‘গৃহদাহ’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম কী?
A. সুরেশ ও অচলা
B. নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী
C. মধুসূদন ও কুমুদিনী
D. গোবিন্দলাল ও রোহিণী
সঠিক উত্তরঃ
A.
সুরেশ ও অচলা
Explanation: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র-সংবলিত উপন্যাস ‘গৃহদাহ’। এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো- সুরেশ, অচলা ও মহিম।
Related Questions (Any University/Year)
- নিজের সত্যকেই নিজের কর্ণধার মনে জানলে নিজের শক্তির ওপর কী আসে?
- রেবেকা সুলতানা রাজধানীর স্বনামধন্য কলেজের একজন আদর্শ শিক্ষক। কলেজ ছুটির পরে তিনি অবসর সময়ে পিছিয়ে পড়া নারীদের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন। এ কারণে তিনি গড়ে তোলেন 'নারী অধিকার' নামের একটি সংগঠন। এ সংগঠনের মাধ্যমে নারীদের হয়রানি, নিরাপত্তাহীনতা এবং নানাবিধ অনৈতিকতার প্রতিবাদে নিজেকে সমর্পণ করেন। কিন্তু কতিপয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ তার বিরোধিতা করেন। তা সত্ত্বেও তিনি তার প্রতিবাদ ও সচেতনতা অব্যাহত রাখেন।"উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধের ভাব সবটুকু প্রতিফলিত হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।
- কে অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?
- ‘বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সাথে কোন নামটি যুক্ত?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'সম্মানের চিরনির্বাসন' কথাটির গভীরে কোন বিষয়টি নিহিত?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে আমরা পরাধীন যেকারণে—
- মানুষ-ধর্মকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয় কেন?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলামের মতেপরাবলম্বনই আমাদের করে তুলেছে—নিষ্ক্রিয়বিলাসীদাসনিচের কোনটি সঠিক? .
- মামুন, মার্টিন এবং শম্ভু তিন সহপাঠী। ঈদ উপলক্ষেমার্টিন মামুনের বাড়িতে অসঙ্কোচে যেতে পারলেও শম্ভুযেতে পারে না। তার রয়েছে পারিবারিক বাধা।'আমার পথ' প্রবন্ধ ও উদ্দীপকে উল্লিখিত কোন অভিন্নকারণে শম্ভু মামুনের বাড়িতে যাওয়া থেকে ???িরত থাকে?
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।উদ্দীপকের প্রকাশিত 'সত্য' 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
- সক্রেটিস বলেন, 'নো দাই সেল্ফ।' এ বাপীটি নজরুলের যে কথাকে সমর্থন করে -
- 'গান্ধীজি আছেন' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'না বুঝে বোঝার ভন্ডামি করে পাঁচ জনের শ্রন্ধা আর প্রশংসা পাবার লোভ আমি কোন দিনই করব না'--- কে করবে না?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের কর্ণধার কে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে পথপ্রদর্শক কে?
- প্রবন্ধকার পরাবলম্বনকে সবচেয়ে বড় দাসত্ব বলেছেন কেন?
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- যাকে অপদার্থ, অকর্মণ্য বলে উপহাস করা হচ্ছে, তাকে যদি কেউ সাহস দেয়, এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতার হাত বাড়ায়, তবে সেই মানুষটির মানসিক ও আত্মিক বিবর্তন ঘটবে। এতে অলস পরিশ্রমী হতে পারে, অপ্রতিভ সপ্রতিভ হবে, ভীরু সাহসী হবে, মূর্খ বিদ্বান হবে, দুর্বল বলবান হতে পারে। এর অন্যতম কারণ, সেই মানুষটির অন্তর্নিহিত সত্যের বিকাশ।উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন?