গ্রন্থাগার জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডার। এটা জাতীয় ইতিহাস,
ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক বলে মানুষের মনকে
জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
উদ্দীপকটি জাদুঘরে কেন যাব রচনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ,
কারণ—
A.
দৃষ্টিনন্দন ও মনোগ্রাহী
B.
সন্ন্যাসী ও বিদ্যার্থীর সাধনাস্থল
C.
সভ্যতা ও সংস্কৃতির সংরক্ষক
D.
শিল্পকলা ও নৃবিদ্যা চর্চাকেন্দ্র
সঠিক উত্তরঃ
C.
সভ্যতা ও সংস্কৃতির সংরক্ষক
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ধনী পরিবারের সন্তান মোহসীন চৌধুরী। রাজনীতিতেএসেছেন অনেক দিন। জনকল্যাণমূলক কাজও করেছেন।কিন্তু প্রান্তিকজনের সাথে তেমনভাবে তিনি মিশতে পারেননি।গণমানুষের নেতা হতে না পেরে তার আক্ষেপের শেষ নেই। উদ্দীপকে 'ঐকতান' কবিতায় যে বিষয় প্রকাশিততা হলো-জনবিচ্ছিন্নতাশ্রমজীবীদের প্রতি দায়বদ্ধতাজ্ঞানের দীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘বিড়াল’ রচনায় বিড়াল কোন চেতনার প্রকাশ?
- সাগর সাহেবের বাসায় কাজ করে আয়না বিবি। মাস শেষে বেতন পেলেও ঠিকমতো খাবার পায় না সে। ক্ষুধার যন্ত্রণায় মাঝে মাঝে চুরি করে খাবার খায় আয়না। একদিন খাবার চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লে শাস্তি হিসেবে প্রহার করে তাকে তাড়িয়ে দেয়। আয়না বলে, "পেটে ক্ষুধা থাকলে চুরি না করে উপায় কী?"উদ্দীপকের খাবার চুরি 'বিড়াল' রচনার কোন প্রসজোর, সাথে কেন সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ধন্যবাদ' কবিতাটি কোন্ ধরনের কবিতা?
- কোনটি জহির রায়হান রচিত উপন্যাস নয়?
- চন্ডিগড় শহরের উপকণ্ঠে বাড়ি ভাড়া নেয় সুরেশ ও কল্যাণী ব্যানার্জী। তাদের এক সন্তান শান্ত। স্বামী-স্ত্রী চাকুরিজীবী হওয়ায় শান্তাকে দেখাশোনার জন্য গ্রাম থেকে আনা হয় আট বছর বয়সী দরিদ্র অনিতাকে। সারাদিনের খাটুনিতে অনিতার শ্রান্ত শরীরে ঘুম চলে আসে সন্ধ্যারাতে। কল্যাণীর ধারণা অনিতার খাবারের পরিমাণ আরও কমালে ওর ঘুম আসবে না। তাই অনিতার খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেয় কল্যাণী। কম খেতে খেতে অনিতা শীর্ণকায় হয়ে পড়ে। শান্তর উচ্ছিষ্ট সে চুরি করে খায়। এটা জানতে পেরে কল্যাণী অনিতার উপর নির্যাতন চালায়, তওবা করায় এবং উপদেশ দেয় যে চুরি করে খাওয়া পাপ। ফ্রিজে ভর্তি করা খাবার, শান্ত খাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ায় আর অনিতা শান্তর উচ্ছিষ্টের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'বিড়াল' প্রবন্ধের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- ’বিদায় অভিশাপ’ কার অভিশাপ?
- নীরব ভাষার বৃক্ষ আমাদের কী শেখায়?
- ’চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে ‘তদ্দেশবাসিনী’ কে?
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের নিমগাছটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের ক্ষেত্রে কতটা প্রাসঙ্গিক আলোচনা করো।
- সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- ‘মানচিত্র’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- 'নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়' কবিতায় নূরলদীনকাদের জেগে ওঠার আশায় ডাক দিবেন?
- দু'টি চোখের কোটরে কাটা সুপারি রং' বলতে কবি কি বুঝিয়েছেন?
- রবীন্দ্রনাথ 'ঐকতান' কবিতায় কার 'বাণী-লাগি' কানপেতে আছেন?
- চট্টগ্রামের এক জেলেপাড়ায় হরিশংকর জলদাস জন্মগ্রহণ করেন। দারিদ্র্যপীড়িত জেলে জীবনের সদস্য হলেও আপন প্রতিভাবলে বর্তমানে তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত কথাসাহিত্যিক ও গবেষক। বাংলা সাহিত্যে অনাদৃত জেলে জীবন নিয়ে গল্প-উপন্যাস ও গবেষণা কর্মের জন্য একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন। জেলেপাড়ার সুবিধা বঞ্চিত, অনাহারক্লিষ্ট মানুষের দুঃখ-কষ্টে জর্জরিত বিপন্নতার এক বৈচিত্র্যময় ভাষাচিত্র তিনি অংকন করেছেন তাঁর কথাসাহিত্যে। তাঁর লেখনী কৃত্রিমতার আবরণে ঢাকা নয়, গভীর মমতায় চিত্রায়িত নিম্নবর্ণের সমাজ জীবনের চালচিত্র বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদে পরিণত হয়েছে।"কাছে থেকে দূরে যারা তাহাদের বাণী যেন শুনি" কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এরকম প্রত্যাশিত সাহিত্যকর্মই যেন উদ্দীপকের হরিশংকর জলদাসের রচনার বিষয়বস্তু।-অভিমতটি যাচাই কর।
- ‘কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যাবেলায় দীপ জ্বালার আগে সকালবেলায় সলতে পাকানো’- বাক্যদ্বয় কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত?
- নমি কৃষি-তন্তুজীবী, স্থপতি, তক্ষক, কর্ম, চর্মকার! 'ঐকতান' কবিতা কবির জীবন সায়াহ্নের-জিজ্ঞাসাসমীকরণকল্পনা বিলাসনিচের কোনটি সঠিক?
- উপস্থিত ভদ্রলোকদের অন্যতম ছিলেন...' বাক্যটির ঠিক জবাব হতে পারে--
- এই পদ্মা এই মেঘনা, এই হাজার নদীর অববাহিকায়এখানে রমণীগুলো নদীর মতো, নদী ও নারীর মতো কথা কয়।এই অবারিত সবুজের প্রান্ত ছুঁয়েনির্ভয়ে নীলাকাশ রয়েছে নুয়ে।যেন হৃদয়ের ভালোবাসা হৃদয়ে ফোটেআনন্দ বেদনায় মিলন বিরহ সংকটে।'উদ্দীপকটি সমগ্র কবিতার মূলভাব ধারণ করেনি'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।