খেজুরের কাঁচা রসে কোন ধরনের ভাইরাস পাওয়া যায়?
NursingBSCজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসঘটিত রোগসমূহ (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
নিপাহ
Explanation:

Another Explanation (5):
খেজুরের কাঁচা রসে নিপাহ ভাইরাস 🦠
খেজুরের কাঁচা রস একটি সুস্বাদু পানীয়। শীতকালে এটি বিশেষ জনপ্রিয়। তবে এই রসে নিপাহ ভাইরাস🦠🦠🦠 সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। তাই এই বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
নিপাহ ভাইরাস কি? 🤔
নিপাহ ভাইরাস (Nipah Virus, NiV) একটি জুনোটিক ভাইরাস। এর মানে এটি প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায়। এই ভাইরাস Paramyxoviridae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। বাদুড়🦇🦇🦇 (বিশেষ করে ফ্রুট ব্যাট বা ফলখেকো বাদুড়) এই ভাইরাসের প্রধান বাহক।
কিভাবে খেজুরের রসে নিপাহ ভাইরাস আসে? 🤷♀️
সাধারণত বাদুড় যখন খেজুরের রস পান করে বা রসের পাত্রে মূত্র ত্যাগ করে, তখন রস দূষিত হয়ে যায়। এই দূষিত রস পান করলে মানুষ নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।
নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ 🤒
- জ্বর 🥵
- মাথাব্যথা 🤕
- শ্বাসকষ্ট 😮💨
- খিঁচুনি 😵
- Encephalitis (মস্তিষ্কের প্রদাহ) 🧠
- কোমা 😴
নিপাহ ভাইরাস থেকে বাঁচতে কি করতে হবে? 🛡️
- খেজুরের কাঁচা রস পান করা থেকে বিরত থাকুন।🚫
- খেজুরের রস ফুটিয়ে পান করুন। 🔥
- ফল খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। 🍎 🍌 🍇
- বাদুড়ের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। 🦇
ঝুঁকি কাদের বেশি? ⚠️
| ঝুঁকির কারণ | বিবরণ |
|---|---|
| কাঁচা রস পান করা | যারা সরাসরি গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে পান করেন। |
| আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ | আক্রান্ত ব্যক্তির সেবা করার সময়। |
| স্বাস্থ্যকর্মী | রোগীদের চিকিৎসা করার সময়। |
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা 🧤
- খেজুরের রস সংগ্রহ করার সময় পাত্র ঢেকে রাখুন। 🍯
- ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। 🧼
- সচেতনতা বাড়াতে প্রচার করুন। 📢
সচেতনতাই পারে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে। 🙏
Option A Explanation:
নিপাহ ভাইরাসের ব্যাখ্যা
- নিপাহ ভাইরাস: এটি একটি রক্তজনিত ভাইরাস, যা মূলত প্রাণীর মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
- প্রেরণ পদ্ধতি: মূলত বানর, গবাদি পশু ও ইঁদুরের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- লক্ষণ: জ্বর, মাথা ব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, বমি বমি ভাব, দুর্বলতা ও অস্থিরতা।
- চিকিৎসা: এতে কোনও নির্দিষ্ট ভ্যাকসিন বা চিকিৎসা নেই; সমর্থনমূলক চিকিৎসা ও সতর্কতা জরুরি।
- প্রতিরোধ: প্রাকৃতিক পরিবেশে সচেতনতা ও প্রাণীর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
- পোলিও: পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা হয়।
- এটি সাধারণত প্রধানত শিশুদের মধ্যে ঘটে, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
- রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্যারালাইসিস বা অক্ষমতা হয়ে থাকে।
- বিশেষ করে, পোলিও ভাইরাসের কারণে পেরেক বা পা এর অস্থিরতা বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
- প্রতিরোধের জন্য মূল উপায় হলো পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা (ইনজেকশন বা ওরাল ভ্যাকসিন)।
- সাধারণত, সঠিক চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রভাব স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্ষমতা হতে পারে।
Option C Explanation:
হাম
- প্রকার: ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ
- সংক্রমণের পথ: সংস্পর্শ, বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়
- লক্ষণ: জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট
- প্রতিরোধ: টিকা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও হস্তধোয়া
- চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিক ও উপসর্গের চিকিৎসা
Option D Explanation:
- করোনা হলো একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা সাধারণত শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা সৃষ্টি করে।
- এটি সাধারণত রোগের লক্ষণসমূহের সমষ্টি হিসেবে দেখা যায়, যেমন:
- জ্বর
- কাশি
- শ্বাসকষ্ট
- গন্ধ ও স্বাদে অস্বাভাবিকতা
- তাই, "করোনা" রোগ নয় কিন্তু রোগের লক্ষণের সমষ্টি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।