নিচের কোনটি এডিস (Aedes) মশা বাহিত রোগ নয়?
NursingBSCজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
ম্যালেরিয়া
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
এডিস মশা বাহিত রোগ নয়: ম্যালেরিয়া 🦟🚫
এডিস মশা বেশ কয়েকটি রোগের বাহক হিসেবে পরিচিত। তবে, ম্যালেরিয়া এদের মাধ্যমে ছড়ায় না। নিচে এডিস মশা বাহিত রোগ এবং ম্যালেরিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
এডিস মশা বাহিত রোগসমূহ 🤒
- ডেঙ্গু: 🤕 ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকারী এডিস মশার কামড়ে হয়। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে জ্বর, মাথাব্যথা, র্যাশ এবং মাংসপেশীতে ব্যথা অন্যতম।
- চিকুনগুনিয়া: 😫 এটিও এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। চিকুনগুনিয়ার প্রধান লক্ষণ হলো joint pain (হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা), যা কয়েক সপ্তাহ বা মাস পর্যন্ত থাকতে পারে।
- জিকা ভাইরাস: 🤰 জিকা ভাইরাস এডিস মশা দ্বারা ছড়ায় এবং এটি গর্ভবতী মহিলাদের জন্য বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এটি শিশুদের মধ্যে জন্মগত ত্রুটি ঘটাতে পারে।
- ইয়েলো ফিভার (Yellow Fever): 🤕 মারাত্মক একটি রোগ। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে জ্বর, জন্ডিস, মাথাব্যথা, এবং রক্তপাত অন্তর্ভুক্ত।
ম্যালেরিয়া 🦠
ম্যালেরিয়া অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এটি একটি পরজীবীঘটিত রোগ।
ম্যালেরিয়া যেভাবে ছড়ায়:
- অ্যানোফিলিস মশা 🦟 একজন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড় দেয়।
- মশাটি ম্যালেরিয়ার পরজীবী (Plasmodium) বহন করে।
- এরপর, মশাটি যখন অন্য কোনো সুস্থ মানুষকে কামড়ায়, তখন পরজীবীটি তার রক্তে প্রবেশ করে।
- পরজীবীটি যকৃতে (liver) বংশবৃদ্ধি করে এবং লোহিত রক্তকণিকাকে (red blood cells) আক্রমণ করে।
তুলনামূলক তালিকা 📊
| রোগের নাম | বাহক মশা | প্রধান লক্ষণ |
|---|---|---|
| ডেঙ্গু | এডিস মশা 🦟 | জ্বর, মাথাব্যথা, র্যাশ, মাংসপেশীতে ব্যথা 🤕 |
| চিকুনগুনিয়া | এডিস মশা 🦟 | হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা (joint pain) 😫 |
| জিকা ভাইরাস | এডিস মশা 🦟 | জ্বর, র্যাশ, joint pain (হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা) 🤰 |
| ইয়েলো ফিভার | এডিস মশা 🦟 | জ্বর, জন্ডিস, মাথাব্যথা, রক্তপাত 🤕 |
| ম্যালেরিয়া | অ্যানোফিলিস মশা 🦟 | জ্বর, কাঁপুনি, ঘাম 🤒 |
সতর্কতা ⚠️ এবং প্রতিরোধ 🛡️
- মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশা তাড়ানোর স্প্রে ব্যবহার করুন। 🧴
- ঘর এবং আশেপাশের এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন, যাতে মশা বংশবৃদ্ধি করতে না পারে। 🧹
- জলাশয় ভরাট করুন অথবা নিয়মিত পরিষ্কার করুন। 🚰
- ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করুন। 🛌
- জ্বর হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 🧑⚕️
সুতরাং, ম্যালেরিয়া এডিস মশা বাহিত রোগ নয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, জিকা এবং ম্যালেরিয়ার মতো রোগ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারি। 😊
```Option A Explanation:
- চিকুনগুনিয়া: এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত এডিস (Aedes) মশার মাধ্যমে ছড়ায় না।
- প্রধানত এই রোগটি আকাশি (Aedes) মশার মাধ্যমে ছড়ায়, বিশেষ করে Aedes aegypti এবং Aedes albopictus মশা এটির মূল বাহক।
- চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের জন্য সংক্রমিত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
- এই রোগের লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকে জ্বর, গাঁটের ব্যথা, চমৎকার র্যাশ ও অসুবিধা।
Option B Explanation:
- জিকা ভাইরাস: এটি একটি রক্তপ্রবাহজনিত ভাইরাস যা মূলত এডিস (Aedes) মশা দ্বারা সংক্রমিত হয়।
- প্রভাব: জিকা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হলে সাধারণত হালকা ধরনের লক্ষণ দেখা যায়, যেমন জ্বর, মাথা ব্যথা, চোখ লাল হওয়া, অস্বস্তি ও শরীরে ব্যথা।
- সংক্রমণের মাধ্যম: এডিস মশার মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়, বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়।
- বিশেষত্ব: এই ভাইরাস গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে সংক্রমিত হলে শিশুর মধ্যে মারফানসেফালি বা মস্তিষ্ক বিকাশে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
Option C Explanation:
- প্রজনন পদ্ধতি: ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু, Plasmodium, মূলত ছত্রাকের মতো পরজীবী, যা মশার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
- অন্তঃকোষীয় জীবাণু: এটি অন্তঃকোষীয় পরজীবী, অর্থাৎ এটি উষ্ণ, আর্দ্র পরিবেশে কোষের ভিতরে বাস করে।
- অভিশাপের মাধ্যমে ছড়ানো: ম্যালেরিয়া মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মধ্যে থাকা পরজীবু নিয়ে অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত করে।
- প্রকৃতি: এটি এক ধরনের পরজীবী জীবাণু, যা মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা আক্রমণ করে, ফলে জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়।
- সংক্রমণের লক্ষণ: জ্বর, ঠান্ডা লাগা, মাথাব্যাথা, শরীরের দুর্বলতা ইত্যাদি প্রধান লক্ষণ।
Option D Explanation:
- প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
- কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
- প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
- প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
- চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।