১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেন বাঙালি জাতিকে মুক্তির কবিতা শোনালেন। বাঙালি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, শোষণ বঞ্চনার কথা তুলেধরে তিনি বলেন, 'বাঙলার ইতিহাস এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস।' তিনি এক পর্যায়ে বাঙালি জাতিকে প্রতিবাদী আর সংগ্রামী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছে, রক্ত আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশা-আল্লাহ।' প্রধানত,- বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক আর মুক্তির কবিতা।
'বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৭ই মার্চের ভাষণটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক আর মুক্তির কবিতা।'-মন্তব্যটি 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'যুদ্ধ আসে ভালোবেসে বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কোন কবিতার ঐতিহ্যসচেতন শেকড়সন্ধানী মানুষের সর্বাঙ্গীন মুক্তি ঘোষণা ব্যক্ত হয়েছে?
- 'আমি আমার ভালোবাসার কথা বলছি'- পঙ্ক্তিটিতে'আমার ভালোবাসা' দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- বিশ্বম্ভর বাবু মনে করতেন তার পূর্বপুরুষেরা মননশীলতা, সৃজনশীলতা ও অধ্যবসায়ের যে স্বাধীনচেতা মানসিকতা প্রকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন তা আজ ইতিহাস। তাঁরা ঔপনিবেশিক শাসন আমলে ক্রীতদাসে পরিণত হয়ে নানা নিপীড়ন সহ্য করলেও স্বাধীনতার বাক্য উচ্চারণ করতে দ্বিধা করেননি। তিনিও তাই তাদের মনোভাব আঁকড়ে ধরে সামনের দিকে এগোতে চান, সত্য প্রকাশ করতে চান।উদ্দীপকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কোন দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'কমলের চোখ' কোন ধরনের রচনা?
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি।তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিলকারণ তিনি ক্রীতদাস ছিলেন।নিচের কোন গল্পটিতে উদ্দীপকে বর্ণিত ঐতিহ্যেরকথা প্রকাশিত হয়েছে?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায়— যে গাভিরপরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে কী করে?
- 'কিংবদন্তি' শব্দের অর্থ কী?
- কবির পুর্বপুরুষদের দেহে কোথায় রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল?
- “কে কবি— কবে কে মোরে? ঘটকালি করিশবদে শবদে বিয়া দেয় যেই জন”,'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় উল্লিখিত কবিরকাজ উদ্দীপকের কবির তুলনায় ভিন্নতর। নিচেরকোনটিতে তা প্রকাশ পেয়েছে?
- আমি যেখানেই থাকি, যেমনি থাকি, সর্বদা - মনে বাংলাদেশকেই লালন করি- উল্লিখিত অংশ 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি', কবিতায় কোন মনোভাবকে তুলে ধরেছে?।
- 'তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল' বলতে কী ব্যক্ত হয়েছে?
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের--কখনই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ; একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি, গলায় পড়েছি ফাঁসআপস করিনি কখনই আমি--এই হলো ইতিহাস।উদ্দীপকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটির কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে? বর্ণনা কর।
- 'বিচলিত স্নেহ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- জিহ্বায় উচ্চারিত কেমন শব্দ কবিতা?
- “তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল”— 'আমিকিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার চরণটিতে বোঝানোহয়েছে পূর্বপুরুষদের____
- হে দেশ আমার, বন্যার মতোসমস্ত পলিমাটির অভিজ্ঞতাকে গড়িয়ে এনে একটি চেতনাকেউর্বর করেছি;এখানে আমাদের মৃত্যু ও জীবনের সন্ধি,সমুদ্র সৈকতে দুঃসাহসী নাবিকের করোটির ভেতর যেমনদূরদিগন্তের হাওয়া হাহাকার করেতেমনি এখানে রয়েছে একটি কোমল নারীর আশাহত সখিনা হৃদয়এখানে রয়েছে মা আর পিতা,ভাই আর বোন, স্বজন বিধুর পরিজনআর তুমি আমি, দেশ আমার।উদ্দীপকে উদ্ধৃত 'পলিমাটি' এবং কবিতায় উদ্ধৃত 'পলিমাটির সৌরভ' একই অর্থ বহন করে কিনা আলোচনা কর।
- নিতি নবরূপে ভরে মন জীবনের আশ্বাসে।উদ্দীপকের 'জীবনের আশ্বাস' 'আমি কিংবদন্তির' কথা বলছি' কবিতায় কীভাবে এসেছে?
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'আমিই সে' ছোট্ট উপন্যাসটিতেবিধৃত হয়েছে মানবসভ্যতার আদিম ইতিহাস আর সভ্যতারঅগ্রগতি। কীভাবে আদিম মানুষ সভ্য মানুষে পরিণতহয়েছে, তারই প্রকাশ ঘটেছে উপন্যাসটিতে।উদ্দীপক ও 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতারবৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়—