কোনটি উভলিঙ্গ?
NITORজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসননকর্ডাটা প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)NITOR - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
কেঁচো
Explanation:
কেঁচো উভলিঙ্গ প্রাণী
Another Explanation (5):
উভলিঙ্গ প্রাণী: কেঁচো 🐛
উভলিঙ্গ (Hermaphrodite) বলতে বোঝায় এমন একটি অবস্থা যেখানে একটি জীব একই সাথে পুরুষ এবং স্ত্রী উভয় প্রজনন অঙ্গ ধারণ করে। কেঁচো এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। 👇
কেঁচো কেন উভলিঙ্গ? 🤔
কেঁচোর দেহে শুক্রাশয় (testes) ও ডিম্বাশয় (ovaries) দুটিই বিদ্যমান। তাই এটি একই সাথে শুক্রাণু (sperm) ও ডিম্বাণু (ova) উভয়ই উৎপাদন করতে পারে। 🧬
কেঁচোর প্রজনন প্রক্রিয়া 🔄
যদিও কেঁচো উভলিঙ্গ, তারা সাধারণত স্ব-নিষেক (self-fertilization) করে না। বরং তারা অন্য কেঁচোর সাথে মিলিত হয়ে শুক্রাণু বিনিময় করে। 🤝
- দুটি কেঁচো কাছাকাছি এসে নিজেদের দেহের ক্লাইটেলাম (clitellum) অংশ দিয়ে একে অপরের সাথে লেগে থাকে।
- এরপর তারা শুক্রাণু বিনিময় করে।
- শুক্রাণু বিনিময়ের পর কেঁচো দুটি আলাদা হয়ে যায়।
- ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার পর ক্লাইটেলাম থেকে একটি কোকুন (cocoon) তৈরি হয়।
- এই কোকুনের ভিতরেই ডিম ফুটে বাচ্চা কেঁচো জন্ম নেয়। 👶
উভলিঙ্গ প্রাণীদের তালিকা 📝
| প্রাণীর নাম | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| কেঁচো 🪱 | মাটিতে বাস করে এবং জৈব পদার্থ decomposition এ সাহায্য করে। |
| জোঁক 🧛 | রক্তচোষা প্রাণী হিসেবে পরিচিত। |
| কিছু শামুক 🐌 | এদের মধ্যে কিছু প্রজাতি উভলিঙ্গ হয়ে থাকে। |
| ফিতা কৃমি 🦠 | পরজীবী হিসেবে অন্য জীবের দেহে বাস করে। |
উভলিঙ্গ হওয়ার সুবিধা ➕ এবং অসুবিধা ➖
- ➕ সঙ্গী খুঁজে পেতে অসুবিধা কম হয়।
- ➕ প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- ➖ স্ব-নিষেক এর কারণে বংশগতিতে বৈচিত্র্য (genetic diversity) কমে যেতে পারে।
- ➖ দুটি প্রজনন অঙ্গ বহন করার জন্য বেশি শক্তি খরচ হয়। 🔋
আরও জানতে চেয়ো? 🤔📚
Option A Explanation:
অ্যামিবা সম্পর্কে বিস্তারিত
- প্রজাতি: অ্যামিবা (Amoeba)
- ত্রিস্তরী: হ্যাঁ, অ্যামিবা ত্রিস্তরী (প্রথম, মধ্যম, এবং বাহ্যিক স্তর) প্রাণী হিসেবে বিবেচিত
- অবস্থান: সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়
- প্রজনন: সাধারণত অঙ্গপ্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে বিভাজন (সেল ডিভিশন)
- উপাদান: একক কোষবিশিষ্ট এবং বিভিন্ন ধরনের জীবজনিত কার্য সম্পাদন করতে সক্ষম
- নির্মাণ: সহজতর অঙ্গপ্রতিও নেই, তবে কোষের ভিতরে বিভিন্ন অংশ থাকে যেমন নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম ইত্যাদি
Option B Explanation:
- ব্যাঙ হল উভলিঙ্গ প্রানী, যার মধ্যে পুরুষ ও স্ত্রী উভয় লক্ষণ একসাথে থাকে।
- এটি সাধারণত একক শরীরের মধ্যে উভয় প্রজনন অঙ্গের উপস্থিতি দ্বারা চিহ্নিত।
- ব্যাঙের শরীরে পুরুষ ও স্ত্রী উভয় প্রজনন অঙ্গের উপস্থিতি একসাথে দেখা যায়, যা এটিকে উভলিঙ্গ করে তোলে।
Option C Explanation:
- প্রকৃতি: আরশোলা সাধারণত একটি ছোট থেকে মাঝারি আকারের উড়ন্ত পতঙ্গ, যা পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়।
- রঙ: তাদের শরীর সাধারণত বাদামী বা ধূসর রঙের হয়, তবে সবুজ রঙের প্রজাতি কিছু ক্ষেত্রে পাওয়া যায়।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: আরশোলা দ্রুত দৌড়াতে সক্ষম এবং বেশ কিছু সময়ের জন্য খাবার এবং পানির উৎস খুঁজে পেতে সক্ষম।
- অর্থনীতি ও পরিবেশ: তারা বিভিন্ন পরিবেশে বাস করে এবং পরিবেশ পরিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- উপকারিতা ও ক্ষতি: কিছু প্রজাতি ক্ষতিকর হলেও, তারা প্রকৃতির চক্রের অংশ হিসেবে উপকারী হতে পারে।
Option D Explanation:
- আবাস: সাধারণত মাটির মধ্যে বা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহের মধ্যে বসবাস করে।
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: দেহে বিভিন্ন ধরণের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকে, যেমন মাথা, দেহ, বিচ্ছিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।
- উৎপত্তি: এটি একটি পরজীবী বা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশিষ্টাংশে পরিণত হয়।
- প্রজনন: সাধারণত বিচ্ছিন্নভাবে বা অঙ্কুরের মাধ্যমে প্রজনন করে।
- অন্য বৈশিষ্ট্য: এদের দেহের গঠন সাধারণত সরু এবং দীর্ঘ, এবং এরা বিভিন্ন পরিবেশে সহজে বেঁচে থাকতে সক্ষম।