ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত প্যারেনকাইমাকে কী বলা হয়?
BAUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রটিস্যু ও টিস্যুতন্ত্রটিস্যুতন্ত্র (Topic Practice)BAU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
ক্লোরেনকাইমা
Explanation:

Another Explanation (5):
ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত প্যারেনকাইমা: ক্লোরেনকাইমা 🌱
ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত প্যারেনকাইমা কোষকে ক্লোরেনকাইমা বলা হয়। এটি মূলত প্যারেনকাইমা কোষেরই একটি বিশেষ রূপ। এই কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের উপস্থিতি একে অন্যান্য প্যারেনকাইমা কোষ থেকে আলাদা করে।
ক্লোরেনকাইমার বৈশিষ্ট্য 📝
- এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ক্লোরোপ্লাস্টের উপস্থিতি। 🟢
- ক্লোরোপ্লাস্ট থাকার কারণে এরা সালোকসংশ্লেষণে (Photosynthesis) সক্ষম। ☀️
- সাধারণ প্যারেনকাইমা কোষের তুলনায় এদের কোষ প্রাচীর কিছুটা পুরু হতে পারে।
- এরা সাধারণত পাতা, কচি কাণ্ড এবং অন্যান্য সবুজ অংশে পাওয়া যায়। 🌿
- কোষগুলো জীবিত এবং পাতলা প্রাচীরযুক্ত।
ক্লোরেনকাইমার কাজ ⚙️
- সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করা এদের প্রধান কাজ। 🍕🍔🍟
- উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় শর্করা উৎপাদন করে। 🍬
- কিছু ক্ষেত্রে এরা খাদ্য সঞ্চয়েও সাহায্য করে। 📦
- উদ্ভিদের কাঠামোকে দৃঢ়তা প্রদান করে। 💪
ক্লোরেনকাইমা এবং প্যারেনকাইমার মধ্যে পার্থক্য 📊
| বৈশিষ্ট্য | ক্লোরেনকাইমা | প্যারেনকাইমা |
|---|---|---|
| ক্লোরোপ্লাস্ট | উপস্থিত (+) ✅ | অনুপস্থিত (-) অথবা কম |
| সালোকসংশ্লেষণ | সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে ✅ | অংশগ্রহণ করে না ❌ |
| অবস্থান | সবুজ অংশ (পাতা, কচি কাণ্ড) 🍃 | প্রায় সর্বত্র 🌍 |
| কাজ | খাদ্য উৎপাদন 🍕 | খাদ্য সঞ্চয়, পরিবহন, ইত্যাদি 🚚 |
ক্লোরেনকাইমার প্রকারভেদ 📚
ক্লোরেনকাইমা কোষের আকার ও অবস্থানের ভিত্তিতে এদের বিভিন্ন প্রকারভেদ দেখা যায়। স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা এবং প্যালিসেড প্যারেনকাইমা এর প্রধান উদাহরণ।
- প্যালিসেড প্যারেনকাইমা: লম্বাটে এবং ঘনভাবে সজ্জিত থাকে। আলোর সরাসরি সংস্পর্শে থাকে। ☀️
- স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা: গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির এবং আন্তঃকোষীয় স্থান বেশি থাকে। গ্যাসীয় আদান প্রদানে সাহায্য করে। 💨
ক্লোরেনকাইমা উদ্ভিদ জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 💖
আরও কিছু তথ্য
ক্লোরেনকাইমা সম্পর্কিত আরও কিছু তথ্য এখানে দেওয়া হলো। 🧐
- কিছু জলজ উদ্ভিদে ক্লোরেনকাইমা গ্যাসীয় আদান প্রদানে বিশেষভাবে সাহায্য করে। 🌊
- মরুজ উদ্ভিদে এদের গঠন পরিবর্তিত হয়ে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। 🌵
Option A Explanation:
- ক্লোরোফিল হলো একটি প্রকৃতি-প্রাকৃতিক রঞ্জক পদার্থ যা সবুজ রঙের।
- এটি উদ্ভিদের পাতা ও কাণ্ডে পাওয়া যায় এবং সালোকসংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ক্লোরোফিল সূর্যালোকের আলো শোষণ করে এবং তা রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে, যা সালোকসংশ্লেষের মূল প্রক্রিয়া।
- এটি অক্সিজেন উৎপাদনে সরাসরি অংশগ্রহণ করে না, বরং আলো শোষণে সাহায্য করে।
Option B Explanation:
কোলেনকাইমা
- প্রধানত উদ্ভিদের প্রাচীরে থাকা টিস্যু।
- এটি আঠালো ও নমনীয় উপাদান, যা উদ্ভিদের কাঠামোকে শক্তিশালী করে।
- খাদ্য সংরক্ষণ বা জমা রাখার জন্য এই টিস্যু সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
- অতএব, এই টিস্যুতে খাদ্য জমা থাকে না।
Option C Explanation:
- অ্যারেনকাইমা: অ্যারেনকাইমা হলো একটি প্যারেনকাইমাল টিস্যু যা সাধারণত উদ্ভিদের গাছপালা ও শেকড়ের মধ্যে দেখা যায়।
- এটি মূলতঃ স্পঞ্জি বা খাঁজযুক্ত টিস্যু, যা গাছের মধ্যে গ্যাসের বিনিময় ও জলীয় বাষ্পের নির্গমন সহজ করে তোলে।
- অ্যারেনকাইমা কোষগুলো সাধারণতঃ অপ্রচলিত বা খালি থাকে, যা গাছের বিভিন্ন কার্যকলাপে সহায়তা করে।
- এটি ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত প্যারেনকাইমা হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এর কোষে ক্লোরোফিল থাকে যা সূর্যালোকের মাধ্যমে ফটোসিনথেসিসে সহায়তা করে।
Option D Explanation:
ক্লোরেনকাইমা
- ক্লোরেনকাইমা হলো এক ধরনের প্যারেনকাইমা কোষ যা মূলত গাছের পাতার পাতলা স্তরে বিদ্যমান।
- এটি ট্রাইকোমের অংশ, যা মূলত পাতা এবং শাখার মধ্যে উপস্থিত থাকে।
- ক্লোরেনকাইমা কোষে ট্যানিনের মতো ক্ষতিকারক উপাদান জমা হতে পারে, যা উদ্ভিদের রক্ষা করে।
- এটি গাছের পাতার হালকা শোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং গাছের শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
- প্রাকৃতিক এপিডার্মিসের নিচে অবস্থিত, যেখানে এর আকার সাধারণত কোষের সমতল বা অর্ধবৃত্তাকারে হয়।