মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

রজঃচক্রের শেষদিকে কী ঘটে?

A.

FSH ও প্রোজেস্টেরন ক্ষরণ কমে

B.

FSH ও LH ক্ষরণ বাড়ে

C.

LH ও এস্ট্রোজেন ক্ষরণ বাড়ে

D.

এস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন ক্ষরণ বাড়ে

Poster Download
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানব জীবনের ধারাবাহিকতাপ্রজননের বিভিন্ন পর্যায় ও দশা (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A.

FSH ও প্রোজেস্টেরন ক্ষরণ কমে

Explanation:

Another Explanation (5):

রজঃচক্রের শেষ দিকে যা ঘটে: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা

রজঃচক্রের শেষ দিকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ হরমোন এবং শারীরিক পরিবর্তন ঘটে। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

হরমোনের পরিবর্তন 📉

* FSH (ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন): রজঃচক্রের শেষ দিকে FSH-এর ক্ষরণ📉 কমে যায়। ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু তৈরি এবং পরিপক্ক হওয়ার প্রক্রিয়া FSH দ্বারা উদ্দীপিত হয়। চক্রের এই পর্যায়ে ডিম্বাণু নিষিক্ত না হলে FSH-এর প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়। * প্রোজেস্টেরন: প্রোজেস্টেরন হরমোনের ক্ষরণও📉 কমে যায়। কর্পাস লুটিয়াম (Corpus luteum) থেকে প্রোজেস্টেরন ক্ষরিত হয়, যা জরায়ুর আস্তরণকে (Endometrium) নিষিক্ত ডিম্বাণুর জন্য প্রস্তুত করে। গর্ভধারণ না ঘটলে কর্পাস লুটিয়াম萎縮 হয়ে যায় এবং প্রোজেস্টেরন উৎপাদন কমে যায়।

জরায়ুর পরিবর্তন 🩸

* এন্ডোমেট্রিয়ামের ক্ষরণ: প্রোজেস্টেরনের অভাবে জরায়ুর ভেতরের আস্তরণ (এন্ডোমেট্রিয়াম) ভেঙে যেতে শুরু করে এবং🩸 রক্তস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে নির্গত হয়। এটি রজঃস্রাব (Menstruation) নামে পরিচিত।

অন্যান্য পরিবর্তনসমূহ 🔄

* ইস্ট্রোজেন: প্রোজেস্টেরনের সাথে সাথে ইস্ট্রোজেনের মাত্রাও📉 হ্রাস পায়। * শারীরিক লক্ষণ: হরমোনের পরিবর্তনের কারণে কিছু শারীরিক লক্ষণ দেখা যেতে পারে, যেমন - পেটে ব্যথা😖, মেজাজের পরিবর্তন😠, ক্লান্তি😴 ইত্যাদি।

সংক্ষেপে ঘটনা প্রবাহ:

  1. ডিম্বাণু নিষিক্ত না হলে কর্পাস লুটিয়াম 萎縮হয়ে যায়।
  2. প্রোজেস্টেরন এবং ইস্ট্রোজেন উৎপাদন📉 কমে যায়।
  3. এন্ডোমেট্রিয়াম ভেঙে যেতে শুরু করে।
  4. রজঃস্রাব শুরু হয়।🩸
  5. FSH-এর ক্ষরণও📉 কমে যায়।

টেবিলে হরমোনের পরিবর্তন:

হরমোন পরিবর্তন কারণ
FSH ক্ষরণ হ্রাস 📉 ডিম্বাণু নিষিক্ত না হওয়া
প্রোজেস্টেরন ক্ষরণ হ্রাস 📉 কর্পাস লুটিয়াম萎縮
ইস্ট্রোজেন ক্ষ??ণ হ্রাস 📉 কর্পাস লুটিয়াম萎縮
এই পরিবর্তনগুলো রজঃচক্রের একটি স্বাভাবিক অংশ। কোনো অস্বাভাবিকতা দেখলে অবশ্যই⚕️ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 😊
Option A Explanation:
  • ফলাফল: FSH (Follicle Stimulating Hormone) ও প্রোজেস্টেরন এর ক্ষরণ কমে যায়??
  • প্রক্রিয়া: এই পরিবর্তন সাধারণত ঋতুচক্রের শেষ পর্যায়ে ঘটে যখন ডিম্বাশয় থেকে প্রজনন হরমোনের উৎপাদন কমতে শুরু করে।
  • কার্যকারিতা: এর ফলে ঋতুস্রাবের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং নতুন ঋতুচক্রের সূচনা হয়।
  • অভিযোগ: এই পর্যায়ে শরীরের অন্যান্য হরমোনের ক্ষরণও পরিবর্তিত হতে পারে, যা শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে।
Option B Explanation:
  • রজঃচক্রের শেষ দিকে, সাধারণত অণ্ডাশূলের গর্ভাশয় থেকে হরমোনের নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়।
  • বিশেষ করে, FSH (ফলিকুল-উৎপন্নকারী হরমোন) এবং LH (লুটিনাইজিং হরমোন) এর ক্ষরণ বেড়ে যায়।
  • এটি মূলত অণ্ডাশূলের গর্ভাশয়ে নতুন ডিম্বাণুর উত্পত্তি বা প্রস্তুতি শুরু করার জন্য সূচনামূলক হরমোনের বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
  • এই হরমোনের বৃদ্ধি অণ্ডাশূলের গর্ভাশয়ে নতুন ডিম্বাণু প্রস্তুত করতে এবং পরবর্তী চক্রের জন্য প্রস্তুত করার জন্য জরুরি।
Option C Explanation:
  • LH (লুটিনাইজিং হরমোন): রজঃচক্রের শেষদিকে, অন্ডকোষে লুটিনাইজিং হরমোনের নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়। এটি স্পার্মাটোজোনির উন্নয়ন ও অন্ডকোষে অ্যান্ড্রোজেন নিঃসরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এস্ট্রোজেন: এই পর্যায়ে, ডিম্বাশয় থেকে এস্ট্রোজেনের নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়। এটি প্রজনন সম্পর্কিত বিভিন্ন শারীরিক পরিবর্তনে সহায়তা করে, যেমন জরায়ুর প্রাচীরের উন্নয়ন ও প্রস্তুতি।
  • প্রতিক্রিয়া: LH ও এস্ট্রোজেনের বৃদ্ধি পরস্পর সম্পর্কযুক্ত, যেখানে এস্ট্রোজেনের বৃদ্ধি LH এর উত্পাদন উদ্দীপ্ত করে। এটি অন্ডকোষ ও ডিম্বাশয়ের কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে।
Option D Explanation:
  • এস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন ক্ষরণ বাড়ে:
    • এই পরিবর্তন সাধারণত ঋতুচক্রের শেষ পর্যায়ে ঘটে যখন ডিম্বানু পরিপক্ব হয়ে যায় এবং অন্ডকোষ থেকে প্রজনন হরমোনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
    • এস্ট্রোজেনের বৃদ্ধি ঋতুচক্রের শেষ পর্যায়ে প্রজনন অঙ্গে প্রভাব ফেলে, যেমন জরায়ুর প্রাচীরের গঠন এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি।
    • প্রোজেস্টেরন বৃদ্ধি জরায়ুর অভ্যন্তরীণ স্তরকে প্রস্তুত করে গর্ভধারণের জন্য, যাতে গর্ভাশয়ে সন্তানের উন্নয়ন সম্ভব হয়।
    • এই হরমোনের বৃদ্ধি গর্ভধারণের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং ভবিষ্যতে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ায়।