মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মাস্ট কোষ থেকে কোনটি নির্গত হয়?

A. LTC4
B. IgE 
C. IgD 
D. IgG 
Poster Download
RUUnit-CSet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় টিকার ভূমিকা (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. IgE 
Explanation:

Another Explanation (5):

মাস্ট কোষ এবং IgE: একটি একাডেমিক আলোচনা 🧐

মাস্ট কোষ হলো আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এরা মূলত অ্যালার্জি এবং অন্যান্য প্রদাহজনিত (inflammation) প্রতিক্রিয়ায় অংশ নেয়। মাস্ট কোষ থেকে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয়, যা আমাদের শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটায়। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

মাস্ট কোষ (Mast Cells) কি? 🤔

  • মাস্ট কোষ হলো ইমিউন সিস্টেমের (immune system) অংশ।
  • এগুলো টিস্যুতে (tissue) বসবাস করে, যেমন - ত্বক, ফুসফুস এবং অন্ত্রের আবরণে।
  • এদের মধ্যে ছোট ছোট দানা (granules) থাকে, যেখানে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ জমা থাকে।

মাস্ট কোষ থেকে নির্গত পদার্থসমূহ 🧪

মাস্ট কোষ সক্রিয় হলে (activated), এর ভেতরের দানাগুলো ভেঙে যায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো:

  1. হিস্টামিন (Histamine): এটি রক্তনালীকে প্রসারিত করে এবং ত্বকে চুলকানি সৃষ্টি করে।
  2. হেপারিন (Heparin): এটি রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে।
  3. সাইটোকিন (Cytokines): এগুলো রোগ প্রতিরোধ কোষগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে।
  4. লিউকোট্রিন (Leukotrienes): এগুলো শ্বাসনালীকে সংকুচিত করে এবং শ্লেষ্মা উৎপাদন বাড়ায়।
  5. প্রোস্টাগ্লান্ডিন (Prostaglandins): এগুলো ব্যথা এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে।
  6. IgE (ইমিউনোগ্লোবুলিন ই): যদিও মাস্ট কোষ IgE তৈরি করে না, তবে IgE এর সাথে এদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে।

IgE এবং মাস্ট কোষের সম্পর্ক 🤝

IgE (Immunoglobulin E) হলো এক প্রকার অ্যান্টিবডি (antibody)। এটি মূলত অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাস্ট কোষের সাথে IgE-এর সম্পর্ক নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • যখন কোনো অ্যালার্জেন (Allergen) শরীরে প্রবেশ করে, তখন B-কোষ (B-cells) IgE অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
  • এই IgE অ্যান্টিবডি মাস্ট কোষের গায়ে লেগে থাকে।
  • পরবর্তীতে যখন ঐ একই অ্যালার্জেন আবার শরীরে প্রবেশ করে, তখন এটি মাস্ট কোষের গায়ে লেগে থাকা IgE অ্যান্টিবডির সাথে যুক্ত হয়।
  • এই সংযোগের ফলে মাস্ট কোষ সক্রিয় হয় এবং এর ভেতরের দানাগুলো ভেঙে যায়, যার ফলে হিস্টামিনসহ অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয়।
  • এসব রাসায়নিক পদার্থ অ্যালার্জির লক্ষণগুলো সৃষ্টি করে, যেমন - হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, ইত্যাদি। 🤧

সংক্ষেপে 📝

বিষয় বর্ণনা
মাস্ট কোষ রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অংশ, যা টিস্যুতে থাকে এবং প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়ায় অংশ নেয়।
IgE এক প্রকার অ্যান্টিবডি, যা মাস্ট কোষের সাথে যুক্ত হয়ে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
নির্গমন মাস্ট কোষ থেকে হিস্টামিন, হেপারিন, সাইটোকিন, লিউকোট্রিন, প্রোস্টাগ্লান্ডিন ইত্যাদি নির্গত হয়।

সুতরাং, যদিও মাস্ট কোষ সরাসরি IgE নির্গত করে না, IgE এর সাথে এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। IgE মাস্ট কোষকে অ্যালার্জেনের প্রতি সংবেদনশীল করে তোলে এবং পরবর্তীতে অ্যালার্জেন শরীরে প্রবেশ করলে মাস্ট কোষ সক্রিয় হয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে অ্যালার্জির লক্ষণ সৃষ্টি করে।

আশা করি, এই আলোচনা মাস্ট কোষ এবং IgE সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊

Option A Explanation:
  1. LTC4 (Leukotriene C4):
    • প্রাণীর শরীরে প্রদাহজনক প্রতিক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
    • প্রধানত অ্যাস্ট্রোপ্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন এবং লিউকোট্রিয়েনসের একটি গ্রুপ যা শরীরের বিভিন্ন টিস্যুতে মুক্তি পায়।
    • বিশেষ করে শ্বাসনালীর প্রদাহ, অ্যালার্জি, এবং অ্যাজমা রোগের ক্ষেত্রে এটির গুরুত্ব বেশি।
    • এটি শ্বাসনালী সংকোচন, শ্লৈষ্মিক নিঃসরণ বৃ??্ধি, এবং রক্তনালীর প্রশস্ততা পরিবর্তনে সহায়ক।
    • অতএব, এটি শ্বাসপ্রশ্বাসের পথের প্রদাহজনিত অবস্থা ও অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় নিঃসরণ হয়।
Option B Explanation: ```html

IgE এর ব্যাখ্যা

  • অবস্থান: প্রধানত অ্যালার্জি প্রতিরোধ ও পরাগপ্রদূষণে ভূমিকা রাখে।
  • সংখ্যা: ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে তুলনামূলকভাবে খুবই কম পরিমাণে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: পরাগপ্রদূষণ, জীবাণু ও পরজীবীর বিরুদ্ধে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া ঘটানো।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: মূলত রেসপিরেটরি ও মিউকাস ঝিল্লিতে উপস্থিত থাকে এবং অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ার সময় ইমিউন রিসেপটর হিসেবে কাজ করে।
```
Option C Explanation:
  • অস্তিত্বের স্থান: IgD প্রধানত বডির শ্লৈষ্মিক টিস্যু ও লিম্ফোসাইটের উপরিপৃষ্ঠে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: এটি মূলত বডির নতুন লিম্ফোসাইটের উদ্দীপনা ও শনাক্তকরণে সহায়ক।
  • প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে পরিমাণ: সাধারণত IgD এর পরিমাণ খুবই কম, যা সাধারণ IgG বা IgA এর তুলনায় ন্যূনতম।
  • অন্য ইমিউনোগ্লোবুলিনের তুলনায়: IgD এর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে খুবই স্বল্প, এর ফলে এটি সাধারণত খুব কম পরিমাণে বিদ্যমান।
Option D Explanation:
  • প্রচুর পরিমাণে উপস্থিতি: IgG হলো মানবদেহে সবচেয়ে সাধারণ ইম্যুনোগ্লোবুলিন, যা রক্তপ্রবাহে সর্বাধিক পাওয়া যায়।
  • অর্থবহ রোধক কার্যক্রম: এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, এবং টক্সিনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
  • অ্যান্টিবডি প্রকারভেদ: IgG বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডির মধ্যে এক, যা একাধিক ধরণের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রতিরোধের স্থায়িত্ব: এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম, যেমন ভ্যাকসিনের মাধ্যমে প্রাপ্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • প্রেরিত স্থান: এটি সাধারণত রক্তে বিদ্যমান থাকলেও, এটি ফ্যাট টিস্যু এবং অন্যান্য দেহের স্থানেও পাওয়া যায়।