রেসাস বানরের বৈজ্ঞানিক নাম কি?
CUUnit-ASet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনABO ব্লাডগ্রুপ ও Rh ফ্যাক্টর (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
Macaca mulatta
Explanation:
রেসাস বানরের বৈজ্ঞানিক নামঃ Macaca mulatta
Another Explanation (5):
রেসাস বানর: একটি একাডেমিক আলোচনা 🐒
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস 🧬
রেসাস বানরের বৈজ্ঞানিক নাম Macaca mulatta। এটি Old World monkey প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত। এর শ্রেণীবিন্যাস নিচে দেওয়া হলো:- Kingdom: Animalia
- Phylum: Chordata
- Class: Mammalia
- Order: Primates
- Family: Cercopithecidae
- Genus: Macaca
- Species: Mulatta
শারীরিক বৈশিষ্ট্য 🧍
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| আকার | মাঝারি আকারের, প্রায় ৪৭-৬৪ সেমি লম্বা হয়। 📏 |
| ওজন | পুরুষ বানরের ওজন প্রায় ৫.৩-৭.৭ কেজি এবং স্ত্রী বানরের ওজন ৪-৫.৩ কেজি। ⚖️ |
| রং | সাধারণত বাদামী বা ধূসর বর্ণের হয়ে থাকে। 🟤 |
| লেজ | ১৫-২২ সেমি লম্বা লেজ রয়েছে। |
আচরণ ও বাসস্থান 🏘️
রেসাস বানর সাধারণত দলবদ্ধভাবে বসবাস করে। এরা বিভিন্ন ধরনের পরিবেশে যেমন - তৃণভূমি, জঙ্গল এবং পার্বত্য অঞ্চলে বসবাস করতে পারে। এরা খুবই সামাজিক প্রাণী এবং নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে। 🗣️খাদ্যাভ্যাস 🍎🍌
এরা সর্বভুক প্রাণী। ফল, বীজ, পাতা, পোকামাকড় এবং ছোট প্রাণী এদের প্রধান খাদ্য। খাদ্যের সন্ধানে এরা দিনের অনেকটা সময় ব্যয় করে। 🐛গবেষণায় ব্যবহার 🔬
রেসাস বানর বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং আচরণ বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণায় এদের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। পোলিও ভ্যাকসিন তৈরিতে এদের অবদান অনস্বীকার্য। 💉সংরক্ষণ 🦺
যদিও রেসাস বানরের সংখ্যা এখনও স্থিতিশীল, তবুও এদের আবাসস্থল ধ্বংস এবং শিকারের কারণে এদের সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বনভূমি রক্ষা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এদের সংরক্ষণ করা যেতে পারে। 🌳আরও জানতে ভিজিট করুন: Rhesus Macaque on Wikipedia
Option A Explanation:
- নাম: Nycticebus coucang
- প্রজাতি: বানর পরিবারের সদস্য
- অঞ্চল: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ধীর গতির চলাফেরা করে এবং সাধারণত রাতে সক্রিয় থাকে
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: ছোট শরীর, বড় চোখ, ছোট হাত-পা
- খাদ্যাভ্যাস: মূলত ফলমূল, পাতা ও ছোট প্রাণী খায়
Option B Explanation:
- নাম: Macaca mulatta
- প্রজাতি: রেসাস বানর (Rhesus macaque)
- পারিবার: ম্যাকাক (Cercopithecidae)
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি একটি মাঝারি আকারের প্রাইমেট, যা সাধারণত ভারতের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে দেখা যায়। এর চামড়ার রঙ বাদামী থেকে ধূসর হতে পারে।
- অভ্যসস্থান: প্রাকৃতিকভাবে এরা বিভিন্ন ধরনের পরিবেশে বাস করে, যেমন বনজঙ্গল, শহুরে এলাকাসহ বিভিন্ন ধরনের আবাসস্থলে দেখা যায়।
- ব্যবহার: গবেষণায় এই প্রজাতির ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ওষুধ ও ভাইরাস গবেষণায়। এটি মানব প্রজাতির কাছাকাছি জিনগত বৈচিত্র্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
- নাম: Poekilocerus pictus
- প্রকার: পতঙ্গ (অ্যামফিবিয়ান ক্র্যাব বা গব্বর)
- বর্ণনা: এটি একটি সুন্দর রঙিন গব্বর, যা সাধারণত ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়। এর দেহে বিভিন্ন রঙের দাগ ও রেখা দেখা যায়, যা এটিকে অনন্য করে তোলে।
- অবস্থান: প্রাকৃতিক পরিবেশে মূলত শ্যামলভূমি, জঙ্গল ও কৃষি এলাকায় দেখা যায়।
- অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য: এর দেহের গঠন ও রঙের বৈচিত্র্য এটিকে আকর্ষণীয় করে তোলে এবং এটি তার প্রজনন ও স্বাভাবিক আচরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
- বৈজ্ঞানিক নাম: Axis axis
- প্রাণীর ধরণ: ময়ূর বা ঈগল জাতীয় হরিণ
- পরিবেশ: ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়
- অঞ্চল: মূলত উদ্যান ও বনাঞ্চলে বসবাস করে
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এর শিং ও সুন্দর দেহাবয়ব এর পরিচিতি