কোন গল্প রচনার মাধ্যমে ছোটোগল্প লেখক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মপ্রকাশ ঘটে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'কাগজ তো ইঁদুরেও আনতে পারে।' বিলাসী গল্পে এ উক্তি কার?
- কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়তাইতে কী জাত ভিন্ন বলায়,যাওয়া কিংবা আসার বেলায়জাতের চিহ্ন রয় কার রে।উদ্দীপকটিতে 'বিলাসী' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বুঝিয়ে লেখো।
- মন্দির গল্পের জন্য শরৎচন্দ্র কোন পুরস্কার পেয়েছেন?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী দেওয়া হয়-
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন, না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গেছে বটে, কিন্তু পণ্যের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে, সেই জন্যই তাড়া।উদ্দীপকে যে সামাজিক প্রথা বর্ণিত হয়েছে তা 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- ‘শ্রীকান্ত’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
- ভয়ংকর এক সড়ক দুর্ঘটনায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা রায়হানকে পাশের বস্তির মেয়ে জাহানারা উদ্ধার করে নিয়ে আসে। স্মৃতি ফিরে পেলে রায়হান জানতে পারে তার জীবন বাঁচিয়েছে এই মেয়েটি। দীর্ঘদিন সেবা-যত্নের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে সে। রায়হান মেয়েটির প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে তাকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বাবা জাহানারাকে মেনে নেয় না। কিছু টাকা পয়সা দিয়ে তাকে-বিদায় করে দিতে চাইলে রায়হানও জাহানারার সাথে বস্তিতেই চলে যায় এবং সেখানেই সুখে সংসার বাঁধে।"উদ্দীপকের রায়হান এবং 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয় উভয়েই মানবিকতার মূর্ত প্রতীক।"- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- এই কান্নাকাটিতে অধর অত্যন্ত বিরক্ত হইলেন। ছোঁড়াটা মরা ছুঁইয়া আসিয়াছে, কি জানি এখানকার কিছু ছুঁইয়া ফেলিল নাকি। ধম দিয়া বলিলেন, মা মরেচে ত যা নিচে নেবে দাঁড়া। ... কি জাতের ছেলেরে তুই? কাঙালী সভয়ে প্রাঙ্গণে নামিয়া দাঁড়াইয়া কহিল, আমরা দুলে।উদ্দীপকের অধর বাবুর মনোভাব 'বিলাসী গল্পের যে প্রসঙ্গের সাথে সংগতিপূর্ণ তা হলো-সংকীর্ণতাজাতি বৈষম্যঅস্পৃশ্যতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'বিলাসী' গল্পে কোন পশুর নাম নেই?
- করোনাকালীন দুর্যোগে জনাব শিমুল চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। চরম আর্থিক সংকট এবং মানসিক চাপে তিনি শারীরিকভাবেও ভেঙে পড়েন। ফলে দুই সন্তানের লেখাপড়াসহ সংসারের খরচ চালানো তাঁর জন্য কঠিন-হয়ে যায়। এই সময়ে তাঁর স্ত্রী পারুল আক্তার সেলাইয়ের কাজ করে সংসারের হাল ধরেন। পাশাপাশি অসুস্থ স্বামীর সেবা করেন পরম মমতায়।পারুল আক্তারের সঙ্গে বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয়?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
- ’বিলাসী’ গল্পে উনিশ শতকের যে সমাজ সংস্কারকের উল্লেখ আছে তাঁর নাম-
- বিশ্বনাথ একজন সাপুড়ে। তার স্ত্রী কল্পনাও সাপুড়ে। সাপ খেলা দেখিয়ে তাবিজ বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। কিন্তু কল্পনা এখন আর সাপুড়ে পেশা পছন্দ করে না। সে বিশ্বনাথকে সাপুড়ে পেশা ছেড়ে অন্য কিছু করতে বলে। কারণ, 'প্রথমত, সাপের কামড়ে স্বামীর মৃত্যুর আশঙ্কা, দ্বিতীয়ত, শিকড়-বাকড় বিক্রির মাধ্যমে টাকা অর্জন করা লোক ঠকানোর নামান্তর। কিন্তু বিশ্বনাথ তা আমলে নেয় না। সে বলে, আমরা লোক ঠকাই না; লোকদের খেলা দেখিয়ে আনন্দের বিনিময়ে উপার্জন করি।উদ্দীপকে বিশ্বনাথ ও 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের ক্ষেত্রে যে দিকটি ফুটে উঠেছে, তার সামাজিক মূল্য নিরূপণ করো।
- বিলাসী' গল্পে ফুটে উঠেছে-বিশ শতকের সমাজচিত্ররক্ষণশীল মুসলিম সমাজচিত্ররক্ষণশীল হিন্দু সমাজচিত্রনিচের কোনটি সঠিক?
- একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো- বিলাসী কেন এ কথা বলল?
- 'সব লোকে কয় কী জাত সংসারে' এ গানে লালন ফকির মানুষের। জাত পরিচয় নিয়ে প্রশ্নউত্থাপন করেছেন। নিজে কোন ধর্মের বা জাতের, লালন সম্পর্কে এমন প্রশ্ন আগেও ছিল, এখনো আছে। জাতকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। জন্ম-মৃত্যুর সময় সব মানুষ তো একইভাবে আসে কিংবা যায়। তাই মানুষ জাত ও ধর্ম ভেদে যে। ডিন্নতার কথা বলে, লালন তা বিশ্বাস করেন না। লালনের মতে, ধর্মই তথ্য তথা মনুষত্ববে সুবোধই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। সেজন্য জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।উদ্দীপকের জাত পরিচয়ের বিষয়টি 'বিলাসী' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- নিম্নের কে কবি নন?
- মহরের কাহিনী আমাদের অনেক আছে। এখানে 'মহ' কী অর্থে ব্যবহার হয়েছে ?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে ডিগ্রি প্রদান করে তার নাম-