মানবদেহে প্রতি মিনিটে উৎপন্ন প্লোমেরুলার ফিলট্রেট এর কি পরিমাণ পুনশোষিত হয়?
মানবদেহে গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেট পুন absorption: একটি ব্যাখ্যা
মানবদেহে গ্লোমেরুলাস নামক কিডনির ছাঁকনি দিয়ে প্রতি মিনিটে যে পরিমাণ তরল (গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেট) তৈরি হয়, তার বেশিরভাগই পরবর্তীতে পুনabsorbশন হয়ে যায়। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন প্রক্রিয়া
- গ্লোমেরুলাস: এটি কিডনির মধ্যে অবস??থিত ছোট রক্তনালীগুলির একটি জালিকা।
- ফিল্ট্রেশন: রক্তচাপের কারণে রক্তরস (প্লাজমা) এবং অন্যান্য ছোট অণু গ্লোমেরুলাস থেকে বোম্যান্স ক্যাপসুলে প্রবেশ করে। এই প্রক্রিয়ায় যে তরল তৈরি হয়, তাকে গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেট বলে।
- উপাদান: গ্লোমেরুলার ফিলট্রেটে পানি, গ্লুকোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড, লবণ, ইউরিয়া এবং অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ থাকে।
🤔কিডনি কিভাবে কাজ করে জানতে চান? আরও জানতে Google করুন।
পুনabsorption (Reabsorption)
গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট তৈরি হওয়ার পর, এর প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো (যেমন: পানি, গ্লুকোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড, লবণ) পুনরায় রক্তে ফিরিয়ে আনা হয়। এই প্রক্রিয়াকে পুনabsorbশন বলে।
- কোথায় ঘটে: প্রধানত প্রক্সিমাল কনভোলিউটেড টিউব্যুল, লুপ অফ হেনলি, ডিসটাল কনভোলিউটেড টিউব্যুল এবং কালেক্টিং ডাক্টে এই পুনabsorbশন ঘটে।
- গুরুত্ব: পুনabsorbশন না হলে শরীর থেকে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় উপাদান বেরিয়ে যেত এবং ডিহাইড্রেশন সহ নানা সমস্যা দেখা দিত।
💧মানবদেহের জন্য পানি অপরিহার্য।
পুনabsorption-এর পরিমাণ
গ্লোমেরুলাস প্রতি মিনিটে প্রায় 125 ml (মিলিলিটার) ফিলট্রেট তৈরি করে। এর মধ্যে প্রায় 124 ml পুনabsorbড হয়ে যায়।
| বিষয় | পরিমাণ |
|---|---|
| তৈরি হওয়া ফিলট্রেট | 125 ml/মিনিট |
| পুনabsorbশন হয় | 124 ml/মিনিট |
| মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয় | 1 ml/মিনিট (প্রায়) |
⚠️উপরের ডেটা শুধুমাত্র উদাহরণের জন্য।
ফাইনাল কথা
সুতরাং, মানবদেহে প্রতি মিনিটে উৎপন্ন গ্লোমেরুলার ফিলট্রেটের প্রায় 99% পুনabsorbশিত হয়। এটি শরীরের তরলের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
💯 সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।