিতা রক্ষা করে।
Option D Explanation:
  1. এন্ডোলিফ: এন্ডোলিফ হলো কর্ণিয়ার ও লেন্সের মধ্যবর্তী প্রকোষ্ঠে থাকা তরল পদার্থ।
  2. এটি সাধারণত জলীয় তরলের মত হয়, যা চোখের আউটের মধ্যে একটি স্বচ্ছ ও লুব্রিকেন্ট পরিবেশ সৃষ্টি করে।
  3. এন্ডোলিফের মূল কাজ হলো চোখের অভ্যন্তরীণ গঠনগুলিকে সুরক্ষা ও সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করা।
  4. এটি চোখের স্বাভাবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেমন দৃষ্টি দিক নির্ধারণ ও চোখের গতি নিয়ন্ত্রণে।